মৌমাছির হুল ফুটিয়ে রোগ নিরাময়!

Posted: এপ্রিল 27, 2012 in না জানা ঘটনা, Top News
Tags:

মৌমাছির কামড় খেয়ে সাধারণত মানুষ হাসপাতালে দৌড়ায়। কিন্তু বেজিংয়ের একটি ক্লিনিকে এ চিত্র ভিন্ন। সেখানে রোগ সারানোর জন্য মৌমাছির হুল ফুটাতে লাইন দেয় মানুষ।চীনে মৌমাছির এ হুল থেরাপি ৩ হাজার বছরের পুরোনো। ২০০৭ সালে এ চিকিৎসা বৈধতা পেয়েছে।

বেজিংয়ের উত্তরপূর্বে কাং তাই মৌমাছি ক্লিনিকে এ চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রথাগত চীনা ভেষজবিদ্যা অনুযায়ী চিকিৎসা চলে এ ক্লিনিকে।

মৌমাছির হুল ফুটিয়ে চিকিৎসা পদ্ধতিটা অনেকটা আকুপাংচারের মতো। পার্থক্য শুধু এই যে, ডাক্তাররা দেহের বিশেষ বিশেষ অংশে সূচ না ফুটিয়ে মৌমাছির হুল ফোটান।

ডাক্তাররা চিমটে দিয়ে একটি একটি করে মৌমাছি ধরে দেহের ব্যথার জায়গাগুলোতে বসান। মৌমাছিটি এরপর হুল ফুটিয়েই মরে যায়। মৌমাছির হুল এবং বিষ কয়েকঘন্টা থেকে যায় রোগীর শরীরে। তাতেই রোগীর আরাম হয়।

ডাক্তারদের মতে, ব্যথা উপশমে মৌমাছির এ বিষ প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে। ইঞ্জেকশনের মতো কাজ করে এটি।

কাং তাই ক্লিনিকের চিকিৎসকরা বলেন, বাত, আর্থাইটিস ও এ ধরনের অন্যান্য রোগ সারাতে এ চিকিৎসা কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

ওই ক্লিনিকের ডাক্তার ওয়াং জিং বলেন, “অস্থি ও অস্থিসন্ধির ব্যাথার চিকিৎসায় মৌমাছির হুল থেরাপি যথেষ্ট কার্যকর।”

তিনি বলেন, ‘মূলত মৌমাছির বিষ দিয়ে করা এ চিকিৎসা রক্ত চলাচল ভালো করাসহ দেহের প্রদাহ ও ব্যাথা নিরাময়ে সহায়ক।’

ডাক্তাররা বলেন, এ চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত মৌমাছিগুলো ইতালি ও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রজাতির একটি সংমিশ্রণ। মৌমাছিগুলোকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রাখা হয়। এগুলোর হুল ০ দশমিক ৩ মিলিমিটার লম্বা এবং এতে ০ দশমিক ৩ মিলিগ্রাম বিষ আছে। যা চিকিৎসার জন্য সুবিধাজনক।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s