Archive for the ‘নেটওয়ার্কিং’ Category


earn-money-online1বিছমিল্লাহির রহমানির রাহিম। মহান আল্লাহর নামে শুরু করছি। যেহেতু আল্লাহর নামে শুরু করেছি সেহেতু এই টপিকটা যে ভুয়া না সেটা অবশ্যই বুঝতে পারছেন।
যাই হোক কথা না বাড়িয়ে কাজ শুরু করি। এ বাপারে আগেও অনেক পোস্ট করা হয়েচে । তারপরও অনেকে বলছেন যে বুঝতে পারেন নি। তাই বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করবো।
1. আপনার অবশ্যই একটা ওয়েবসাইট থাকতে হবে। আর কিছু লাগবে না।
2. এই লিঙ্কে গিয়ে Register লেখায় ক্লিক করুণ। Name এ আপনার নাম দিবেন। Company তে কিছু দেয়া লাগবে না। Email এ একটা email দিবেন Join as এটা publisher select করবেন। Mobile এ আপনার Mobile Number। Address এ আপনার ঠিকানা। City তে আপনি যে শহরে থাকেন তার নাম। Postal code 4 সংখার যে কোনো একটা সংখা দিবেন। নিচে একটা যোগ অংক দেয়া আছে ওটার result last box এ দিয়ে Join now তে ক্লিক করবেন। এবার বাকি কাজ করি। join now তে ক্লিক করার পর যে পেইজ এসেছিল সেখানে একটি verification code চাইবে। এটা আপনার email এ আছে। email এ login করুণ। amaderad থেকে যে email টা এসেছে সেটায় ঢুকুন। না পেলে spam অথবা zank folder এ দেখুন। মেইল্টার ভিতরে একটা সংখা পাবেন। সেটাই আপনার verification code। এটা দিয়ে registration সম্পন্ন করুণ।

কত টাকা পাবেন? এটা বলা এদের company থেকে বারণ আছে। But, google adsense এর চেয়ে কিচু কম। google adsence প্রতি ক্লিক এ ৪-৫ টাকা দেয়।
কীভাবে আয় করবেন ? submit site এ গিয়ে আপনার সাইট এড করুণ । 3-4 ঘন্টার মধ্যেই আপনাকে সাইট এড করা হল কীনা তা email a জানানো হবে । এড করা হলে উপর থেকে get code এ গিয়ে কোড সংগ্রহ করে আপনার সাইটে যুক্ত করে দিন ।
টাকা তুলবেন যেভাবে: লগিন করার পর যে পেজ আসে সেখানে payment setup এ গিয়ে আপনার মোবাইল নাম্বার সেট করে দিন । প্রতি মাসের 1-5 তারিখের মধ্যেই টাকা পেয়ে যাবেন । ভয় নেই এরা টাকা ঠিক মতই দেয় । তা নাহলে এতবড় একটা পোষ্ট লেখার দরকার ছিল না ।

Advertisements

it1.thumbnailপাসওয়ার্ডগুগলের তথ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক হিদার অ্যাডকিনসের মতে, পাসওয়ার্ডের যুগ শেষ হয়ে গেছে।

অকেজো হয়ে যাচ্ছে পাসওয়ার্ড ব্যবস্থা।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর তথ্য নিরাপত্তায় এখন পাসওয়ার্ডের বিকল্প ভাবার আর কোনো বিকল্প নেই।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চ আয়োজিত এক সম্মেলনে পাসওয়ার্ডের নিয়ে এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করেন হিদার।

হিদার জানিয়েছেন, এখন নতুন উদ্যোক্তাদের পাসওয়ার্ডের বাইরে ভাবার সময় এসেছে। কারণ, ‘পাসওয়ার্ড এখন মৃত’।

তথ্যের নিরাপত্তায় এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা উদ্ভাবন করতে হবে যা দুর্বৃত্তরা কখনও হাতিয়ে নিতে না পারে।

হিদার আরও জানান, সার্চ জায়ান্ট গুগল পাসওয়ার্ডের বিকল্প ব্যবস্থা উদ্ভাবনে কাজ করছে। এরমধ্যে রয়েছে হার্ডওয়্যার টোকেন, উলকি ও পিল জাতীয় বিকল্প ব্যবস্থা।

হিদারের মতে, নতুন কোনো প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠান শুরুর আগে অবশ্যই তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা উচিত। প্রতিষ্ঠানের তথ্য নিরাপত্তার সার্বক্ষণিক দায়িত্ব কমপক্ষে ২৫ ব্যক্তির ওপর থাকা প্রয়োজন।

পাসওয়ার্ডের বিকল্প হবে উলকি, পিল

যাঁদের পক্ষে পাসওয়ার্ড মনে রাখা কষ্টকর, তাঁদের জন্য গুগল তৈরি করছে বিশেষ ধরনের ইলেকট্রনিক উলকি আর পিল। এ উলকি শরীরে লাগিয়ে রাখতে পারবেন বা বিশেষ পিল সেবন করলে এগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবেই কাজ করবে।

গুগলের অধীনস্থ মটোরোলা এই ইলেকট্রনিক ট্যাটু বা উলকি আর বিশেষ ধরনের পিল বাজারে আনতে কাজ করছে। বিশেষ এ উলকি ত্বকের ওপর আঁঁকা এক ধরনের সার্কিটের মতো। এতে কোনো ব্যাটারির প্রয়োজন পড়বে না।

ইলেকট্রনিক উলকির পাশাপাশি বিশেষ ধরনের ইলেকট্রনিক পিল বা বড়ি তৈরিতেও কাজ করছে গুগল। এ পিলটি খেলে মানুষের শরীর থেকে বিশেষ তরঙ্গ নির্গত হবে যা শনাক্ত করতে পারবে স্মার্টফোন। এ পিল শরীরের জন্য ক্ষতিকারক হবে না।

আইফোনে এল ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি

প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানগুলো পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে নানা গবেষণা করছে। প্রচলিত সংখ্যা পদ্ধতির পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ আইফোনের নতুন সংস্করণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি এনেছে। আইফোনে এ প্রযুক্তি আনতে ২০১২ সালে অথেনটেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান কিনেছিল অ্যাপল। ১০ সেপ্টেম্বর ঘোষিত আইফোনের নতুন মডেলের সঙ্গে ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকারী সেন্সরযুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, চোখের আইরিশ স্ক্যান ও কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ প্রযুক্তিকেও পাসওয়ার্ড ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত করার জন্য কাজ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।


referral_leaderboard

গুগল এডসেন্স বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সেরা এ কথা অনস্বীকার্য। তবে পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুগলের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে আসছে। যদিও এগুলোর ধারা গুগল থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এডব্রাইট, চিটিকাও একটি স্বতন্ত্র ধারা।
চিটিকা দিয়েও আপনি আপনার ওয়েবসাইটে এড বসিয়ে আয় করতে পারেন।
বিস্তারিত জানতে এবং সেবাটি গ্রহণ করতে সাইন আপ করে দেখতে পারেন।

সাইন আপ

সবচে বড় কথা হলো, সাইন আপ করতে যেহেতু কোনো টাকা পয়সা লাগে না তাই গুগলের উপর নির্ভর না করে এখানেও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
হয়তো গুগল এডসেন্স থেকে এটাই আপনার কাছে সহজ-সাবলীল-প্রয়োজনীয় মনে হবে। তাছাড়া গুগল এডসেন্সের সাথে চিটিকা ইউজ করা যায়

বুঝতে সমস্যা হলে জানাবেন। আমার সাধ্যমতো সলভ করার চেষ্টা করবো।


অনেকেই আছেন আইপি হাইড করে ব্রাউজ করেন। অনেকেই সফটওয়্যার ব্যাবহার করেন যা কিনা কিনতে হয়, ক্র্যাক ব্যাবহার করে করতে হয়। তারপর, তা কার্যকরী কিনা তা নিয়ে ও সন্দেহ থেকে যায়।

কিছুদিন আগে একটি সফটওয়্যারের টরেন্ট খুজবার জন্য একটি সাইটে যাই। সেখানে অপশন ছিল “anonymous download”. ক্লিক করলাম, দেখি আমাকে   .exe ডাউনলোড/ইন্সটল করতে প্রম্পট আসলো। করলাম, তবে, আপনারা এন্টি-ভাইরাস চালু রেখে তা করবেন। এতে এক ধরণের Adware রয়েছে।

সাইট থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতে চাইলে, http://privitize.com/ ভিসিট করুণ। তবে, ডাউনলোড করার সময় এন্টি-ভাইরাস ডি-এক্টিভেট করে নিন।

বিস্তারিত জানতেঃ http://privitize.com/about ভিসিট করুণ।

তারপর, PrivitizeVPN Connect করলাম।

এখন, কতটা কার্যকরী তা যাচাই করার জন্য http://whatismyipaddress.com/ ভিসিট করলাম। দেখলাম সত্যিই কার্যকরী। তবে, টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করার সময় সেই সিড/স্পীড/বেন্ড-উইথ পাইনি।

আপনি ইচ্ছে করলে Disconnect করে রাখতে পারেন।


ব্রাউসার যুদ্ধ:

প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছি। ভিডিও বা ছবি দেখছি, গান ডাউনলোড করছি। ইন্টারনেট এখন আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু কতজন ভেবে দেখেছি বা অন্ততঃ জানার চেষ্টা করেছি এই ইন্টারনেটের আদি অবস্থা সম্পর্কে? কতজনই বা জানি ইন্টারনেটের ইতিহাস সম্পর্কে?

৯০’ এর দশকের গোড়ার দিকে কথা। তখনকার ইন্টারনেট আজকের ইন্টারনেটের থেকে ছিলো পুরোপুরি ভিন্ন। তখনকার ইন্টারনেট ছিলো মূলতঃ একটি গবেষণাধর্মী নেটওয়ার্ক যা বছর কয়েক আগে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স লি উদ্ভাবন করেছিলেন। ওই সময় ওয়েবসাইটের সংখ্যা ছিলো হাতে গোণা। আর যাও বা ছিলো তাতে ছিলো শুধু লাইনের পর লাইন বিরক্তিকর গবেষণাধর্মী লেখা। একান্তই “গিক” (Geek-টেকনোলজি বিষয়ক আঁতেল) না হলে কেউ সেই সময়কার ইন্টারনেট নিয়ে মাথা ঘামাতো না। সৌভাগ্যবশত সেরকমই কিছু গিকদের মধ্যে দু’জন ছিলেন ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র মার্ক এন্ড্রিসেনএরিক বিনা
Nafis Iftekhar 1226144738 1 vlcsnap 90957 ইন্টারনেটের ইতিহাস না জানলে দেখতে পারেন
মার্ক এন্ড্রিসেন

এন্ড্রিসেন ও এরিক বিনা সেই সময়ই কল্পনা করেছিলেন এমন একদিন আসবে যেদিন (বিস্তারিত…)


নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র অনুমোদন ছাড়া কোম্পানির নাম পরিবর্তন করায় দেশের তৃতীয় মোবাইল ফোন অপারেটর আজিয়াটা বাংলাদেশ লিঃ-কে অন্তত ৪৯৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা কম জরিমানা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে মহাহিসাব নিয়ন্ত্রক। বিটিআরসি’র ২০০৯-২০১০ অডিট প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়। অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানির নাম পরিবর্তন করা হলে তার জন্যে ৫’শ কোটি টাকা জরিমানা করার বিধান (বিস্তারিত…)


সাবমেরিন ক্যাবল রিপিটার প্রতিস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সারা দেশের ইন্টারনেট সার্ভিস তিন ঘণ্টার জন্য বন্ধ ছিল।আগামী ৪ দিনের জন্য ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হবে।সাবমেরিন ক্যাবল মেরামতের জন্য এ দুর্ভোগ পোহাতে হবে গ্রাহকদের। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন এর সূত্রে জানা গেছে, “থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার মাঝে সমুদ্রের তলদেশে সাবমেরিন কেবলের রিপিটার প্রতিস্থাপনের কাজ চলবে। ফলে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখতে হয়েছে তিন ঘণ্টা।
একই সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৫ টা থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ৪ দিন পূর্ব প্রান্তের (সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া) সব সার্কিট ব্যাহত হবে। তবে পশ্চিম প্রান্তের মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকার সব ভয়েস ও ইন্টারনেট সার্কিট চালু থাকবে। থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার মধ্যের সেকশনে একটি রিপিটার প্রতিস্থাপনের জন্য এ ইন্টারেপশন হচ্ছে এবং ব্যান্ডউইথের শূণ্যতা পূরণের জন্য বিএসসিসিএল বিকল্প পথে সার্কিট চালু ও অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ আমদানির ব্যবস্থা করেছে।
সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে গত সাত বছরে দুইবার রিপিটার প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। রিপিটার ঠিকমতো কাজ না করলে ইন্টারনেট সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
মনোয়ার হোসেন বলেন, “প্রতিস্থাপনকারী সংস্থা রাত ৮টা থেকে তিন ঘন্টার জন্য সময় ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে বলেছিল। কিন্তু আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে মধ্যরাতকে এই কাজের জন্য বেছে নিয়েছি, যেন গ্রাহকদের ভোগান্তি কম হয়। কারণ মধ্যরাতের এই সময়টাতে দেশে গ্রাহকরা ইন্টারনেট ব্যবহার কম করেন।”


প্রতি ই-মেইলে টাকা। জিমেইল, ইয়াহু বা হটমেইল খরচের বাইরে থাকবে না কিছুই। ইউটিউবে ভিডিও দেখাও টাকা ছাড়া সম্ভব হবে না। টুইটার-ফেসবুকে ঢুকতেও লাগবে টাকা। ছবি আপলোড করা, স্ট্যাটাস দেওয়া, কারও ছবি বা টেক্সটে মন্তব্য করা, লাইক দেওয়া এতদিন নিখরচায় করে আসা কাজগুলোর জন্য টাকা খরচের প্রস্তাব এসেছে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নে (আইটিইউ)।

সামাজিক যোগাযোগের (বিস্তারিত…)

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি (থ্রিজি) সেবা আগামী ২ মাসের মধ্যেই যাচ্ছে বেসরকারি অপারেটর গ্রামীণফোন, এয়ারটেল, সিটিসেল,ওয়ারিদ ও বাংলালিংকে। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে খসড়া নীতিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশনের (বিটিআরসি) নতুন চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস জানিয়েছেন, বেসরকারি মোবাইল অপারেটরদের থ্রিজি লাইসেন্স দেয়ার কাজ অনেক দূর এগিয়ে নেয়া হয়েছে। আগামী বছরের প্রথমদিকে থ্রিজি লাইসেন্স প্রাইভেট সেক্টরে দেয়া যাবে।

বর্তমানে এ সুবিধা পাচ্ছে কেবল সরকার নিয়ন্ত্রিত মোবাইল অপারেটর টেলিটক। গত মাসের প্রথমদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থ্রিজির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বেসরকারি মোবাইল অপারেটরদের ওই লাইসেন্স দেয়াকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন বলে জানান বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান। তার নেয়া ৫ চ্যালেঞ্জের মধ্যে এটা অন্যতম। অপর চ্যালেঞ্জগুলো হচ্ছে- ভিএসপি লাইসেন্স ইস্যু, ভিওআইপি নিয়ে বদনাম ঘোচানো, ৮৫টি আইজিডব্লিউ, আইআইবি ও আইসিএক্স লাইসেন্স মনিটরিং ও স্যাটেলাইট প্রজেক্ট এগিয়ে নেয়া।

অন্যদিকে টেলিটক সূত্রে প্রকাশ, প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর চার লাখ গ্রাহক পাবেন থ্রি জি  সেবা। ৫১২ কিলোবাইট গতির ১০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ বান্ডেলের দাম এক হাজার টাকা। ভিডিও এবং ভয়েস কল দুটির সঙ্গেই থাকছে দশ সেকেন্ডের পালস। তারা জানায়, এত কম দামে এশিয়ার কোথাও ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ বিক্রি হয় না। থ্রিজি সিমে ভয়েস কলে অননেটে (টেলিটক থেকে  টেলিটকে) প্রতি মিনিটে খরচ হবে ৬০ পয়সা। দশ সেকেন্ডের পালস ১০ পয়সা। অফপিক আওয়ারে এ খরচ দশ সেকেন্ডে ৫ পয়সা। অন্যদিকে অফনেটে (অন্য অপারেটরে) প্রতি দশ  সেকেন্ডের জন্য খরচ ১৬ পয়সা। ডেটার ক্ষেত্রে বান্ডেলের বাইরে এক পয়সায় পাওয়া যাবে ৫ কিলোবাইট ব্যান্ডউইথ। ২৫৬ গতির ক্ষেত্রে ৪ জিবির দাম পড়বে ৪শ’ টাকা। ৮ জিবি বান্ডেলের দাম ৭শ’ টাকা। মাসে আনলিমিটেড ব্যবহারের প্যাকেজের দাম এক হাজার ৫০ টাকা। ৫১২ কিলোবাইট গতির ক্ষেত্রে এক জিবি ২শ’ টাকা, দুই জিবি ৫শ’ টাকা, ১০ জিবি এক হাজার টাকা এবং আনলিমিটেড ব্যবহারের  ক্ষেত্রে ১৫শ’ টাকা।

এদিকে থ্রিজিকে জনপ্রিয় করতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় অপারেটরগুলোকে বাড়তি সুবিধা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য খসড়া নীতিমালায় প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে কম দামে থ্রিজি লাইসেন্স দিতে যাচ্ছে তারা। প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের জন্য ‘বিড মানি’ ১ কোটি ডলার কমানোর প্রস্তাব রয়েছে খসড়া নীতিমালায়। এর আগে থ্রিজি খসড়া নীতিমালায় প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের জন্য বিড মানি (ন্যূনতম দর) ৩ কোটি ডলার নির্ধারণ করা হয়।

সমপ্রতি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে তরঙ্গ মূল্য নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে তা ২ কোটি ডলার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি মাসে প্রাথমিকভাবে নীতিমালা চূড়ান্ত করে বিটিআরসিসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই এ নীতিমালা চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পর বিটিআরসি নিলামের জন্য প্রস্তুতি নেবে। গত ২৮শে মার্চ থ্রিজি মোবাইল সার্ভিস লাইসেন্সের খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় বিটিআরসি। এতে পাঁচটি অপারেটরকে লাইসেন্স  দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, থ্রিজি সংযোগ দিয়ে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কল করা, মোবাইল ফোনে  টেলিভিশন দেখা, ভিডিও স্ট্রিমিং, রিয়েল টাইম  গেমিং, অডিও ভিডিও চ্যাটিং সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী হবে। এদিকে টেলিটক এরইমধ্যে তাদের থ্রিজি সেবার কাজ শুরু করেছে। টেলিটক জানিয়েছে, গ্রাহকরা এখন কেবল রাজধানীতে থ্রিজি সেবা পাবেন। পর্যায়ক্রমে ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম ও জানুয়ারিতে সিলেটে থ্রিজি সেবা দেয়া হবে।


বেশ কিছুদিন পূর্বে মহানবী (সঃ)-কে কটাক্ষ করে নির্মিত একটি ভিডিও আপলোড করার পরবর্তীতে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট, ইউটিউব বাংলাদেশে ব্লক করে দেয়া হয়েছে। যদিও ভিডিওটির বিষয় অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মনে ও ধর্মানুভুতিতে আঘাত হানতে বাধ্য, কেউ কি ভেবে দেখেছি বিষয়টির ফলাফল কি হতে পারে? ইউটিউবই কি একমাত্র ওয়েবসাইট যেখানে ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মমতের অবমাননা করা হয়? বাংলাদেশে কেন ইউটিউবের পক্ষ থেকে ভিডিওটিকে ব্লক করে দেয়া হয়নি? অন্য কোথাও কি এই ভিডিওটি পাওয়া যাবে না, ইউটিউব ছাড়া? এই প্রশ্নগুলো উত্তর দিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণাকে দূরীকরণের উদ্দেশ্যেই আমার এই লেখাটি।

ইউটিউব আসলে কি?

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি, আমার এলাকার কয়েকজন মুরুব্বি নামাজের পর চায়ের দোকানে বসে ইউটিউবের সমালোচনা করছিলেন, বেশ ভালোভাবেই! আমি তাদেরকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “আঙ্কেল, ইউটিউবে কি হয়েছে?” তাঁদের মতে ইউটিউব এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে শুধুই ইসলামকে অবমাননা করে ভিডিও আপলোড করা হয়! প্রযুক্তিবিষয়ক জ্ঞানের অভাবে এইসকল মানুষের মধ্যে এত বড় ভুল ধারণা কারা সৃষ্টি করেছে? আমরাই, যারা নিয়মিত প্রযুক্তি ব্যবহার করি।

ইউটিউবে কি আছে?

ইউটিউবে যে কেউ, যেকোন ভিডিও (গাইডলাইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে) আপলোড করে সমগ্র বিশ্বের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে। সেটি হতে পারে আপনার জন্মদিনের, বিয়ের বা বাচ্চার হাতেখড়ির অনুষ্ঠানের ভিডিও। ইউটিউব বর্তমানে শিক্ষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

বাংলাদেশে বংশোদ্ভূত সালমান খানের প্রচেষ্টার ফসল Khan Academy ইউটিউবে তাদের পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, জীববিজ্ঞান, ক্যালকুলাস, পরিসংখ্যান, অর্থনীতি প্রভৃতি বিষয়ক অত্যন্ত আকর্ষণীয় ভিডিও লেকচার সংরক্ষণ করেন। বিশ্বের মিলিয়ন-মিলিয়ন শিক্ষার্থী এসকল ভিডিও দেখে কঠিন পাঠগুলো সহজেই আয়ত্ত করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে আমার কথা বলতে পারি। নবম শ্রেণিতে ওঠার পর প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় রসায়নে খুবই খারাপ ফলাফল করেছিলাম, বইয়ের বিষয়বস্তু না বোঝার দরুন। খান অ্যাকাডেমীর ভিডিও দেখে বিষয়টি আমি পুরপুরি আয়ত্ত করতে পারি এবং পরবর্তীতে ক্রমে ভালো ফলাফলের দিকে অগ্রসর হই।

আপনি সম্ভবত ড. জাকির নায়েকের মত বেশ কয়েকজন ইসলামবিদের নাম শুনেছেন। তাদের লেকচারগুলোর ভিডিও কিন্তু ইউটিউবে দেখা যায়। কুরআনের তিলাওয়াত, ইসলামী জীবনযাপন সংক্রান্ত ভিডিও, সবই পাবেন ইউটিউবে। মজার বিষয়টা খেয়াল করেছেন কি? ছবিতে দেখুন, কেবল জাকির নায়েকের লেকচারের ভিডিওই রয়েছে ৬৩,০০০ এর উপরে! ইউটিউব ইসলামিক কন্টেন্টে কতটা রিচ তা আপনার কল্পনার বাইরে! অবশ্য, এখন আর দেখবেনই বা কি করে, ইউটিউব তো বন্ধই করে দিয়েছে সরকার।

ফ্রীল্যান্সার এবং প্রযুক্তি বিষয়ক ক্যারিয়ার গঠনে আগ্রহীদের তীর্থস্থান হল ইউটিউব। সুন্দর সব ভিডিও টিউটোরিয়ালের মাধ্য দিয়ে প্রযুক্তি জটিল সকল বিষয় সহজেই বুঝিয়ে দেয়া হয় এ সকল ভিডিওতে। ওয়েবসাইট তৈরি, প্রোগ্রামিং করা, গ্রাফিক্স এডিটিং, কম্পিউটার সারাই কি নেই এখানে! কিন্তু, এত জ্ঞানের ভাণ্ডার থেকে আজ আমরা বঞ্চিত। তাছাড়া, ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে যেসকল ফ্রীল্যান্সার আয় করতেন, তাদের আজ কি অবস্থা?

আপনি কোন মুভি, নাটক বা গান চান? সেটিও আছে ইউটিউবে। শরীর ফিট রাখার জন্য ব্যায়াম শিখতে চান? তা শিখানোর জন্যও আছে ভিডিও টিউটোরিয়াল! কি নেই এখানে? বিনোদন, শিক্ষা ও মানুষের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউটিউব।

যত দোষ ইউটিউব ঘোষ

যদি আপনি মনে করেন ইন্টারনেটে কেবল ইউটিউবেই ইসলামকে অবমাননা করা হয়, তবে আপনি প্রকৃতপক্ষে অন্ধকার ঘরে বন্দি। কেননা, ইসলামকে অবমাননা করে অধিকাংশ কন্টেন্ট, আমি বলবো প্রায় সকল কন্টেন্টর উৎসই ফেসবুক। গুগল+ নয়, টুইটার নয়, ফেসবুকই। মহানবী, ইসলামকে ব্যাঙ্গ করে নির্মিত পেজের সংখ্যা হয়তো আমার এই আর্টিকেলের বর্ণের সংখ্যার চেয়েও বেশি। কিন্তু, দোষ কেন শুধু ইউটিউবের? ফেসবুকের শত শত পেজগুলোর কি কোন দোষ নেই? তাদের অবমাননা অপরাধ নয়? ইউটিউব সাধারণ মানুষের শিক্ষা, বিনোদন ও উপার্জনের স্থান। এটিই কি ইউটিউবের একমাত্র দোষ? আমি সঙ্গত কারণেই ফেসবুকপেজের লিংকগুলো দিচ্ছি না, সামান্য খোঁজ করলেই আপনারা এগুলো পেয়ে যাবেন। ফেসবুক পেজগুলো পার পেয়ে যাবে আর একটা ভিডিওর জন্য পুরো ইউটিউব বন্ধ হয়ে যাবে?

ভিডিওটি এখন আর কোথাই কি নেই?

আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি, ভিডিওটি কেবল ইউটিউবেই সীমাবদ্ধ নেই। Blip.TV, Vimeo, Metacafe, Facebook, Dailymotion প্রভৃতি সাইটে এই ভিডিও ভাইরাসের মত ছড়িয়ে পড়েছে। লাভ হল কি ইউটিউব বন্ধ করে? (আবারও সঙ্গত কারণেই লিংক দিচ্ছি না)

সময় স্বল্পতার কারণে আমার লেখা সম্পূর্ণ করতে পারলাম না, আপনারাই ভেবে দেখুন, ইউটিউব ব্লক করা কতটা যুক্তিযুক্ত? ইউটিউব যে বন্ধ হল, এর জন্য ক্ষতির শিকার হচ্ছি আমরাই। গোটা বিশ্বের তুলনায় আমাদের ছোট্ট দেশটি থেকে পাওয়া ভিজিটর তাদের কাছে খুবই নগণ্য। ইউটিউব দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ হয়ে আছে, এমন অবস্থা চলতে থাকলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে, কমবে না। কি দোষ করেছিল সে শিক্ষার্থীটি যে খান একাডেমির ভিডিও না দেখতে পেরে গাইড কিনে নিজের মস্তিষ্ক বিক্রি করে দিয়েছে? কিংবা সে ওয়েব ডেভেলপারের, যে জ্যাঙ্গো শিখতে না পেরে একটি প্রজেক্টই বাতিল করে দেয়?

সৃষ্টিকর্তা বৈপরিত্যের মধ্য দিয়েই বিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। সবকিছুরই ভালো ও মন্দ দিক উপস্থিত, ইউটিউবও তার ব্যতিক্রম নয়। অতএব, মন্দ দিকটা না ধরে ভালো দিকের প্রতি আকৃষ্ট হবাই বুদ্ধিমানের কাজ! ইউটিউব বন্ধ করা মোটেও সন্তোষজনক পদক্ষেপ নয়। ইউটিউব বন্ধ করার এক অর্থ হল তথ্যের উন্মুক্ত প্রবাহ হতে আমাদের দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা। আমরা চাই যথাদ্রুত সম্ভব ইউটিউব ও গুগলের অন্যান্য ব্লক হয়ে যাওয়া পরিষেবা আমাদের মাঝে ফিরে আসুক।


নিচে টেলিটকের বেসিক ইন্টারনেট সেটিংস সম্পর্কে কিছু তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরলাম।

Teletalk Internet Settings (basic):

• APN – (Access Point Name) : wap
• Proxy Address/ IP/ Getway : 192.168.145.101
• Proxy Port Number : 9201

কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ডায়াল আপ কানেকশনে dial নম্বর প্রয়জন পড়তে পারে।
• APN (Access Point Name) : wap
• Phone Number (dial up) : *99#


ঈদ ও পুঁজার এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় নির্ঝঞ্ঝাট শপিং করবার কথা ভাবা দুস্কর। চিন্তা করুন, যদি শপিং হত ঝামেলা মুক্ত? ঈদ বা পুঁজার শপিং করা সম্ভব হত নিজের কম্পিউটারে একটি ক্লিকেই, তবে কেমন হত? হ্যাঁ, এর সবই সম্ভব  এখনই ডট কম আনন্দ উৎসবে

এখনই ডট কম  নিয়ে এসেছে এই অসাধারণ সুযোগ। এখনই ডট কম এর আনন্দ উৎসব শুরু হয়েছে ১৬ অক্টোবর থেকে এবং চলবে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত। ক্রেতাদের শুধু অনলাইন শপিং সুবিধা দেয়াই নয়, বরং সকল প্রকার যানজট আর শপিং সেন্টারগুলোর উপচে পরা ভিড় থেকে মুক্তি পাবার একটি উপায় করে দেয়ার জন্যেও এই প্রচেষ্টা।

ফ্যাশনেবল পোশাক থেকে শুরু করে জুতো, ঘড়ি, পারফিউম, সবই পাওয়া যাবে এই আনন্দ উৎসবে। ক্রেতাদের ভিড় ঠেলে, দোকানের পর দোকান ঘুরে শপিং এর দিন শেষ। এখন নিজের কম্পিউটার এর সামনে অল্প কিছু সময় ব্যয় করাই যথেষ্ট। চিন্তা করছেন পণ্য না দেখে কিভাবে যাচাই করবেন? এখনই ডট কম এর শতশত পণ্যের মাঝ থেকে সঠিক পণ্যটি বেছে নেবার জন্য এর ওয়েবসাইটে সকল পণ্যের বিষদ বর্ণনা এবং পণ্যের আকর্ষণীও দিক গুল সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে ক্রেতারা পণ্য সম্পর্কে নিখুঁত ধারনা পায় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

বন্ধুকে রেফার করুন আর জিতে নিন ৫০ টাকা:

এখনই ডট কম  একটি ভিন্ন মাত্রার ই-কমার্স সাইট। গতানুগতিক ই-কমার্স সাইটে যেখানে শুধু মাত্র বিভিন্ন পণ্য কিনতে পারা যায়, সেখানে এখনই ডট কমে প্রতিদিন বিভিন্ন আকর্ষণীয় পণ্যের উপর বিশেষ ডিসকাউন্ট বা মূল্যছাড়ে কেনাকেটা করা যায়! এখনই ডট কম  খাবার, ভ্রমণ, চিত্তবিনোদন, সিনেমা, স্পা, স্বাস্থ্যসেবা, ফিটনেস সেন্টার, বিউটি পার্লার এবং শহরের আরো অনেক জনপ্রিয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য এবং সেবা সমূহের ৯০ ভাগ পর্যন্ত ছাড় আপনার হাতের নাগালে এনে দিচ্ছে। নতুন নতুন পণ্য ও সেবার উপর আকর্ষণীয় ছাড়ের মাধ্যমে এখনই ডট কম  একটি ভিন্ন ধারার ই-কমার্স সার্ভিস তৈরি করেছে। যার ফলে প্রচলিত বাজার মূল্যের চেয়ে বিশেষ ছাড়ে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের পণ্য কিনতে ও প্রিয়জন ও বন্ধুকে গিফট করতে পারবেন কম্পিউটারের বা ল্যাপটপের সামনে বসেই!

বন্ধুকে রেফার করা মানে কি ও কিভাবে করবেন:

রেফার করা বলতে আমরা সাধারনত যা বুঝি তা হল একজনের মাধ্যমে অন্য আরেকজনকে কিছু জানানো বা উল্লেখ করা।এখনই ডট কম এর রেফারেল পদ্ধতিটিও ঠিক সেরকমই। এখনই ডট কম এ রেজিস্ট্রেশান এর মাধ্যমে আপনি একটি নিজস্ব রেফারেল লিংক http://www.akhoni.com/?ref=mW491Gtf  পাবেন। লিংকটি এবার জানিয়ে দিন আপনার চারপাশের সবাইকে। আপনার রেফার এ আরেকজন সুবিধা পাচ্ছে এখনই ডট কম থেকে ডিসকাউন্ট এ পণ্য ক্রয়ের সুযোগ। একই সাথে আপনি পাচ্ছেন আপনার রেফারেল এর মাধ্যমে প্রতিটি নতুন রেজিস্ট্রেশান এ প্রথমবার কেনা যে কোন পণ্যের জন্য ৫০ টাকা উপহার আপনার নিজস্ব এখনই ডট কম এর অ্যাকাউন্টটিতে।

আপনি যাকে রেফার করলেন সে যখন কোন পণ্য কিনবে তখনই ৫০ টাকা পাবেন আপনার একাউন্টে। একজন রেফারাল ফ্রেন্ড এর জন্য শুধুমাত্র প্রথম বার কেনার জন্য।

আপনার বন্ধুদেরকে রেফার করুন এবং জিতে নিন ৫০ টাকা

আপনার বন্ধুকে আপনার রেফারেল লিঙ্কটি জানান। আপনার বন্ধুটি এখনই ডট কম থেকে প্রথমবার কিছু ক্রয়ের সময় আপনার রেফারেল লিঙ্কটি ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশান করতে বলুন। তিনি পাচ্ছেন নিজের একটি রেফারেল লিংক ও সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্যাশান, রুপ লাবণ্য, ভ্রমন, রেস্টুরেন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স ডিল আর তার প্রথম ক্রয়ে। আপনি পাবেন উপহার হিসেবে ৫০ টাকা আপনার পরবর্তী ক্রয়ের জন্য।

এখনই ডট কম থেকে পাওয়া রেফারেল লিংকটি সবাইকে জানাতে সকল সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এ বা অন্য যেকোনো খানে যেখানে মানুষের চোখে পড়তে পারে বেশি যেমন ব্লগ, বিভিন্ন জনপ্রিয় গ্রুপ (Yahoo, MSN, Google etc) এ পোস্ট দিতে পারেন বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানাতে পারেন সবাইকে।


আগস্ট মাসে দেশে মোবাইল গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৮ লাখ ১৪ হাজার। তাতে দেশের মোট কার্যকর মোবাইল সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৫৫ লাখ ২৮ হাজার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই হিসাব প্রকাশ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।

এর আগে যেখানে প্রতি মাসে ১২ থেকে ১৬ লাখ পর্যন্ত নতুন গ্রাহক পেয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটররা; সেখানে জুলাই মাস থেকে গ্রাহক বৃদ্ধির হার কমতে শুরু করেছে। জুলাই মাসেও সব মিলে মাত্র ৯ লাখ গ্রাহক যুক্ত হয়েছিল অপারেটরদের সঙ্গে।

প্রকাশিত হিসাব অনুসারে শীর্ষ অপারেটর গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৩ হাজার। তবে যে সময় পর্যন্ত হিসাব প্রকাশ হয়েছে তার মাত্র দুই তিন দিন পরেই গ্রামীণফোনের গ্রাহক চার কোটি পেরিয়ে গেছে। গ্রামীণফোন সূত্রেই পাওয়া গেছে এ খবর।

দ্বিতীয় গ্রাহক সেরা অপারেটর বাংলালিংকের গ্রাহক এখন ২ কোটি ৫৭ লাখ ৪৩ হাজার। জুলাই মাসেও তাদের গ্রাহক ছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ ২২ হাজার। রবি এই সময়ে দুই কোটি গ্রাহকের ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করেছে। আগস্টের শেষে তাদের গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ২ কোট ১ লাখ ৪৪ হাজার। এই মাসে তারাই সবচেয়ে বেশী (৪ লাখ ৮৮ হাজার) গ্রাহক পেয়েছে। আগের মাসে তাদের গ্রাহক ছিল ১ কোটি ৯৬ লাখ ৫২ হাজার। একই সময়ে এয়ারটেলের গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ লাখ ৮৪ হাজার।

অন্যদিকে ছোট দুই অপারেটরের গ্রাহক আগস্ট মাসে কমেছে। সিটিসেল জুলাইয়ে ছিল ১৬ লাখ ৮৫ হাজার গ্রাহকে। আর আগস্টে এসে দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৮৩ হাজারে। অন্যদিকে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব অপারেটর টেলিটক ১৩ লাখ ৯১ হাজার গ্রাহক থেকে আগস্ট মাসে এসে দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬৭ হাজারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মোট কার্যকর সিমের হিসেব দিয়ে অবশ্য কখনোই মোট গ্রাহক প্রকাশ করা যায় না। কারণ মাল্টিপল সিমের কারণেই প্রকৃত গ্রাহক সংখ্যা কার্যকর সিমের চেয়ে অনেক কম হবে।

সম্প্রতি প্রাকাশিত এরিকসনের এক হিসেবে দেখা গেছে, দেশের ৮১ শতাংশ গ্রাহক কেবল একটি সিম ব্যবহার করেন। অন্যদিকে ১৫ শতাংশ গ্রাহক দুইটি এবং আরো চার শতাংশ গ্রাহক আছেন যারা তিন বা তার চেয়ে বেশী সিম ব্যবহার করেন। গত মে মাসে এই হিসেব প্রকাশ করে এরিকসন।


যেন আক্ষরিক অর্থেই খ্যাতির বিড়ম্বনা। বা বলা ভাল ‘লাইকের’ বিড়ম্বনা।
আর সে বিড়ম্বনা ঠেকাতেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে নতুন ‘প্রোগ্রাম’ আনতে চলেছেন কর্তৃপক্ষ। যদিও এর ফলে তাদের আর্থিক লাভের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। তবে তাতে দমছেন না ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বরং তাঁদের বিশ্বাস ফেসবুকের ‘আসল’ ব্যবহারকারীদের কাছে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এটিই উপযুক্ত পদক্ষেপ।
কিন্তু হঠাৎ কী এমন সমস্যা দেখা দিল ফেসবুকের জনপ্রিয় ‘লাইক’ বোতামটি নিয়ে?
আসলে ফেসবুক বেশ অনেক দিন ধরেই ব্যবসায়ীদের কাছে পছন্দের বিজ্ঞাপন-মাধ্যম। পোশাক-পরিচ্ছদ কিংবা গয়না প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন সংস্থা সব জিনিসেরই নামী ‘ব্র্যান্ড’গুলি তাদের বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করে ফেসবুককে। শুধু বিজ্ঞাপন নয়, কোন ব্র্যান্ড ঠিক কতটা জনপ্রিয়, তারও একটা হিসেব পাওয়া যায় এখান থেকে। সাধারণ ধারণা অনুযায়ী, যে ব্র্যান্ডে যত বেশি সংখ্যক ‘লাইক’ পড়ে, সেই ব্র্যান্ড ততটাই জনপ্রিয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটিও এক ধরনের পরোক্ষ বিজ্ঞাপন। আরও বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারীর নজর কাড়তে ফেসবুকে নিজেদের জনপ্রিয়তম ব্র্যান্ড হিসেবে দেখাতে এক মাত্র ভরসা ওই ‘লাইক’ বোতামটিই। এ বার গোল বেধেছে তাকে ঘিরেই।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দাবি, বিজ্ঞাপনের জন্য ‘লাইক’ বোতামটির অসাধু ব্যবহার করছে কিছু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। নানা রকম ‘ভুয়ো’ উপায়ে তারা তাদের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর চেষ্টা করছে ফেসবুকে। যেমন ‘স্প্যাম’-এর মতো প্রোগ্রামের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নিজেদের অজান্তেই কোনও একটি বিশেষ ব্র্যান্ডের জন্য ‘লাইক’ বোতাম টিপে ফেলছেন। তাঁরা হয়তো কোনও ভিডিও ফুটেজ দেখতে মাউসে ‘ক্লিক’ করলেন। সঙ্গে সঙ্গেই ‘লাইক’ পড়ে গেল কোনও বিশেষ ব্র্যান্ডের পেজে।
ব্যবহারকারীর অজান্তেই। অনেক সময় আবার ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলিয়ে একই ব্যক্তিকে দিয়ে একাধিক বার ‘লাইক’ করানো হচ্ছে কোনও নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডকে। তাতেই বেড়ে যাচ্ছে ‘লাইকের’ সংখ্যা। বাড়ছে ভুয়ো জনপ্রিয়তা।
এই অসাধু ব্যবহার রুখতেই এ বার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। নিজেদের ব্লগে তারা জানিয়ে দিয়েছেন, “উন্নত নতুন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে এই ধরনের ভুয়ো বা সন্দেহজনক লাইক মুছে ফেলা সম্ভব হবে ফেসবুক থেকে।” তাঁরা জানেন, হয়তো এর ফলে গড়ে প্রায় এক শতাংশ ‘এনডোর্সমেন্ট’ হারাতে পারে ফেসবুক। কিন্তু সংস্থাও অন্তত সাড়ে ন’কোটি ব্যবহারকারী দু’পক্ষের সুবিধার জন্য এটিকেই যথাযথ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন তাঁরা।


চলতি মাসের ২৭ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে কোনো একদিন তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি জি) মোবাইল প্রযুক্তি চালু করার জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সময় চেয়েছে রাষ্ট্রায়াত্ব মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক। আজ মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে অপারেটরটি।

আজ কালের মধ্যে মন্ত্রণালয় এ চিঠি প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠাবে। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সময়ের ওপর নির্ভর করে দেশে প্রথমবারের মতো থ্রি জি সেবা উন্মুক্ত করা হবে।

এ বিষয়ে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান জানান, তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। এখন প্রধানমন্ত্রীর সময়ের অপেক্ষায় আছেন কেবল।

জানা গেছে, ইতিমধ্যে চার লাখ গ্রাহকের জন্যে থ্রি জি সেবা চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে টেলিটক। প্রথমে ঢাকা এবং ঢাকার পাশ্ববর্তী এলাকায় এই সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে সাভার-আশুলিয়া এবং নারায়নগঞ্জ-গাজীপুর এলাকায়ও প্রথম থেকেই এই সেবা পাওয়া যাবে।

টেলিটক সূত্র জানিয়েছে, ঢাকার পাশাপাশি ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামে থ্রি জি সেবা দিতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পরে জানুয়ারিতে সিলেটেও এই সেবার বিস্তার ঘটাবে টেলিটক। তখন আট লাখ গ্রাহক হবে বলে দাবি করছে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

চীনের দুটি কোম্পানির কাছ থেকে ঋণ চুক্তিতে থ্রি জি প্রযুক্তি আমদানি করেছে টেলিটক। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবার এই প্রযুক্তি চালু হলে দেশে তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


দ্বিতীয় প্রজন্মের লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিলেই রিম থেকে সিমে যাবার অনুমতি পাবে সিটিসেল। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিটিসেলের আবেদনের প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

দেশের একমাত্র কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস বা সিডিএমএ প্রযুক্তি ব্যবহারকারী এই অপারেটর অন্য অপারেটরদের মতো গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল প্রযুক্তি (জিএসএম) ব্যবহারে অনুমতি চেয়েছিল বিটিআরসির কাছে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ বলেন, বুধবারের কমিশন বৈঠকে সিটিসেলের আবেদন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা টু-জি লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধ করলে তাদের আবেদন ইতিবাচকভাবে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে টাকা দেয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। ইতিমধ্যে সিটিসেলসহ চার মোবাইল ফোন অপারেটরের টু-জি লাইসেন্স নবায়ন হয়েছে।

অনুমতি পেলে রিম সংযুক্ত বিশেষ ধরনের হ্যান্ডসেট ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা আর থাকবে না এবং যে কোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করা যাবে সিটিসেলের সিম।


তিন মাস পর থেকে কেনার সঙ্গে সঙ্গেই চালু হবে না মোবাইল ফোনের নতুন সিম কার্ড। বুধবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোন অপারেটররা তিন মাস পর থেকে প্রি একটিভ সীম (আগে থেকেই চালু) বিক্রি করতে পারবে না। এখন যে সিম বিক্রি হয় তা আগে থেকেই চালু করা থাকে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন গ্রাহক সিম কেনার সময় যে তথ্য দেবেন তা যাচাই-বাছাইয়ের পরই চালু করা হবে।

বৈঠক শেষে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ জানান, অপারেটরদের তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সিস্টেম উন্নয়ন করার জন্য বলা হয়েছে, এ সময়ের পর গ্রাহকের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে অপারেটরা বিক্রি হওয়া সিম চালু (একটিভ) করলে অপারেটরদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় বিটিআরসি কার্যালয়ে গ্রাহক নিবন্ধন নির্দেশনাবলী সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

২০১০ সালের গ্রাহক নিবন্ধন নির্দেশনা অনুযায়ী সিম বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সনাক্তকারীর মোবাইল ফোন নম্বর যাচাই, ক্রেতার নিবন্ধন ফরমে প্রদত্ত তথ্য তার জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে যাচাই এবং যথাযথ নিবন্ধন ফরম পূরণ করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হওয়া পর্যন্ত সিম বিক্রয় থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।

বেশীরভাগ অপারেটর সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করছে না উল্লেখ করে জিয়া আহমেদ বলেন, সঠিকভাবে নিবন্ধন না করে গ্রাহকের পরিচয় যাচাই না করেই অপারেটররা রিটেইলার বা ডিষ্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে সিম বিক্রির পর তা চালু করছে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অনিবন্ধিত সিম বিক্রির দায় অপারেটরা সিম বিক্রির রিটেইলাদের উপর চাপিয়ে দেয়। কিন্তু ১১ অক্টোবরের পর গ্রাহকের সঠিক পরিচয় যাচাই না করে সিম চালু (একটিভ) করলে তার দায়-দায়িত্ব অপারেটরদের নিতে হবে। এখন আর দায় এড়াতে পারবে না। টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী অপারেটররা কোন আইন ভঙ্গ করলে তাদের ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে বলে জানান জিয়া আহমেদ। তিনি বলেন, সিম বিক্রির পর গ্রাহকদের যাচাই করার জন্য তাদের ছবি উঠিয়ে রাখা বা ছবি স্ক্যান করে রাখার জন্য অপারেটরদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।


সুপ্রিয় সদস্য, আপনাকে স্বাগতম। গত লেসনে আমরা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন নিয়ে আলোচনা শুরু করেছি। এটি একটি ব্যাপক বিষয়। অত্যন্ত ধৈর্য্যের সহিত এই বিষয়টি শিখতে হবে। এই বিষয়ে জ্ঞান যত গভীর হবে, স্বচ্ছ হবে, আপনি ততটা দক্ষতার সাথে অপ্টিমাইজেশন করতে পারবেন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আউটসোর্সিং একটি অত্যন্ত উপযুক্ত উপার্জনের মাধ্যম, এবং SEO তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয়। কারণ, কম্পিউটার বিষয়ে বেসিক ধারণা থাকলেই এই কাজে সফল হওয়া সম্ভব, অতিরিক্ত কোনো টেকনিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন পড়ে না। এবং আউটসোর্সিং এর বাজারে এই কাজের অত্যন্ত চাহিদা রয়েছে।  তবে একটি কথা আমি বারবারই বলে আসছি, তাড়াহুড়ো করে, কোনো বিষয় সঠিকভাবে না জেনেই উপার্জনের দিকে হুমড়ি খেয়ে পড়া উচিত নয়। মনে রাখবেন, শর্ট কাট পদ্ধতিতে উপার্জন করার পন্থা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আউটসোর্সিং আমাদের দেশের বেকারত্বের নিরসনে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছে, এটা যেমন সত্যি; তেমনি আউটসোর্সিং এর যথাযথ জ্ঞান ও হাতে কলমে অভিজ্ঞদের মাধ্যমে ট্রেনিং না থাকলে আপনার সময় ও শ্রম দুটোই বৃথা যেতে পারে। এই লেসনগুলোর মাধ্যমে আমরা আউটসোর্সিং এর সকল সম্ভাব্য বিষয়গুলো নিয়ে একে একে আলোচনা করবো।

 

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে পরিচিত। google, yahoo,ask ইত্যাদি।তার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।আমরা যখন কোন কিছুএ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইন্জিনে তা সার্চ করে থাকি।যেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন “Bangladeshi newspaper links”।এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির।

সার্চ ইন্জিনে সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করে।সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকা।আর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করে।আর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইন্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা।

কি কারণে এই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা !

আপনাদর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবো। এর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো।একটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেই।আর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে

১। এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া
২। আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
৩। সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
৪। বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
৫। তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের উপকারীতা:

এসইও এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারীতা কথা বলে শেষ করা যাবে না।আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়াতে এর মত পদ্ধতির জুড়ি মেলা ভার।আজকের যুগ প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার যুগ।কেউ আপনার সাইটকে মনে রাখার মত সময় নেই।তারা সহজে তাদের প্রয়োজনমাফিক তথ্য অতি দ্রুত পেতে চায়।যার জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে।আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন করা হলে আপনি আপনার সাইটকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।

আপনার সাইটের ব্যবসায়িক ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন তো মাস্ট।অলাইন মার্কেটিং করা,নতুন পণ্য সকলের সামনে তুলে ধরা,নতুন নতুন সফটওয়্যার এর প্রচার প্রচারণা সহ সকল কাজ সহজ করে দিয়েছে এসইও।

তাই অনলাইনে আ্যড এর আয় বা অলাইন মার্কেটিং যাই বলুন না কেন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন গতি নেই। যেমন গুগল এ্যাডসেন্স এর কথাই বলি।গুগল এ্যাডসেন্স এ সফলতা পাওয়ার জন্য এসইও অনেক অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।অধিক ভিজিটর পাওয়া,ক্লিক পাওয়া,আয় করা সবই সম্ভব হবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে।তো এবার আপনিই বলুন অনলাইন আয় কিংবা ভিজিটে বাড়ানোর জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন উপায় আছে?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে কি কি লাগবে:

আপনি যদি এসইও করা শিখতে চান তা হলে প্রথমে আপনাকে বেশ কিছু মৌলিক বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।নিচে এসকল মৌলিক বিষয় গুলো দেওয়া হল:

১। ওয়েব সাইট সম্পর্কে ধারণা
২। কী-ওয়ার্ড বাছাই করণ
৩। ব্যাক লিংক সম্পর্কে ধারণা
৪। পেজ রেংক সম্পর্কে ধারণা
৫। ওয়েব সাইট সাবমিট করা
৬। সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ভালো মানের ধারণা
৭। মেটা ট্যাগ এর ব্যবহার জানা।
৮। অন পেজ আপটিমাইজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানা ইত্যাদি।

উপরের এসকল বিষয় গুলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। তাই এসইও করার জন্য এ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরী। এই সব বিষয়ে আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করবো ।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর উপাদানঃ

  1. ডোমেইন এর নাম
  2. হোস্টিং সার্ভার
  3. ওয়েব সাইট

ওয়েব সাইটের বিষয়বস্তু

  • কি-ওয়ার্ড
  •  ট্যাগ
  • অন্যান্য  (এই গুলো অন-পেজ অপ্টিমাইজেশন এর জন্য)
  • লিংক …ইত্যাদি।(এই গুলো অফ-পেজ অপ্টিমাইজেশন এর জন্য)

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যবল কম্পানীর সিমিউই-৪ এর কক্সবাজার সংযোগে ১৬৪ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আছে এবং যার ৭ ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ২২ জিবিপিএস আমরা সারাদেশ ব্যবহার করছি। তথ্যটি বিএসসিসিএল ডটকম ডটবিডি সাইটে ভেরিফাই করতে পারেন। ওখানে সরকারের তিন বছরের এ্যাচিভম্যান্ট বাটনে প্রেস রিলিজে আছে। ইউটিউবে Bangladesh Upgraded 164 Gbps BW সার্চ দিয়ে দেখুন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলছে গত অক্টবরে বাংলাদেশ ১৬৪.৪ জিবিপিএস এ আপগ্রেড করেছে (যা ডিসেম্বর ২০০৯ এ হওয়ার কথা ছিল)

দেশটি সব সময়ই জনগণের টাকায় কেনা ব্যান্ডউইথের বিপুল পরিমান সব সময় অব্যবহৃত রেখে দেশের অপরিমেয় ক্ষতি করছে। ব্যান্ডউইথ সংরক্ষন করার বস্তু না, গ্রামীনের পি২ প্যাকেজ নিয়ে আপনি ব্যবহার না করলেও যেমন মাস শেষে থাকবে না, তেমনি ১৬৪ জিবিপিএস এর ২২ জিবিপিএস ব্যবহার করলেও বাকিটুকু আমরা সঞ্চয় করতে পারি না। এখন এই মুহুর্তে সিঙ্গাপুরে ফল্টের পরও যদি বাকি ৬ গুন ব্যান্ডউইথ নেটে ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে আপনার বর্তমান গতি ৬ গুন বেড়ে যাবে, সিম্পল হিসাব। বিশ্বে কোথাও ব্যান্ডউইথ অব্যবহৃত রাখার ইডিয়ট নীতি কখনও করা হয় না, কোন প্রয়োজনই নেই।

অথচ দেখুন বাংলাদেশের একটি মাত্র সাবমেরিন ক্যাবল যার জন্ম থেকেই বেশির ভাগ ব্যান্ডউইথ আমরা অব্যবহৃত রাখছি। সরকার বলছে দেশে সাড়ে ৪ কোটি নেট ইউজার (অর্থাৎ দেশে প্রতি ৩ জনের একজন ইন্টারনেট তথা ফেইসবুক ব্যবহার করে) আবার তারা ব্যবহার করছে মাত্র ২২ জিবিপিএস, অব্যবহৃত ১৪২ জিবিপিএস। ভারতে ১০ টি সাবমেরিন ক্যবল আছে। দক্ষিন কোরিয়ায় ৫ কোটি ইউজার দেশটির ১১টি সাবমেরিন ক্যাবলের ২৫০০০ (পচিশ হাজার) জিবিপিএস ব্যন্ডউথ ব্যবহার করছে।

সরকার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর তথ্য সহ তথ্যপ্রযুক্তির সকল ক্ষেত্রে আপনাদের মিথ্যা বলছে, ও প্রতারনা করে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড স্ট্যাট নামক সাইটে দেখা যায় গত মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের ফেইসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৫ লাখ। আরও কয়েকটি সাইটে একই রকম ডাটা অর্থাৎ বাংলাদেশে ফেইসবুক ব্যবহারকারী মাত্র ১.৬% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ ২%, এটা হিসেব করে দেখানো যাবে। সরকারের মনে রাখা উচিত ইন্টারনেট মিথ্যা বলার জায়গা না।

যদি মনে করে থাকেন সরকার বাকি ব্যন্ডউইথ আসলেই অব্যবহৃত রাখছে তাহলেও বোকার স্বর্গে বাস করছেন। বিএসসিসিএল, বিটিসিল অবশিষ্ট ১৪২ জিগাবিট ব্যান্ডউইথ অবৈধ্য ভিওআইপি কলে গোপনে ডাইভার্ট করে প্রতিদিন প্রায় ৬ কোটি মিনিট আন্তর্জাতিক কল করছে যার প্রতিনিটে ৩ সেন্ট দুর্নীতি হচ্ছে প্রতিদিন।

সবাই ইন্টারনেট বিষয়ে একটু সচেতন হউন তা না হলে দেশের অপরিমেয় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে….


 

জার্মানির প্রযুক্তি কোম্পানি গিয়েচেক অ্যান্ড ডেভ্রিয়েন্ট এই ন্যানো সিম কার্ডের ঘোষণা দিয়েছে। এই সিমটির আকার হবে মাইক্রো-সিমের দুই তৃতীয়াংশ। কোম্পানিটি জানিয়েছে ন্যানো-সিম সম্বলিত মোবাইল ডিভাইসগুলো আরো পাতলা হবে। তাদের মতে এই সিমের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আরো ভালো ওয়্যারলেস পারফরমেন্স পাবেন মোবাইল ডিভাইসগুলো থেকে।

আগামী বছরের মধ্যেই ন্যানো-সিম সম্বলিত মোবাইল ডিভাইস বাজারে পাওয়া যাবে।

প্রযুক্তির দিক থেকে গত বিশ বছরের মাঝে এই প্রথম সিম সার্কিটের ডিজাইনে এত বিশাল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। যদিও মাইক্রো-সিম বাজারে এসেছে অনেকদিন হলো, কিন্তু আকার ছাড়া মাইক্রো-সিম এবং সাধারণ সিমের মাঝে কোন পার্থক্য। এই দুই সিম একই থিকনেস এবং সার্কিট ব্যবহার করে। আর তাই সাধারণ একটা সিমকে কেটে মাইক্রো-সিমে রূপান্তর করা সম্ভব। কিন্তু ন্যানো-সিমের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একদম ভিন্ন। এর ডিজাইন ও সার্কিট একদম ভিন্ন হবে ফলে এর জন্য প্রয়োজন হবে নতুন ডিভাইসের।

জিঅ্যান্ডডি’র তথ্যানুযায়ী ন্যানো-সিম ১২x৯ মিঃ-মিঃ (হাফ ইঞ্চির কম), মাইক্রো-সিম অপেক্ষা ৩০% ছোট হবে। এছাড়াও নতুন এই সিম কার্ডটির থিকনেস ১৫% কমানো হয়েছে। সাধারণ একটা সিম কার্ডের তুলনায় এই সিমটি হবে ৬০% ছোট। এর ফলে যে জায়গা খালি হবে সেখানে ডিভাইস নির্মাতারা অন্যান্য কম্পোনেন্ট, আরো বেশি মেমরি অথবা আরো বড় ব্যাটারি স্থাপনের জন্য ব্যবহার করতে পারবে।

জিঅ্যান্ডডি ইতোমধ্যেই তাদের এই ন্যানো-সিমটিকে বিভিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করছেন এবং এ বছরের মধ্যেই তারা এর জন্য ইউরোপিয়ান টেলিকমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ড ইন্সটিটিউট থেকে এটি বাজারজাত করার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেয়ে যাবেন বলে আশা করছেন।

এই নতুন ন্যানো-সিমটিকে একটা অ্যাডাপ্টারের মাধ্যমে পুরনো সেট সমূহে ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন। এই সিমটি আগামী ১৫ ই নভেম্বর ইউরোপে অনুষ্ঠিত ট্রেড-শোতে দেখানো হবে বলে উল্লেখ করেছে জিঅ্যান্ডডি।

Mobile simcard Giesecke & Devrient