Archive for the ‘পিসি টিপস & ট্রিক্স’ Category


atm-booth.thumbnailবাংলাদেশে ব্যাংকের পাশাপাশি এখন এটিএম বুথের চাহিদাও আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে এবং পর্যায়ক্রমে দিনে দিনে তা আরো বাড়তে থাকবে। যে বুথ থেকে প্রয়োজন মতে যখন ইচ্ছা তখন টাকা তুলা যায়। এটিএম বুথের গ্রাহক সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও বুথের সিকিউরিটি গার্ড ছাড়া নিরাপত্তা দেওয়ার মত সেখানে আর কেউ থাকে না। তাই যেকোন মুহুর্তে বিপদগ্রস্থ হতেই পারি। তাছাড়া বাংলাদেশে অপরাধী চক্রের তো কোন অভাব নেই। তাই সঠিক করে বলা যায় না যে, কোন সময় চক্রের আবার এটিএম বুথের দিকে নজর যায়। তাই সব সাবধানতা অবলম্বন করে সাবধান থাকায় ভালো। এটিএম বুথে টাকা তুলতে গিয়ে যদি কোনদিন সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হন তাহলে আপনি কি করবেন? তখন আপনাকে যেটা করতে হবে- কোন অবস্থাতেই সন্ত্রাসীদের সাথে কথা কাটাকাটি করতে যাবেন না। কথা কাটাকাটি করতে গেলে আপনার নিজের বিপদ বাড়বে। কারণ অর্থের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। তাই যদি সন্ত্রাসীরা আপনার কাছ থেকে কার্ডের পিন নাম্বার/কোড চাই তাহলে দিয়ে দিন তবে একটু কৌশল অবলম্বন করে দিন! নাম্বারটি যদি ১২৩৪ হয় তবে আপনি বলবেন উল্টো দিক থেকে যেমন- ৪৩২১। এতে যেটা হবে সেটা হচ্ছে টাকা ঠিকই বের হবে কিন্তু মেশিনের ভিতর আটকে থাকবে এবং কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল চলে যাবে যে আপনি বিপদ গ্রস্থ হয়েছেন। এতে করে আপনিও বাঁচলেন আপনার টাকাও। এই ব্যবস্থা বাংলাদেশের সব এটিএম বুথে চালু আছে। শুধু আমরা একটু সচেতন হলেই হলো।

Advertisements

601712_367828133323807_1314266991_n(1)আগামী ছয় মাসের বাংলাদেশে Mobile Number Portability (MNP) চালু করার জন্যে কাজ শুরু করেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি। আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত কমিশন বৈঠক থেকেই এ বিষয়ে অপারেটরদের নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি’র সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো।MNP= বিদ্যমান নম্বর ঠিক রেখেই ইচ্ছে মতো অপারেটর বদলের সুযোগ.

তবে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের সিইও বিবেক সুদ বলেছেন, তারা এমএনপি’র বিপক্ষে। কারণ এর ফলে নতুন অপারেটরদের সম্ভাবনা বাড়লেও তারা খানিকটা হলেও ঝুঁকিতে পড়বেন।

অন্যদিকে এয়ারটেলের কর্পোরেট বিভাগের প্রধান আশরাফুল হক চৌধুরী বলেছেন, এর আগে দফায় দফায় তারা এমএনপি’র বিষয়ে দাবি জানালেও শেষ পর্যন্ত এটি আধারেই থেকে গেছে। এখন অনেক বিলম্ব হয়ে গেলেও এটি বাস্তাবায়িত হলে তাতে গোটা দেশেরই লাভ হবে।

ভারতে এই পরিবর্তনের জন্যে ১৯ রুপী করে খরচ করতে হয়। থাইল্যান্ডে খরচ করতে হয় ৯৯ বাথ করে। তবে মালয়েশিয়াতে এটি ফ্রি। ভারতে তৃতীয় অপর একটি কোম্পানি এমএনপি’র কাজ করে দিলেও বাংলাদেশের অপারেটরগুলো এর বিপক্ষে বলেছে। ফলে নিজেদেরকেই এখন প্রযুক্তি স্থাপন করতে হবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ব্রাজিলসহ অনেক দেশেই এখন এমএনপি আছে। পাশের ভারত ২০০১ সালে এই প্রযুক্তি গ্রহন করেছে। পরে পাকিস্তান এবং শ্রীলংকাও এমএনপি’র বাস্তাবায়ন করেছে। (প্রিয় টেক)

[ আমাদের কথাঃ MNP সার্ভিসটি চালু হলে সবচেয়ে বেশী উপকৃত হবে গ্রাহক, কারণ তারা যে অপারেটরে কম মূল্যে বেশী সেবা পাবে সেই অপারেটর এর নেটওয়ার্কে চলে যাবে । ফলে গ্রাহক হারানোর ভয়ে সকল অপারেটরই গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করবে । এক্ষেত্রে একচেটিয়া বাজার ব্যবহার পরিবর্তন হবে ]


সুপ্রিয় সদস্য, আপনাকে স্বাগতম। গত লেসনে আমরা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন নিয়ে আলোচনা শুরু করেছি। এটি একটি ব্যাপক বিষয়। অত্যন্ত ধৈর্য্যের সহিত এই বিষয়টি শিখতে হবে। এই বিষয়ে জ্ঞান যত গভীর হবে, স্বচ্ছ হবে, আপনি ততটা দক্ষতার সাথে অপ্টিমাইজেশন করতে পারবেন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আউটসোর্সিং একটি অত্যন্ত উপযুক্ত উপার্জনের মাধ্যম, এবং SEO তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয়। কারণ, কম্পিউটার বিষয়ে বেসিক ধারণা থাকলেই এই কাজে সফল হওয়া সম্ভব, অতিরিক্ত কোনো টেকনিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন পড়ে না। এবং আউটসোর্সিং এর বাজারে এই কাজের অত্যন্ত চাহিদা রয়েছে।  তবে একটি কথা আমি বারবারই বলে আসছি, তাড়াহুড়ো করে, কোনো বিষয় সঠিকভাবে না জেনেই উপার্জনের দিকে হুমড়ি খেয়ে পড়া উচিত নয়। মনে রাখবেন, শর্ট কাট পদ্ধতিতে উপার্জন করার পন্থা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আউটসোর্সিং আমাদের দেশের বেকারত্বের নিরসনে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছে, এটা যেমন সত্যি; তেমনি আউটসোর্সিং এর যথাযথ জ্ঞান ও হাতে কলমে অভিজ্ঞদের মাধ্যমে ট্রেনিং না থাকলে আপনার সময় ও শ্রম দুটোই বৃথা যেতে পারে। এই লেসনগুলোর মাধ্যমে আমরা আউটসোর্সিং এর সকল সম্ভাব্য বিষয়গুলো নিয়ে একে একে আলোচনা করবো।

 

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে পরিচিত। google, yahoo,ask ইত্যাদি।তার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।আমরা যখন কোন কিছুএ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইন্জিনে তা সার্চ করে থাকি।যেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন “Bangladeshi newspaper links”।এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির।

সার্চ ইন্জিনে সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করে।সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকা।আর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করে।আর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইন্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা।

কি কারণে এই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা !

আপনাদর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবো। এর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো।একটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেই।আর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে

১। এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া
২। আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
৩। সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
৪। বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
৫। তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের উপকারীতা:

এসইও এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারীতা কথা বলে শেষ করা যাবে না।আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়াতে এর মত পদ্ধতির জুড়ি মেলা ভার।আজকের যুগ প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার যুগ।কেউ আপনার সাইটকে মনে রাখার মত সময় নেই।তারা সহজে তাদের প্রয়োজনমাফিক তথ্য অতি দ্রুত পেতে চায়।যার জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে।আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন করা হলে আপনি আপনার সাইটকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।

আপনার সাইটের ব্যবসায়িক ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন তো মাস্ট।অলাইন মার্কেটিং করা,নতুন পণ্য সকলের সামনে তুলে ধরা,নতুন নতুন সফটওয়্যার এর প্রচার প্রচারণা সহ সকল কাজ সহজ করে দিয়েছে এসইও।

তাই অনলাইনে আ্যড এর আয় বা অলাইন মার্কেটিং যাই বলুন না কেন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন গতি নেই। যেমন গুগল এ্যাডসেন্স এর কথাই বলি।গুগল এ্যাডসেন্স এ সফলতা পাওয়ার জন্য এসইও অনেক অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।অধিক ভিজিটর পাওয়া,ক্লিক পাওয়া,আয় করা সবই সম্ভব হবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে।তো এবার আপনিই বলুন অনলাইন আয় কিংবা ভিজিটে বাড়ানোর জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন উপায় আছে?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে কি কি লাগবে:

আপনি যদি এসইও করা শিখতে চান তা হলে প্রথমে আপনাকে বেশ কিছু মৌলিক বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।নিচে এসকল মৌলিক বিষয় গুলো দেওয়া হল:

১। ওয়েব সাইট সম্পর্কে ধারণা
২। কী-ওয়ার্ড বাছাই করণ
৩। ব্যাক লিংক সম্পর্কে ধারণা
৪। পেজ রেংক সম্পর্কে ধারণা
৫। ওয়েব সাইট সাবমিট করা
৬। সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ভালো মানের ধারণা
৭। মেটা ট্যাগ এর ব্যবহার জানা।
৮। অন পেজ আপটিমাইজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানা ইত্যাদি।

উপরের এসকল বিষয় গুলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। তাই এসইও করার জন্য এ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরী। এই সব বিষয়ে আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করবো ।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর উপাদানঃ

  1. ডোমেইন এর নাম
  2. হোস্টিং সার্ভার
  3. ওয়েব সাইট

ওয়েব সাইটের বিষয়বস্তু

  • কি-ওয়ার্ড
  •  ট্যাগ
  • অন্যান্য  (এই গুলো অন-পেজ অপ্টিমাইজেশন এর জন্য)
  • লিংক …ইত্যাদি।(এই গুলো অফ-পেজ অপ্টিমাইজেশন এর জন্য)

আজকাল কম্পিউটার মানেই LCD বা LED মনিটর। বিশাল দেহ বিশিষ্ট CRT মনিটর কেউ কিনে না বললেই চলে। তো আপনি যে LCD মনিটর কিনছেন তা কি ঠিক আছে? ডেড পিক্সেল আছে কিনা নিশ্চিত হচ্ছেন কি করে?

বা কারও কাছ থেকে পুরাতন LCD মনিটর কিনার সময় মনিটর ঠিক আছে কিনা তা চেক করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কিভাবে চেক করবেন? সেটা জানানোর জন্যই আমার এই পোস্ট।

IsMyLcdOK নামের অসাধারণ সফটওয়্যারের মাধ্যমে খুব সহজেই চেক করে নিতে পারবেন আপনার মনিটর ঠিক আছে কিনা। ছোট এই ফ্রি সফটওয়্যারের মাধ্যমে চেক করতে পারবেন ডেড পিক্সেল,স্টাক পিক্সেল বা ক্ষতিগ্রস্ত পিক্সেল আছে কিনা।

কেমন হতে পারে ডেড পিক্সেল?

যেভাবে চেক করবেন:

প্রথমে সফটওয়্যার রান করুন। নিচের মতো দেখতে পাবেন।

তারপর সিরিয়ালে 1,2,3 চেপে White test, Black test, Red test ইত্যাদি পরীক্ষা করতে পারবেন। যদি চান অটোমেটিক সব টেস্ট হোক তাহলে F5 চেপে ENTER চাপুন। তাহলে একে একে সব টেস্ট দেখতে পারবেন।

ডেড পিক্সেল না থাকলেতো ভালই।

এই সফটওয়্যার শুধু চেক করবে কিন্তু ঠিক করতে পারবে না। এখন কথা হলো ডেড পিক্সেল ঠিক করার উপায় কি? হ্যাঁ উপায় আছে। তবে সেটা নিয়ে না হয় অন্য আরেক দিন বলবো।
ডাউনলোডঃ

IsMyLcdOK 1.31 (32 বিট)

IsMyLcdOK 1.31 (64 বিট)

সাইজ মাত্র ৯ কেবি। ইন্সটলের কোন প্রয়োজন নেই।

আশা করি আপনাদের কাজে লেগেছে।
ধন্যবাদ সবাইকে।


চোখের সমস্যার অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম একটি প্রধান কারণ হলো কম্পিউটারের মনিটর। মনিটর থেকে ক্ষতি কারক গামা রশ্মি বের হয় যা কিনা চোখের জন্য ক্ষতিকারক। এছাড়াও মনিটরের স্ক্রিন দিনের বেলা যতটুকু উজ্জ্বল থাকে ঠিক ততোটুকু রাতের বেলাও থাকে অথচ রাতে ঐ আলো চোখে লাগে। আর এত সব ভেজাল থেকে মুক্তি দিবে F.lux নামের একটি ছোট সফটওয়্যার। এর সাইজ মাত্র 546KB।

এই সফটওয়্যারের সব চেয়ে মজার বিষয় হলো, মনিটরের স্ক্রিনের আলো অটোমেটিক পরিবর্তন হবে। যা কিনা ২৪ ঘণ্টা সময় অনুযায়ী পরিবর্তন হবে। অর্থাৎ দিনের বেলা কম্পিউটারের স্ক্রিন থাকবে বেশি উজ্জ্বল আবার রাতের বেলা মনিটরের আলো থাকবে আপনার চোখের জন্য মানানসই। আর এসব পরিবর্তনের জন্য আপনাকে কিছুই করতে হবে না। এটা নিজে নিজেই সময় অনুযায়ী পরিবর্তন হবে।
ডাউনলোড লিঙ্ক:

F.lux        /    http://adf.ly/8xTCT       এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন    [  প্রবেশ করার পর স্কিপ এড” এ ক্লিক করেন ]

সম্পূর্ণ ফ্রী সফটওয়্যার।
আশা করি সবার ভাল লাগবে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

[ ভাল লাগলে পোস্ট এ  অবশ্যই Comment  অথবা Like দিবেন  , লাইক দিলে আমাদের কোনো লাভ অথবা আমরা কোনো টাকা পয়সা পাই না, কিন্তু উৎসাহ পাই, তাই অবশ্যই লাইক দিবেন । ]


আজকে দেখাবো কিভাবে আপনি একদম ২ টা শব্দের একটি কোডিং দিয়ে আপনার উইন্ডোজ ৭ কে কোন প্রকার কিজেন, সিরিয়াল কি, ক্র্যাক করা ছারাই জেনুইন করতে পারবেন। একদম আনাড়ি টাইপ এর হলেও আপনি পারবেন এটি করতে।

১) প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে লিখুন cmd তারপরে cmd দেখা গেলে রাইট ক্লিক করে run as administrator এ ক্লিক করে ওপেন করুন। ছবিতে দেখুন।

২) CMD ওপেন হলে এখন আপনার কাজ হয়েছে একটি কমান্ড লিখা. ছবির মত কমান্ড টি লিখে এন্টার চাপুন .তারপরে পিসি রিস্টার্ট মারেন .  তাহলে আপনার windows ৭ পিসি ৩০ দিনের জন্য জেনুইন বা একটিভ হয়ে যাবে . একই ভাবে আপনি পর পর ৪ বার এই কমান্ড বেবহার করে মোট ১২০ দিনের জন্য একটিভ করে নিতে পারবেন আপনার পিসিকে এবং কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই পিসি চালান শান্তিতে .


আজ কম্পিউটার প্রয়োজনীয় কিছু মৌলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে, যা যেকোনো কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক।

কম্পিউটারের তথ্য পরিমাপের একক

বাইনারী পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক শুন্য (০) এবং এক (১) কে Bit বলে। ইংরেজী Binary শব্দের Bi ও Digit শব্দের t নিয়ে Bit শব্দটি তৈরী হয়েছে। কম্পিউটার স্মৃতিতে রক্ষিত ০ ও ১ এর কোড দিয়ে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এ কারণে কম্পিউটারের স্মৃতির ধারণ ক্ষমতার ক্ষুদ্র একক হিসাবে Bit শব্দটি ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটার এই ০ ও ১ দ্বারা যে বিশেষ পদ্ধতিতে কাজ করে তাকে কম্পিউটারের যান্ত্রিক ভাষা বলা হয়।

Bit, Byte, KB, MB, GB এবং এর মধ্যে সম্পর্ক

বিট হচ্ছে কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতির ক্ষুদ্রতম একক। বাইট দিয়ে সাধারনত স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয়। এদের মধ্যে সম্পর্ক নিচে তুলে ধরা হলঃ

8 Bit                             =          1 Byte

1024 Bytes                  =          1 Kilobyte (KB)

1024 Kilobytes            =          1 Megabyte (MB)

1024 Megabytes         =          1 Gigabyte (GB)

1024 Gigabytes           =          1 Terabyte (TB)

র‍্যাম ও রম

 

RAM (Random Access Memory) একটি অস্থায়ী স্মৃতি ভান্ডার। Input Device হতে সকল তথ্য RAM এ জমা হয়। প্রধান স্মৃতির এ অংশে যখন তখন নতুন তথ্য লেখা যায়, তথ্য পড়া যায় এবং ইচ্ছা করলে তথ্য মুছে ফেলা যায়। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলে অর্থাৎ কম্পিউটার বন্ধ থাকলে, র‍্যামের পূর্বের তথ্য মুছে যায়। র‍্যামের মাধ্যমে তথ্য পড়া ও লেখা উভয় কাজই সম্পাদন করা যায় বলে একে লিখন পঠন স্মৃতিও বলা হয়ে থাকে।

ROM (Read Only Memory) একটি স্থায়ী স্মৃতি ভান্ডার। প্রধান স্মৃতির এই অংশটি স্থায়ী, অপরিবর্তনীয় ও অধংসাত্বক স্মৃতি। Computer এ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিলেও এই স্মৃতিতে রক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। এই অংশে লিখিত তথ্য শুধুমাত্র পড়া যায়, কিন্তু লেখা যায় না। তাই একে স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে অভিহিত করা হয়।


আজ আমরা কম্পিউটারের কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করব। এই টিপসগুলো জানা থাকলে কম্পিউটার ব্যবহার অত্যন্ত সহজ ও কার্যকরী হয়, সময়ের অপচয় কমে। এই টিপসগুলো মনে রাখলে ভবিষ্যতে অনেক সমস্যারও সহজে সমাধান করা যায়।

কম্পিউটারের ফাংশন কীঃ

কীবোর্ডের উপরের দিকে ১২টি ফাংশান কী থাকে F1, F2,……………………….F12। এই কী গুলির প্রত্যেকটির আলাদা আলাদা কাজ রয়েছে। প্রত্যেকটির আলাদা কাজ নিচে বর্ণনা দেয়া হলঃ

F1 সহায়তাকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসে।
F2: সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (Rename) জন্য ব্যবহৃত হয়। Ctrl+Alt+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।
F3 এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
F4 ওয়ার্ডের last action performed আবার (repeat) করা যায় এই কী চেপে। Atl+F4 চেপে সক্রিয় কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয়।
F6 এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (Address Bar) নিয়ে যাওয়া হয়।
F7 ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয় এই কী চেপে। ফায়ারফক্সে Caret Browsing চালু করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো সিলেক্ট করা শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের Parts of Speech ইত্যাদি জানা যায়।
F8 অপারেটিং সিস্টের চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী। সাধারনত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়।
F9  ‘কোয়ার্ক এক্সপ্রেস’ নামক সফটয়্যারের মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায়।
F10 ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এই কী চেপে। Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিঙ্ক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11 ওয়েব ব্রাউজার Full Screen অর্থাৎ পর্দাজুড়ে দেখা যায়।
F12 ওয়ার্ডের Save As উইন্ডো খোলা হয় এই কী চেপে। Shift+F12 চেপে ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা যায়। Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

ব্লুটুথ (ইংরেজি ভাষায়: Bluetooth) ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল। এটি ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। ব্লুটুথ-এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ব্লুটুথ ২.৪৫ গিগাহার্টজ-এ কাজ করে। ৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে। ব্লুটুথ ১.০-এর তথ্য আদান-প্রদান-এর সর্বোচ্চ গতি ছিল সেকেন্ডে ১ মেগাবিট। বর্তমানে ব্লুটুথ ২.০-এর সর্বোচ্চ গতি হল সেকেন্ডে ৩ মেগাবিট।

ব্লুটুথ প্রোটোকল বাস্তবায়নকারী যন্ত্রাংশ বা ডিভাইসগুলি দ্বিমুখী সংযোগ স্থাপন করে কাজ করে। বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। এই প্রযুক্তিতে খুব কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। এটি ক্ষুদ্র পাল্লার বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।

কিভাবে কাজ করে

ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে কম ক্ষমতা বিশিষ্ট বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয়। এই যোগাযোগ ব্যাবস্থায় ২.৪৫ গিগাহার্ট্‌জ (প্রকৃতপক্ষে ২.৪০২ থেকে ২.৪৮০ গিগাহার্ট্‌জ-এর মধ্যে)-এর কম্পাংক ব্যাবহৃত হয়। শিল্প, বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত যন্ত্রের জন্য উপরিউক্ত কম্পাংকের সীমাটি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল যে ব্লুটুথ অন্যান্য তরঙ্গ নির্ভর যন্ত্রের কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করে কিনা? উত্তর হল “না”। কারণ ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা থাকে মাত্র ১ মিলিওয়াট, যেখানে সেল ফোন ৩ ওয়াট পর্যন্ত সিগন্যাল প্রেরণ করে। অর্থাৎ ব্লুটুথের নিম্ন ক্ষমতার সিগন্যাল উচ্চ ক্ষমতার সিগন্যালে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে না।

ব্লুটুথ একসাথে ৮টি যন্ত্রের মধ্যে যোগাযোগ সাধন করতে পারে।তবে প্রত্যেকটি যন্ত্রকে ১০ মিটার ব্যাসার্ধের একই বৃত্তের মধ্যে অবস্থিত হতে হয়, কারণ ব্লুটুথ প্রযুক্তি চারিদিকে সর্বোচ্চ ১০ মিটার পর্যন্ত ক্রিয়াশীল থাকে।এখন প্রশ্ন যে, A যন্ত্রের সাথে B যন্ত্রের যোগাযোগের সময় কাছাকাছি অবস্থিত অপর দুটি যন্ত্র C ও D-এর মধ্যের ব্লুটুথ যোগাযোগ ব্যাবস্থা বাধাগ্রস্থ হয় কিনা?(কেননা দুই যন্ত্রযুগলই একই কম্পাঙ্কের ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যাবহার করছে)উত্তর হল “না”। কারণ এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লুটুথ একটি পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা কিনা “spread-spectrum frequency hopping” নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে একই সময়ে একাধিক যন্ত্রযুগল একই কম্পাঙ্ক ব্যাবহার করে না।ফলে একে অপরের যোগাযোগ ব্যাবস্থাতে বাধার সৃষ্টি করে না। এ পদ্ধতিতে কোন একটা যন্ত্র নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থিত কম্পাঙ্ক হতে ৭৯ টি পৃথক পৃথক কম্পাঙ্ক এলোমেলোভাবে গ্রহণ করে ও একের পর এক পরিবর্তন করে। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে, ট্রান্সমিটার প্রতি সেকেন্ডে ১৬০০ বার কম্পাঙ্ক পরিবর্তন করে।ফলে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রযুগলের মধ্যে একই সময়ে একই কম্পাঙ্ক-এর তথ্য প্রেরণ অসম্ভব বললেই চলে।

Class সর্বোচ্চ অনুমোদিত হ্মমতা সীমা
(আনুমানিক)
মিলিওয়াট (mW) ডেসিবেল (dBm)
প্রথম শ্রেণী ১০০ mW ২০ dBm ~১০০ মিটার
দ্বিতীয় শ্রেণী ২.৫ mW ৪ dBm ~১০ মিটার
তৃতীয় শ্রেণী ১ mW ০ dBm ~১ মিটার

বেশির ভাগ হ্মেত্রে দ্বিতীয় শ্রেণীর ডিভাইসের কার্যকরী সীমা সর্বাপেক্ষা ঘটনেতে প্রসারিত করা হয় যদি তারা প্রথম শ্রেণীর transceiver তে সংযোগ করে, একটি নিখাদ দ্বিতীয় শ্রেণীর নেটওয়ার্কে তুলনা করেছে। এইটি উচ্চতর সুবেদিতার দ্বারা সম্পন্ন করা হয় এবং প্রথম শ্রেণীর ডিভাইসের প্রেরণ অধিকারী।

সংষ্করণ তথ্য হার
সংষ্করণ ১.২ ১ Mbit/s
সংষ্করণ ২.০ + EDR ৩ Mbit/s

সম্প্রতি জানা গেছে, জুলাইয়ের ৯ তারিখে বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার কম্পিউটারের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। পিসি ওয়ার্ল্ডের বরাত দিয়ে ম্যাশএবল এই খবর জানিয়েছে।সূত্র মতে, পিসি এবং ম্যাক কম্পিউটারের জন্য ২০০৭ সালে ছড়িয়ে পড়া এক ট্রোজানের কারণে জুলাইয়ের ৯ তারিখে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে হাজার হাজার মানুষ। ডিএনএস চেঞ্জার নামের এই ট্রোজান মূলত আক্রান্ত কম্পিউটারের ইন্টারনেট সেটিংস পরিবর্তন করে ফেলে। এর ফলে কোনো ওয়েবসাইটে ঢোকার সময় সঠিক ঠিকানা চাপলেও ট্রোজান যারা তৈরি করেছে তাদের ডিএনএস সার্ভার হয়ে ওয়েবসাইট আসে। এতে করে হ্যাকাররা ইচ্ছেমতো আক্রান্ত কম্পিউটারের ব্যবহারকারীকে তাদের ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দিতে পারবে।

ম্যাশএবল জানিয়েছে, গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই অনেকদিন আগেই এই ট্রোজান যারা তৈরি করেছে তাদের গ্রেফতার করেছে। একইসঙ্গে তাদের ডিএনএস সার্ভারগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু প্রচুর কম্পিউটার এই ট্রোজানে আক্রান্ত হওয়ায় এফবিআই ব্যাকআপ হিসেবে নিজেরাই কিছু সার্ভার বসিয়েছে।

ট্রোজানের সার্ভার বন্ধ করে দেয়া হলেও সূত্র জানিয়েছে, এখনও বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার ম্যাক ও উইন্ডোজ কম্পিউটারে এই ট্রোজান রয়েছে। এফবিআই-এর ব্যাকআপ সার্ভারের মাধ্যমেই ডিএনএস রাউটিং এখন পর্যন্ত ঠিকঠাকভাবে চলছে। তবে জুলাইয়ের ৯ তারিখ এফবিআই এসব সার্ভার বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে ট্রোজান আক্রান্ত কম্পিউটারগুলো সঙ্গে সঙ্গেই ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

সূত্র জানিয়েছে, মাত্র চার মাসের জন্য এফবিআই ডিএনএস সার্ভারগুলো চালু করা হলেও আদালতের নির্দেশে সেগুলো এতোদিন ধরে সক্রিয় আছে। তবে এবার জুলাইয়ের ৯ তারিখেই এগুলো বন্ধের তারিখ নিশ্চিত করা হয়েছে।

ব্যবহারকারীরা তাদের কম্পিউটার এই ট্রোজানে আক্রান্ত কি না তা পরীক্ষা করার জন্য ডিএনএস চেঞ্জার চেক-আপ নামের এই ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতে পারেন। ঠিকানা-

  –>       http://adf.ly/7vTwf      এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন    [  প্রবেশ করার পর স্কিপ এড” এ ক্লিক করেন ]

যদি ট্রোজান খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে যেসব অ্যান্টি-ভাইরাস টুল দিয়ে তা বিদায় করতে হবে তার তালিকা পাওয়া যাবে এই লিংকে http://www.dcwg.org/fix/

 

এফবিআই জানিয়েছে আক্রান্ত পিসি ব্যবহারকারীরা যদি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করে তাহলে আগামী ৯ জুলাই যখন অস্থায়ী সার্ভার বন্ধ করে দেয়া হবে তখন তারা আর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না।

[ ভাল লাগলে পোস্ট এ  অবশ্যই লাইক দিবেন , লাইক দিলে আমাদের কোনো লাভ অথবা আমরা কোনো টাকা পয়সা পাই না, কিন্তু উৎসাহ পাই, তাই অবশ্যই লাইক দিবেন । ]


আমাদের অনেকেই এখন ল্যাপটপ ব্যবহার করে অভ্যস্থ। যারা ঘরে বাইরে কাজ করেন, তাদের জন্য ল্যাপটপের বিকল্প নেই। ল্যাপটপের ব্যাটারি ঠিক রাখাটা জরুরি। বিশেষ করে বাংলাদেশে যেহারে লোডশেডিং বাড়ছে, ব্যাটারির চার্জ চলে গেলো নাকি এই ভয়ে থাকা লাগেই।

কোথাও গুরুত্বপূর্ণ মেইল করছেন বা প্রেসেন্টেশন করছেন আর ঠাস করে চার্জ শেষ – এমন হলে তো বিপদ।
কাজেই কিছু সফটওয়্যার আছে যার কাজ হলো আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারিবাবার অবস্থা কেমন, চার্জ কদ্দুর আছে, কতখানি চার্জ রাখতে পারার কথা আর কতখানি এখন রাখতে পারে, কি করলে ব্যাটারি খরচ কম হবে তা বলে দিতে পারে।
এমনই একটা সফটওয়্যার হলো  BatteryCare হাতে গোনা কয়েকটা মাত্র সফটওয়্যার আমাকে প্রথম দেখাতে মুগ্ধ করে ফেলেছে, যার একটা হলো এটা। Windows এর এই ফ্রি সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র ১.১ মেগাবাইট।
ইন্সটল করে চালু করা মাত্র এটা আপনার System Tray তে যায়গা করে নিবে। এর সুবিধাগুলোর দিকে একটু চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক-

১) কারেন্ট চলে গেলে নিজে থেকে power management plan চালু করবে যেন ব্যাটারির চার্জ বেশি সময় থাকে
২) কারেন্ট চলে এলে নিজে থেকে আবার অন্য plan এ চলে যাবে যেন performance পুরোটাই দিতে পারে।
৩) আপনাকে নোটিশ দিতে পারবে কম চার্জ  হলে
৪) খুটিনাটি তথ্য দেখানো, যেমন-

  •  ব্যাটারির মডেল
  • ব্যাটারির ধারণ ক্ষমতা কি পরিমাণ থাকার কথা এবং বর্তমানে কি অবস্থা
  • discharge এর ব্যাপারে তথ্য
  •  কিভাবে ব্যাটারির স্বাস্থ্য ঠিক রাখা যায় তার ব্যাপারে বিশদ আলোচনার লিংক
৫) কারেন্ট চলে গেলে কিছু Windows Service পিছনে বসে আকাজ করে আর ব্যাটারি খায়। সেগুলা অফ করে দেয়া সহ আরো অনেক কিছু!

এর মাঝে প্রথম দুইটা আমার সবচাইতে বেশি পছন্দের। আগে অনেকসময় কারেন্ট চলে গেলে টের পেতাম না, power management plan ও পাল্টানো হতো না যে ব্যাটারি বাঁচাবো। এটা ব্যবহার করে এখন কারেন্ট চলে যাক আর থাকুক, ব্যাটারি নিয়ে চিন্তা করা লাগে না। ওটা BatteryCare ই করবে 🙂

ডাউনলোড লিংক

http://adf.ly/7ZCzv   এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন    [  প্রবেশ করার পর স্কিপ এড” এ ক্লিক করেন ]


দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো নেটওয়ার্কিং পণ্য সান্ডি বাজারে নিয়ে এসেছে এ পণ্যের পরিবেশক নেক্সিম। এ ডিভাইসের মাধ্যমে প্রতিটি কম্পিউটারে আলাদা সিপিইউ ব্যাবহার না করে ল্যান নেটওয়ার্কিং ডিভাইস ব্যবহার করে এক সঙ্গে সর্বোচ্চ ৪০টি কম্পিউটারে কাজ করা যাবে। এতে করে প্রতিটি কম্পিউটারে আলাদা সিপিইউর প্রয়োজন হবে না।

বিশেষ এ ডিভাইসটির বাজারজাতকরণ উপলক্ষে নতুন এই প্রযুক্তি পণ্যটি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান নেক্সিম রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে গতকাল সোমবার পরিচিত মূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, চীন থেকে আমদানি করা নতুন এ নেটওয়ার্কিং ডিভাইসটি প্রতিষ্ঠানের ৭৫ ভাগ হার্ডওয়্যার খরচ, ৮৫ ভাগ রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমানোর পাশাপাশি ৯৫ ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব হবে।

সান্ডি ব্রান্ডের বিশেষ এই নেটওয়ার্কিং ডিভাইসটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নেক্সিমের প্রধান নির্বাহী অনির্বাণ দাশগুপ্ত বলেন, দেশে আইটি ব্যবহারকারীরা নতুন এই প্রযুক্তি পণ্যটি ব্যবহার করে অনেক বেশী উপকৃত হবে। এ সময় নতুন এই পণ্যটির ব্যবহারকারী হিসাবে পণ্যের বিভিন্ন দিকের কথা তুলে ধরের অন্তর গ্রুপের সিস্টেম ও নেটওয়ার্ক এডমিন মোঃ. নাসিরুদ্দিন এসময় সান্ডি ব্রান্ডের এই নেটওয়ার্কিং ডিভাইসটির কার্যকারিতা এবং ব্যবহার সম্পর্কে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে অবহিত করেন অনন্ত গ্রুপের সিস্টেম ও নেটওয়ার্ক এডমিন মোঃ: নাসিরুদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নেক্সিমের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপক কাজী মোকাম্মেল হোসেন মিশু, টেকনো এজ কর্পোরেশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক একে এম মাহমুদুল হাসান টিটু সহ অনেকে।


আপনি ইচ্ছে করলে সফটওয়্যার ছাড়াই পেনড্রইভে কপি-পেস্টের প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে পারেন।

এ জন্য প্রথমে My Computer-এ ডানে ক্লিক করে Properties অপশনে যান। এখন Hardware ট্যাব থেকে Device Manager অপশনে যান। এরপর Ports (Com & LPT) থেকে Communications port (COM1) অপশনে দুই ক্লিক দিন। এখন Port Settings থেকে Bits per second হিসেবে সর্বোচ্চ বিট 128000 নির্বাচন করুন।

এরপর Flow Control অপশন থেকে hardware নির্বাচন করে OK দিন। এরপর পিসি রিস্টার্ট দিন। এখন পেনড্রাইভে কপি-পেস্ট প্রক্রিয়া আগের চেয়ে দ্রুততর হবে।

 [ ভাল লাগলে পোস্ট এ  অবশ্যই লাইক দিবেন , লাইক দিলে আমাদের কোনো লাভ অথবা আমরা কোনো টাকা পয়সা পাই না, কিন্তু উৎসাহ পাই, তাই অবশ্যই লাইক দিবেন । ]


উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বিভিন্ন বিরক্তিকর সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি হল প্রোগ্রাম রেসপন্স না করা অর্থাৎ হ্যাং হয়ে যাওয়া। র‌্যাম এর স্বল্পতা, ভাইরাস, নিম্নমানের প্রোগ্রাম ডিজাইন ইত্যাদি বিভিন্ন কারনে এই সমস্যা হতে পারে। যখন কোন সফটওয়্যার হ্যাং হয়ে যায় তখন আমরা সাধারনত Alt+Ctrl+Del চেপে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করে সেই সফটওয়্যার বন্ধ করে থাকি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাস্ক ম্যানেজার খুলতেও যথেস্ট সময় লাগে, কারন এটি শুধু সেই হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম নয় বরং আরও অনেক কিছু নিয়ে লোড হয়। আর তাই টাস্ক ম্যানেজার ওপেন না করে এক ক্লিকে হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিলে কেমন হয় ? দেখা যাক এটি কিভাবে করা যায়।

  • প্রথমেই ডেস্কটপ এ রাইট ক্লিক করে New > Shortcut সিলেক্ট করুন।

  • এবার একটি ডায়ালগ বক্স দেখা যাবে যেখানে আপনার শর্টকাট এর লোকেশন জানতে চাইবে। সেখানে নিচের লেখাটি কপি করে পেস্ট করে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।

taskkill.exe /f /fi “status eq not responding”

শর্টকাটটির পছন্দমত একটি নাম দিন এবং ফিনিশ বাটনে ক্লিক করুন।

ব্যাস কাজ শেষ। এখন কোন প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে গেলে শুধু এই শর্টকাটে ডাবল ক্লিক করলেই সেই প্রোগ্রামটি বন্ধ হয়ে যাবে। টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করার আর কোন ঝামেলা থাকল না।

ফেসবুকে আমি


কেমন আছেন সবাই আশা করি ভালই আছেন,আমি ও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভাল আছি।

কি ভাবছেন? যে কম্পিউটার ওপেন হবার সময় যদি Windows এর সাউন্ড না এসে যদি আপনার মনের মত একটা গান হত তাহলে খুব ভাল লাগত।

এই ভাএব যদি কারো মনে হয়,তাহলে তাদের আর চিন্তা নেই তাদের জন্য নিয়ে এলাম এই টিপর্স।

প্রথমে আপনার পছন্দের গানটি সিলেক্ট করুন এবং সেটাকে wav ফরমাটে পরিনত করুন এবং গানটি একটি নিরাপত যাগায় রাখুন এর পর Start>Control Panel>Sound And Audio drive>Sound,tap>Program Events>Start Windows>Browser> এভার আপনার গান সিলেক্ট করুন তার পর >Ok>Ok>এবার কম্পিউটার restart korun

ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন please।

ফেসবুকে আমি


আমি বেশী কিছু পারী না কিন্তু যা পারী তা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই।

১। Start>All Programs> গিয়ে যে প্রোগ্রামটি কিবোডের মাধ্যমে সটকাট ব্যবহার করতে চান সেই ফাইটির যেটা রান হয় সেটার Properties এ যান,

২। আপনি কিবোডের যে Shortcut Key [ চাবিটা  ] দিয়ে ওপেন করবেন তা,  Shortcut Key : Ctrl +Alt+pএখানে দিন  ।

এবং Apply> Ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন।  আপনি যেচাবিটা দিয়েছেন , তা দিয়ে প্রোগ্রামটি  ওপেন করুন ।


অনেক সময় কম্পিউটারের গতি কমে যায়, যার ফলে My computer খুলতে দেরি হয়। এ রকম হলে Start/Run-এ গিয়ে regedit লিখে Enter চাপুন। এখন HKEY_CURRENT_USER\ Control Panel\Desktop অপশনে যান। বা পাশের MenuShowDelay অপশনে দুই ক্লিক দিন এবং ডান ক্লিক দিয়ে modify অপশনে যান। এখন Value data হিসেবে 100 লিখে ok করে বের হয়ে আসুন। এরপর থেকে My computer খুলবে দ্রুত।

ফেসবুকে আমি

 


আপনারা কি জানেন যে Google আমাদের ভাষাকে কিভাবে পচাচ্ছে ? আজকে এই নিয়ে হাস্যকর একটি পোস্ট দিলাম .আশা করি ভালো লাগবে……

আপনি এই  লিঙ্ক টি তে যান –   http://adf.ly/6Axbq   [ ক্লিক করার পর স্কিপ এড” এ ক্লিক করেন ]

এবার নিচের লেখা গুলো লেখেন Google এ

লেখেন-1.   i love my country.

2.  i like your mobile.

3.  are you sitting here?

4.  i like to drink blood .

5.  that pen is mine .

6.  do you like me ?

এমন আরো অনেক ইংলিশ এর বাংলা এই Google জানেই না ,আমি তো মাত্র কয়েক তা দিলাম .আপনি নানান ধরনের কথা লিখে চেক করুন .

ফেসবুকে আমি


জিনিস টা আমার কাছে একটু নতুন মনে হল তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম ।

এবার কাজের কথাই  আসি ।এর মাধ্যমে আপনি হেডফোন দিয়ে পিসি চালাতে পারবেন । মাউস কিবোর্ড এর কোন প্রয়োজন নাই । আর এটা খুব সহজ । এর মাধ্যমে আপনার ইংরজিতে দক্ষতা বাঢ়বে। এটাই আপনি শুধু মুখ দিয়ে হেডফোনে কথা  বলবেন আর যা করার পিসি করবে । বিশ্বাস না হলে টেরাই করে দেখেন । আর এটা করার জন্য যা করা লাগবে …….

প্রথমে Control Panel এ যান ।

এরপর  Ease of Access ।

এরপর    Speech Recognition ।

এরপর start  Speech Recognition এ কিলিক করে start করুন ।

আপনার কাজ শেষ । এখন ভাল মত জাণার জন্য নিচের গুলা অনুসরণ করুন ।

এবার ট্রেনিং এ পালা ।

এরপর set up a microphone click করুন । < next < next < এরপর এই লাইন টা পুরাপুরি পড়েন  peter dictates to his computer …….

ঠিকমত পড়া হলে আবার finish আসবে

এরপর take speech tutorial  এ ক্লিক করে আপনার কন্ঠসর কম্পিউটার কে জানিয়ে দিন এভাবে

এখানে  যা বলে তা অনুসরন করুন । অবশ্যই মাওস বা কিবোর্ড use করবেন না । হেডফোন  দিয়ে বলবেন । এটা ভাল মত শেষ করতে পারলে আপনি এবার মাওস বা কিবোর্ড কে টা টা জানাতে পারেন । এখানেই আপনি অনেক নিয়ম শিখে যাবে নন । তাই এটা মনযোগ দিয়ে পড়বেন । পারলে কয়কেবার ।

এরপর  train your computer to better understand u  কিলিক করনে ।  এখানে দুই টা টপিক পাবেন । একটা শেষ হলে আরেকটা পাবেন ।

দুই  no টপিক

এভাবে শেষ করুন ।

এবার দেখি এটা কি ভাবে কাজ  করে ।  যেমন আমি my gallary তে কিলিক করবো । তাই বললাম click my gallury , r তখন এই টা আসবে

এর ১ বললেএই টা আসবে ,

এবার ok বলুন । দখবনে inter  হয়ছে ।

এভাবে অন্য ফোল্ডার গুলো ওপনে করতে পারবেন ।

ফেসবুকে আমি


F1 : সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহূত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসে। F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়। F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়। F4 : ওয়ার্ডের last action performed আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়। F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়। F6 : এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়। F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে। ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়। F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কি। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়। F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কি দিয়ে। F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কি চেপে। Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়। F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় । F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কি চেপে। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

ফেসবুকে আমি