Archive for the ‘ফেসবুক টিপস’ Category


483537_437254906369043_1315323029_nশরীরে প্রথম অজানা ডাকের উঁকিঝুঁকি আসতেই বইয়ের পাতায় লুকিয়ে চিলছাদে এককোণে দুপুর কাটানো। অথবা ফাঁকা বাড়িতে লুকানো সিডিতে বন্ধুরা মিলে উষ্ণতা শিখে নিতে চাওয়া। শরীর চেনা-জানার প্রথম পাঠ তো বোধহয় পর্নোগ্রাফির হাত ধরেই আসে। এমনিতে ছেলেদের দিকে পাইকারি আঙুল উঠলেও শরীর আনচান বয়ঃসন্ধির মেয়েরাই বা লুকিয়ে কম কি নগ্নছবির পাতা উলটেছে? প্রাথমিক অজানাগুলো কেটে যেতে যেতে আমরা এক সময় উপলব্ধি করি পর্নোগ্রাফির বিজ্ঞানসম্মত দিক। এভাবে যৌনজীবন নিয়ে নানান ভ্রান্তি কাটার সময়ের সঙ্গেই সঙ্গেই নীল ছবি ডিপ্রেশনের সঙ্গী হয় মাত্র, যার কোনও বাজে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কিন্তু সত্যিই কি নেই?
বর্তমান একটি রিপোর্ট বলছে, নীল ছবির আকর্ষণ বয়ঃসন্ধির ওই সময়টুকু ছাড়িয়ে যদি দৈনন্দিন জীবনের আনন্দপূরণের চাহিদা হিসেবে থেকে যায় তবে তো সমূহ বিপদ। পুরুষ-নারী, দু’পক্ষেরই অতিরিক্ত পর্নোপ্রেম ডেকে আনতে পারে সম্পর্কের প্রতি আসক্তিহীনতা থেকে শুরু করে মুহুর্মুহু ভেঙে বেরিয়ে আসার প্রবণতা। আধুনিক জটিল জীবনের আরও নানা অভিশাপের পাশাপাশি এও এক গোপন ব্যাধি বলে ভয় দেখাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। আর এরই সঙ্গে সম্পর্ককে যান্ত্রিক করে তুলছে নানান গ্যাজেটের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা। আসলে পর্নোগ্রাফি পড়ার চেয়ে দেখার কুফলটাই বেশি, এমনটাই বলছে সেই রিপোর্ট। আর নানান গ্যাজেট হাতে হাতে ঘোরার ফলে পর্নোগ্রাফিও ঢুকে পড়েছে সেসবের মধ্যে। দুয়ে মিলে জীবন ওষ্ঠাগত হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট!

আসলে জীবনের বাস্তবিকতা ভুলে ফ্যান্টাসিতে সম্পর্ক নিমগ্ন রাখতে চাইলে অবিলম্বে ফাটল ধরবেই। ঠিক এখানেই বিপদ ঘটাচ্ছে পর্নোগ্রাফি। দেখা যায়, বেশি বয়স অবধি নারীসঙ্গে বঞ্চিত পুরুষদের মধ্যে পর্নোগ্রাফির প্রতি আকর্ষণ তুলনামূলক অনেক বেশি। যৌনজীবনের কল্পনায় এঁরা নীল ছবিকেই মাথায় রাখেন। কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে মিল না খেতে খেতে ফল হয় উল্টো। আবার এই ধরনের পুরুষ স্ত্রী বা প্রেমিকার কাছে বিশ্বাসযোগ্যতাও হারিয়ে ফেলেন অধিক উত্তেজিত যৌনেচ্ছার কারণে। অন্যদিকে আবার সেক্সকে প্রায় জলভাত করে ফেলা এই অস্থির প্রজন্ম ভীষণভাবে পর্ন-অ্যাডিক্ট। এই অ্যাডিকশন যৌন ক্ষিদে মুছে ফেলতে সক্ষম। পাশাপাশি, পর্নোগ্রাফিতে দেখা জুটির প্রফেশনাল চরিত্র না বুঝেই সঙ্গী বা সঙ্গীনির বদলে তাকে কামনা করে যে শারীরিক মিলন ও এক সময় একঘেয়েমি অনুভব করা, তা থেকে সম্পর্কের গভীরতা ফিকে হতে বাধ্য।

সেক্স বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রজন্মের মধ্যে এমন প্রবণতা বেড়েছে যে তারা পার্টনারের প্রতি মনে মনে এই বিশ্বাসঘাতকতা থেকেই হারিয়ে ফেলছেন উষ্ণতা। এই ডিপ্রেশন থেকে উর্বরহীনতা আসা এমন কিছু অবাস্তবও নয়। পর্নোগ্রাফির আর একটি দোষ হল, অল্প সময়ে উত্তেজনার সব চাহিদাটুকু মিটিয়ে ফের টেবিল গুছিয়ে কাজে লেগে পড়া। সম্পূর্ণ যৌনতা কিন্তু তা বলে না। অর্গ্যাজম হোক বা না হোক, শরীর-মনের প্রশান্তির সময়টুকু যেন একেবারে নিখাদ থাকে। কিন্তু পর্নোগ্রাফির চটকদার সব পাওয়ার হিসেবে এই হিসেব মেলে না। এর ফল সম্পর্কে পড়তে বাধ্য। কেন না, সম্পর্কের রসায়ন শুধু ভালবাসা কল্পনার ফানুসে ভাসতে পারে না। অন্তত বর্তমান জীবনে সম্পর্ক নামক গ্রাফের অঙ্ক কষাও একটা শিল্প। পর্নোগ্রাফির মোটা দাগের আনন্দ ক্ষণিকের চটক দিতে পারে মাত্র, যৌনতা উষ্ণতাকে এতে গুলিয়ে ফেলে নিজেকে আরও বেশি নিস্ব-হতাশ করবেন না যেন।

আর এরই সঙ্গে জুটিরা মন দিন নিজেদের দিকে! চলতি হাওয়ায় অনেক মানুষেরই পরস্পরের প্রতি অভিযোগ যে, তাঁরা নাকি অতিরিক্ত পরিমাণ ইন্টারনেটস্যাভি। ঘুম থেকে উঠে বাসিমুখে সঙ্গী বা সঙ্গীনিকে চুমুর বদলে ফেসবুকের ওয়াল পোস্টে আকর্ষণ বেশি হলে তো মুশকিল! ঠিক এই জায়গা থেকেই বিয়ের দু’বছরের মধ্যে সম্পর্ক ভাঙতে চলেছে শহরের এক আইটি-সেক্টরকর্মী অপর্ণার। অভিযোগ, অপর্ণার চেয়ে ইন্টারনেট গেমেই বেশি মন সুমনের। এমনকি, রাতের তীব্র বিছানাবিলাসের পর স্বামীকে জড়িয়ে ঘুমানোর সুখটুকুও মেলে না তার। তখন সুমন ব্যস্ত নেটবিশ্বের স্কাইপ দুনিয়ায়। যন্ত্রপ্রেমে এমন মশগুল যন্ত্রমানবের সঙ্গ থেকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচতেই অপর্না ছাড়পত্র চায়।

লেখার প্রতি অক্ষরে নিজেকে মিলিয়ে নিতে নিতে আমরা যারা চমকে উঠছি, তাদের বলি, এতে বেশি বিস্ময়ের কিছু নেই। এই দুজনের মতো আরও অনেকেই যন্ত্রপ্রেমে মশগুল হয়ে অজান্তেই হারিয়ে ফেলছেন পাশের মানুষ দোসরকে। সময় কেটে যখন টনক নড়ছে, তখন বন্ধু বলতে সাইকিয়াট্রিস্ট। যন্ত্র আর অ্যাপ্লিকেশনে সদাব্যস্ত এই প্রজন্ম আদতে হারিয়ে ফেলছে সম্পর্ক আর জীবনের আসল চাবিকাঠি। অথচ বছর ৫ আগেও অফিস ফেরত সম্পতি বা কলেজ ফেরত প্রেমিক যুগল, নিভৃতে নিজেদের সময়টুকু নিয়ে নাড়াচাড়া করত। রাতের খাবারের একান্ত নির্জনতা বা সন্ধেঘন পার্কের কোণের অন্ধকারটুকুতে শুধু দুটি মন ছাড়া আর কেউ নেই।

কিন্তু স্মার্টফোন আর অ্যাপসের যুগে আপনি যে অলওয়েজ বিশ্বনাগরিক ভাই। তাই স্ত্রীর হাতের বাটার পনিরের প্রশংসার আগেই ভেসে আসে ক্যালিফোর্নিয়ার ঘটনাবলী। প্রেমিকের ঘামভেজা শরীরে নাক ডুবিয়ে মগ্নতাকে ছিন্ন করে দেয় আপনার থেকেও স্মার্ট আপনার ফোনের বিভিন্ন চিৎকৃত আপডেট। বাটার পনিরের অমনোযোগী সময় ধীরে ধীরে সম্পর্কের ঘনত্বকে ঠান্ডা মেরে দিতে দিতে নিয়ে যায় ডিভোর্স নামক কয়েক পাতার মর্গে। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা বলছে, বিশ্বের ৮০ শতাংশ তরুণ কাপল রাতে বা দিনে খাবার টেবিলে খাওয়ার সময়, পরস্পরের সঙ্গে বাক্যালাপের চেয়ে বেশি মগ্ন থাকে নিজ নিজ ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনে। অন্যদিকে ৭০ শতাংশ আবার রাতঘুমের আগে বিছানায় আধঘন্টা কাটায় ল্যাপটপ কোলে, নানান সোশ্যাল মিডিয়ার সোশ্যালিজমে। সে সামাজিকতার এমনই নাকি গুণ, যে পাশে স্ত্রী বা স্বামীকে গুডনাইট বলার দস্তুর হল তার অনলাইন অ্যাকাউন্টে।

মানছি, বাস্তব সম্পর্কে বেশি ডুব দিতে গেলেই নিয়ত আপডেটেড ভার্চুয়াল কক্ষপথ থেকে ছিটকে যাবেন! কিন্তু এই যন্ত্রের আজব ফানুস দুনিয়ায় ঘুরতে ঘুরতে কখন যে বাস্তব থেকে শূন্য যোজন দূরে চলে যাচ্ছে এই প্রজন্ম, সে ক্ষতির হিসেব মিলছে দেওয়ালে পিঠে ঠেকে গেলে। এবার বাকিটুকু বুঝে নিন আপনিই; উপদেশের লক্ষ্য আমাদের একেবারেই নেই। তবু ওই যে ইংরেজিতে বলে না, ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’; সেটাও মাথায় রাখলে ক্ষতি কি!


প্রতি ই-মেইলে টাকা। জিমেইল, ইয়াহু বা হটমেইল খরচের বাইরে থাকবে না কিছুই। ইউটিউবে ভিডিও দেখাও টাকা ছাড়া সম্ভব হবে না। টুইটার-ফেসবুকে ঢুকতেও লাগবে টাকা। ছবি আপলোড করা, স্ট্যাটাস দেওয়া, কারও ছবি বা টেক্সটে মন্তব্য করা, লাইক দেওয়া এতদিন নিখরচায় করে আসা কাজগুলোর জন্য টাকা খরচের প্রস্তাব এসেছে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নে (আইটিইউ)।

সামাজিক যোগাযোগের (বিস্তারিত…)

পাসওয়ার্ড ছাড়াই বেশ কিছু ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাচ্ছে বলে সংবাদ প্রকাশ করে এক হ্যাকার সাইট। খবরটি প্রকাশিত হবার সাথে সাথে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক বেশ দ্রুত সমস্যার সমাধান প্রদান করছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা বিবিসি।

হ্যাকিং সংবাদ প্রদানকারী এক সাইটে প্রকাশিত বার্তায় একটি সার্চ স্ট্রিং দেয়া হয় যা গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ব্যবহার করলে ১.৩২ মিলিয়ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টের একটি তালিকা চলে আসে। এই তালিকার কিছু কিছু লিঙ্কে ক্লিক করলে পাসওয়ার্ড ছাড়াই ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করা যায়। এছাড়া সার্চ ফলাফলে প্রকাশিত প্রতিটি লিঙ্কে ফেসবুক ব্যবহারকারীর ইমেইল ঠিকানাও প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

হ্যাকার সংবাদদাতা সাইটের বার্তার সাথে যে সিনট্যাক্সটি প্রকাশ হয়ে পরে তা ফেসবুক পুনরায় দ্রুত লগইন করার সিস্টেমের সাথে ব্যবহার করে থাকে। সাধারণত এ ধরণের লিঙ্ক স্ট্যাটাস আপডেট এবং নোটিফিকেশন সম্পর্কিত ইমেইলগুলোর সাথে ফেসবুক ব্যবহারকারীকে কাছে পাঠিয়ে থাকে। এই লিঙ্ক ব্যবহারকারীদেরকে দ্রুত তার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে সাহায্য করে থাকে।

ফেসবুকের নিরাপত্তা প্রকৌশলী ম্যাট জোন্স এক পোস্টের মাধ্যমে জানান সাধারণত ব্যবহারকারীদের নিজস্ব ইমেইল ঠিকানাতেই এ ধরণের ইমেইলগুলো পাঠানো হয়ে থাকে এবং যে লিঙ্ক পাঠানো হয় তা মাত্র এক বারই ব্যবহার করা যায়। তিনি বলেন, “এ ধরণের লিঙ্ক সার্চ ইঞ্জিনে প্রকাশ হবার অর্থ হচ্ছে লিঙ্ক সম্বলিত ইমেইলগুলো কেউ অনলাইনে প্রকাশ করে দিয়েছে।”

তার ধারণা এই ইমেইলগুলো থ্রোঅ্যাউয়ে মেইল সাইট অথবা এমন ইমেইল সেবা থেকে প্রকাশ হয়েছে যারা ব্যবহারকারীর ইমেইল নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়।

প্রকাশিত লক্ষাধিক লিঙ্কের মেয়াদ ইতোমধ্যে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

এ ধরণের লিঙ্ক প্রকাশিত হবার কারণে বর্তমানে সাময়িক ভাবে এই সুবিধাটি ফেসবুক বন্ধ রেখেছে এবং ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হয়ে পরেছে এমন ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর না হওয়া পর্যন্ত সুবিধাটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।

ফেসবুক এক বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে এই লিঙ্কগুলো ব্যবহারকারীরা যেন সহজে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারে সে জন্য সরাসরি তাদের ব্যক্তিগত ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল এবং ফেসবুক কখনো তা সার্বজনিনরূপে উন্মুক্ত বা অন্য কাউকে প্রবেশাধিকার দেবার উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয় নি।

ফেসবুক তার বিবৃতিতেও ইমেইলগুলো অন্যকোন খানে পোস্ট করা হয়েছে এবং যা পরবর্তীতে সার্চ ইঞ্জিনে উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করেছে। সুবিধাটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করে ফেসবুক।


আগামী সপ্তাহেই আরো একটি উদ্ভাবনী দেখাতে যাচ্ছে ফেসবুক। তবে এটাকে মোটা দাগে টাকা তৈরীর উদ্ভাবনী বলাই শ্রেয় হবে। ফেসবুক চালু করতে যাচ্ছে “ওয়ান্ট” (Want) বাটন। এই বাটনের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী জানাতে পারবেন তিনি কোন পণ্যটি কিনতে চান।

বিজ্ঞাপন ছাড়াও আরো নানান ধরনের ফন্দি ফিকির খুঁজছে ফেসবুক। তবে এবারে বেশি উৎসাহ দেখাচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ করে পণ্য বিক্রেতারা। পটারী বার্ণ, নিম্যান মার্কাস, মাইকেল কোরস, ভিক্টোরিয়া সিক্রেটের মতো দোকানগুলো অনলাইনে কেনাবেচা বাড়াতে চাইছে। আপনি যখুনি ফেসবুকে ওইসব পণ্যের উপর “ওয়ান্ট” বাটন ক্লিক করবেন, তখুনি ওটা আপনার কেনা হয়ে যাবে। এবং সঠিক সময়ে পৌঁছে যাবে আপনার ঘরে।

তবে এই মুহুর্তেই ফেসবুক রিটেইল কোম্পানীগুলোর কাছ থেকে এই সেবার বিনিময়ে টাকা নিচ্ছে না, তবে এটা যদি ক্লিক করে যায়, তখন একটা দফারফায় আসতে হবে।

ভিক্টোরিয়া সিক্রেটের মডেল এবং পণ্য যা আপনি আগামী সপ্তাহেই চাইতে পারেন!

প্রাথমিকভাবে একটা আমেরিকার কিছু দোকানের জন্য চালু করবে ফেসবুক। এটা সফল হলে পৃথিবীর অন্যান্য দোকানগুলোও এই ফিচারটি ব্যবহার করতে পারবে। এই ফিচারটি চালু হওয়ার পর, ভিক্টোরিয়া সিক্রেটের কোনও পণ্যের উপর ওয়ান্ট বাটন চেপে সেটি সহজেই একজন ক্রেতা ফেসবুক থেকেই কিনে ফেলতে পারবেন।

তবে এই ফিচারটি শুধুমাত্র পণ্যের উপরই থাকবে কি না, সেটা নিয়ে চিন্তা করার সুযোগ রয়েছে। যদি কোনও মানুষের (ট্যাগ করা ছবি) উপর এই “ওয়ান্ট” চালু করা হয়, তাহলে তার অনেক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। কারণ সেক্ষেত্রে একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে চেয়ে ফেলার সুযোগ তৈরী হয়ে যাবে। আর সেটা যদি হয় টাকার বিনিময়ে, তখন বিষয়টি আরো জটিল আকার ধারন করবে।


ফেইসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ নাকি প্রতিদিন একই ড্রেস পরে।শুইনা তো পুত্থমে মনে হইসিল বেচারার T-shirt এর অভাব পরল নাকি? :P পরে দেখি অন্য কাহিনী।শুনুন তাহলে আসল কাহিনী :D

সোশাল মিডিয়া ওয়েবসাইট ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গকে সবসময় একই পোশাকে দেখা যায়। সম্প্রতি তিনি বলেন, আমি প্রতিদিন একই টি-শার্ট পরি! !!ফেইসবুকের আইপিও বাজারে ছাড়ার পর প্রথমবারের মতো সাক্ষাৎকারে এনবিসিকে একথা জানিয়েছেন জুকারবার্গ। বিশ্বের সাবেক শীর্ষ ১০ টেক বিলিয়নেয়ারের তালিকায় স্থান পাওয়া জুকারবার্গ আরও জানিয়েছেন তার অত্যন্ত সাদাসিধে জীবনযাপনের কিছু কথা।

তিনি বলেছেন, ফেইসবুক কর্মীরা তাকে নাম ধরেই ডাকেন এবং এতে তিনি যথেষ্ট স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কেউ ‘মিস্টার জুকারবার্গ’ বলে সম্বোধন করেন না। তিনি বলেন, “আমি প্রতিদিন একই ধরনের পোশাক পরি, এটা ঠিক। তাছাড়া আমার বাসায় ক্লজেটে আমি কেবল একটি ড্রয়ারই ব্যবহার করি। তাতে শুধু ২০টি ধুসর টি-শার্ট আছে।” জুকারবার্গ আরো বলেন, ‘স্টিভ জবস এবং আইনস্টাইনেরও প্রতিদিন একই ধরনের পোশাক পরার অভ্যাস ছিলো।’

জুকারবার্গ তাইলে নিজেরে স্টিভ জবস আর আইনস্টাইন মনে করে


আপনার ফেসবুকের ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তবু কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। আর এর জন্য প্রথমে ফেসবুকে ঢুকে (লগ-ইন) ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ যেতে হবে। এখন নিচে Account Settings- এর ডান পাশের Security-তে ক্লিক করুন। এখন Login Approvalsএর নিচে Require সব to enter a security code sent to my phone বক্সেটিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন দেওয়ার সময় নতুন একটি বার্তা এলে Set Up Now –এ ক্লিক করুন।এখন Phone number: বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue-এ ক্লিক করুন।

আপনার মোবাইল ফোনে একটি সাংকেতিক (কোড) নম্বর আসবে। নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Submit Code বাটনে ক্লিক করে Close-এ ক্লিক করুন।(Login Notifications- এর নিচে Send me an email এবং Send me a text message বক্সেও টিক চিহ্ন দিয়ে রাখতে পারেন।) এখন Save-এ ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন। এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বেরিয়ে (লগ-আউট) আবার ফেসবুকে লগ-ইন করুন। দেখবেন Name New Computer নামে একটি পেজ এসেছে। সেখানে Computer name বক্সে কোনো নাম লিখে Add to your list of recognized devices বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Continue-তে ক্লিক করুন। এখন থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-এ ক্লিক করলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না।


যেন আক্ষরিক অর্থেই খ্যাতির বিড়ম্বনা। বা বলা ভাল ‘লাইকের’ বিড়ম্বনা।
আর সে বিড়ম্বনা ঠেকাতেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে নতুন ‘প্রোগ্রাম’ আনতে চলেছেন কর্তৃপক্ষ। যদিও এর ফলে তাদের আর্থিক লাভের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। তবে তাতে দমছেন না ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বরং তাঁদের বিশ্বাস ফেসবুকের ‘আসল’ ব্যবহারকারীদের কাছে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এটিই উপযুক্ত পদক্ষেপ।
কিন্তু হঠাৎ কী এমন সমস্যা দেখা দিল ফেসবুকের জনপ্রিয় ‘লাইক’ বোতামটি নিয়ে?
আসলে ফেসবুক বেশ অনেক দিন ধরেই ব্যবসায়ীদের কাছে পছন্দের বিজ্ঞাপন-মাধ্যম। পোশাক-পরিচ্ছদ কিংবা গয়না প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন সংস্থা সব জিনিসেরই নামী ‘ব্র্যান্ড’গুলি তাদের বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করে ফেসবুককে। শুধু বিজ্ঞাপন নয়, কোন ব্র্যান্ড ঠিক কতটা জনপ্রিয়, তারও একটা হিসেব পাওয়া যায় এখান থেকে। সাধারণ ধারণা অনুযায়ী, যে ব্র্যান্ডে যত বেশি সংখ্যক ‘লাইক’ পড়ে, সেই ব্র্যান্ড ততটাই জনপ্রিয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটিও এক ধরনের পরোক্ষ বিজ্ঞাপন। আরও বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারীর নজর কাড়তে ফেসবুকে নিজেদের জনপ্রিয়তম ব্র্যান্ড হিসেবে দেখাতে এক মাত্র ভরসা ওই ‘লাইক’ বোতামটিই। এ বার গোল বেধেছে তাকে ঘিরেই।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দাবি, বিজ্ঞাপনের জন্য ‘লাইক’ বোতামটির অসাধু ব্যবহার করছে কিছু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। নানা রকম ‘ভুয়ো’ উপায়ে তারা তাদের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর চেষ্টা করছে ফেসবুকে। যেমন ‘স্প্যাম’-এর মতো প্রোগ্রামের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নিজেদের অজান্তেই কোনও একটি বিশেষ ব্র্যান্ডের জন্য ‘লাইক’ বোতাম টিপে ফেলছেন। তাঁরা হয়তো কোনও ভিডিও ফুটেজ দেখতে মাউসে ‘ক্লিক’ করলেন। সঙ্গে সঙ্গেই ‘লাইক’ পড়ে গেল কোনও বিশেষ ব্র্যান্ডের পেজে।
ব্যবহারকারীর অজান্তেই। অনেক সময় আবার ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলিয়ে একই ব্যক্তিকে দিয়ে একাধিক বার ‘লাইক’ করানো হচ্ছে কোনও নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডকে। তাতেই বেড়ে যাচ্ছে ‘লাইকের’ সংখ্যা। বাড়ছে ভুয়ো জনপ্রিয়তা।
এই অসাধু ব্যবহার রুখতেই এ বার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। নিজেদের ব্লগে তারা জানিয়ে দিয়েছেন, “উন্নত নতুন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে এই ধরনের ভুয়ো বা সন্দেহজনক লাইক মুছে ফেলা সম্ভব হবে ফেসবুক থেকে।” তাঁরা জানেন, হয়তো এর ফলে গড়ে প্রায় এক শতাংশ ‘এনডোর্সমেন্ট’ হারাতে পারে ফেসবুক। কিন্তু সংস্থাও অন্তত সাড়ে ন’কোটি ব্যবহারকারী দু’পক্ষের সুবিধার জন্য এটিকেই যথাযথ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন তাঁরা।


এবার থেকে কেবল বন্ধুদের নয় শত্রুদেরও খুঁজে পেতে সহায়তা করবে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক। এই নতুন অ্যাপলিকেশনের নাম এনিমিগ্রাফ। প্রত্যেক ফেসবুক ব্যবহারকারীকে বিনামূল্যে এই অ্যাপলিকেশন লোড করার অপশন দেওয়া হবে। যে অ্যাপলিকেশন সবাইকে শত্রুদের তালিকা তৈরি করতে দেবে। এই  অ্যাপলিকেশনের সহায়তায় ফেসবুক ব্যবহারকারীরা কোনও প্রোড্যাক্ট, ব্যক্তি কিংবা  কোম্পানির বিরুদ্ধে যুদ্ধও ঘোষনা করতে পারেন। এই অ্যাপলিকেশনটি তৈরি করেছেন ডালাসের টেক্রাস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডিন টেরি। তাঁর মতে এই অ্যাপলিকেশন জনপ্রিয় হবে ফেসবুক ব্যবহারকারীদেও মধ্যে।


সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন হোয়াটসঅ্যাপ-এর নামে বিভিন্ন স্ক্যাম অ্যাপ্লিকেশন। ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থেকে ব্যক্তিগত তথ্য হাতানোই এসব অ্যাপ্লিকেশনের উদ্দেশ্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মোবাইলে বার্তা আদান-প্রদানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ একটি জনপ্রিয় সেবা। কিন্তু হ্যাকাররা ফেসবুকে এই নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছেন। দি নেক্সট ওয়েবের রনি ওয়াটার্স জানিয়েছেন, তার অ্যাকাউন্টে এই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করার রিকোয়েস্ট আসলে তিনি এর ঠিকানা এবং তুলনামূলক কম ব্যবহারকারী সংখ্যা দেখেই সন্দিহান হয়ে পড়েন।

তিনি জানিয়েছেন, যার অ্যাকাউন্ট থেকে তার কাছে রিকোয়েস্টটি এসেছে তিনি নিরাপত্তা কোম্পানি ক্যাসপারস্কি ল্যাবে কাজ করেন। তার অ্যাকাউন্ট থেকে কীভাবে বন্ধুদের কাছে এই প্রতারণামূলক অ্যাপ্লিকেশনের রিকোয়েস্ট গেল এ ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি। তবে রনি খুঁজে দেখেছেন, ফেসবুকে হোয়াটসঅ্যাপ নামের অ্যাপ্লিকেশনের কোনো অভাবই নেই। তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, হোয়াটসঅ্যাপের কোনো ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশনই নেই। বরং তারা মোবাইল ফোনে সেবা দিয়ে থাকে এবং তাদের সব অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল-ভিত্তিক।

তবে ফেসবুকে হোয়াটসঅ্যাপের অফিসিয়াল পেজ রয়েছে। কোনো অ্যাপ্লিকেশন না থাকায় হোয়াটসঅ্যাপ থেকে কোনো অ্যাপ্লিকেশন রিকোয়েস্ট আসলে তা এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দি নেক্সট ওয়েব।


আজ আমরা আউটসোর্সিং এর অন্যতম জনপ্রিয় ও ফলপ্রসূ একটি মাধ্যম SEO (Search Engine Optimization) নিয়ে আলোচনা করব।

SEO (Search Engine Optimization) পর্ব – ১

SEO কি?
SEO এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Search Engine Optimization।এটি এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোন নির্দ্দিষ্ট কীওয়ার্ড/বিষয় দিয়ে সার্চ দিলে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টে উক্ত কীওয়ার্ড রিলেটেড তথ্য যেসব ওয়েব সাইটে রয়েছে তা প্রদর্শন করে। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, সার্চ রেজাল্টে অন্য সকল সাইটকে পেছনে ফেলে আপনার সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে নিয়ে আসা, অথবা কমপক্ষে ২য় পেজের ১০ এর মধ্যে থাকা। মূলতঃ সার্চ ইঞ্জিনের ১ম বা ২য় পেজে আসতে পারলেই প্রচুর পরিমানে ভিজিটর সাইটে আনা সম্ভব হয়।
SEO এমন একটি টেকনোলজি, যা সঠিকভাবে রপ্ত করতে পারলে নুতন ওয়েব সাইটেও প্রচুর ভিজিটর আনয়ন সম্ভব।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) হচ্ছে এমন এক ধরনের পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা, যাতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্চ রেজাল্টে ওয়েবসাইটি অন্য সাইটকে পেছনে ফেলে সবার আগে প্রদর্শিত হতে পারে। এই ধরনের সার্চ রেজাল্টকে Organic বা natural সার্চ রেজাল্ট বলা হয়। সার্চ রেজাল্টের প্রথম পৃষ্ঠায় দশটি ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসাই সবার লক্ষ্য থাকে। এর কারণ হিসেবে দেখা যায় ব্যবহারকারীরা সাধারণত শীর্ষ দশের মধ্যে তার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটকে না পেলে দ্বিতীয় পাতায় না গিয়ে অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করে পুনরায় সার্চ করেন। শীর্ষ দশে থাকার মানে হচ্ছে বেশি আয় করা। এজন্য সবাই মরিয়া হয়ে নিজের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযুক্ত করে তুলেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের সাথে অনেক বিষয় জড়িত। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে প্রথমেই সাইটের জন্য এক বা একাধিক নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড (Keyword) বা শব্দগুচ্ছ বাছাই করতে হয়। কিওয়ার্ড বাছাই করার পূর্বে সময় নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। এমন একটি কিওয়ার্ড বাছাই করতে হয় যাতে এর প্রতিদন্ধী কম থাকে। ধরা যাক অনলাইনে গেম খেলার একটি সাইটের জন্য যদি “Play Online Game” কিওয়ার্ড বাছাই করা হয়, তাহলে এই শব্দ দিয়ে গুগলে সার্চ করলে ১.৬ কোটি সাইটের ফলাফল হাজির হবে। তাদের মধ্যে হাজারও জনপ্রিয় সাইট পাওয়া যাবে যেগুলোকে অতিক্রম করে প্রথম পাতায় আসাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে কিওয়ার্ডের সাথে আরো কয়েকটি শব্দ যদি যোগ করা যায় তাহলে দেখা যাবে প্রতিদন্ধী ওয়েবসাইটের সংখ্যা কমে আসবে। কিওয়ার্ড নিয়ে গবেষণার জন্য সবচেয়ে ভালো হচ্ছে গুগল এডওয়ার্ডের কিওয়ার্ড টুলটি – http://adwords.google.co.uk/select/KeywordToolExternal


মজার একটি বিষয় নিয়ে চলে এলাম আজ। সবাই ভাল আছেন তো?

ফেসবুক – একদিন ও চলে কি এটা ছাড়া? মোটেই না। আপনার নিত্য দিনের সাথী আর অবসরের সঙ্গিকে একটু রাঙ্গিয়ে দিতে আমার এই পোস্ট।

ফেসবুকে চ্যাট তো প্রতিদিনই করি। আর এই চ্যাট যদি হয় একটু রঙ্গিন তবে কেমন হয় বলুন তো? ধরুন কথা বলছেন প্রিয় মানুষের সাথে। আর ঠিক তখনি আপনি রঙ্গিন করে লিখলেন I LOVE U. নিশ্চয়ই চমকে যাবে আপনার প্রিয় মানুষটি।

চলুন এক নজরে চিনে নেই রঙ্গিন অক্ষরের কোড গুলো। পরবর্তীতে বার বার ব্যবহারের জন্য সেভ করে রাখবেন কিন্তু।

[[107015582669715]] = A

[[116067591741123]] = B

[[115602405121532]] = C

[[112542438763744]] = D

[[115430438474268]] = E

[[109225112442557]] = F

[[111532845537326]] = G

[[111356865552629]] = H

[[109294689102123]] = I

[[126362660720793]] = J

[[116651741681944]] = K

[[115807951764667]] = L

[[106596672714242]] = M

[[108634132504932]] = N

[[116564658357124]] = O

[[111669128857397]] = P

[[107061805996548]] = Q

[[106699962703083]] = R

[[115927268419031]] = S

[[112669162092780]] = T

[[108983579135532]] = U

[[107023745999320]] = V

[[106678406038354]] = W

[[116740548336581]] = X

[[112416755444217]] = Y

[[165724910215]] = Z

আপনি যদি ফেসবুক চ্যাট বক্সে I LOVE U লিখতে চান তবে color code গুলো হবে ঠিক এই রকমঃ

[[109294689102123]] [[115807951764667]] [[116564658357124]] [[107023745999320]] [[115430438474268]] [[108983579135532]]

প্রতিটি color code এর পর অবশ্যই একটি space দিতে হবে।

আজ এই পর্যন্তই। এখুনি শুরু করুন মজার চ্যাট, আর চমকে দিন বন্ধুদের। ভাল থাকবেন।


স্বামী তার ফেসবুকের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসে বিবাহিত শব্দটি না দেওয়ায় তাকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লন্ডন প্রবাসী এক ভারতীয়র স্ত্রী। এ জন্য স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন। ইতোমধ্যে বিচ্ছেদের জন্য মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আবেদনে ২৮ বছর বয়সী ওই স্ত্রী জানান, তার স্বামী ফেসবুকে তাদের বিয়ের ঘোষণা না দেওয়ায় তিনি তাকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। মাত্র দুই মাস আগে পারিবারিক সম্মতিতে তারা বিয়ে করেন। আদালতে তার স্বামী নিজের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, স্ট্যাটাস পরিবর্তন করতে তিনি ভুলে গেছেন। বিচারক তাদের ছয় মাসের কাউন্সেলিংয়ের জন্য সময় দিয়েছেন। গতকাল এ খবর দিয়ে বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, হায়দরাবাদের বাসিন্দা তার স্বামী আদালতে বলেছেন, তিনি বিয়ের পর নতুন পরিবার ও ব্যবসা নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত ছিলেন যে, স্ট্যাটাস পরিবর্তন ও ফেসবুক চেক করার কথা ভুলেই গিয়েছিলেন। তবে তার স্ত্রী বলছেন, তিনি তার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে নিতে ইচ্ছুক নন। তিনি বলছেন, তার স্বামী তার অজান্তে কিছু করতে চায় এবং তিনি তাকে বিশ্বাস করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন সেখানকার আইনজীবী। আইনজীবীরা বলছেন, ডিভোর্স মামলার ক্ষেত্রে ইদানীং ফেসবুক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফেসবুকের কারণে বিয়ে ভাঙার ঘটনা গত বছর পর্যন্ত তিনটি ঘটেছে। যেখানে ফেসবুকের অযৌক্তিক ব্যবহারকে দায়ী করা হয়েছিল। একটি ল’ ফার্ম বলছে, তারা গত দুই বছরে আচরণগত কারণে ডিভোর্সের ক্ষেত্রে ৫০ ভাগই পেয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে। ল’ ফার্মটির পরিচালক মার্ক কেনান বলেন, ফেসবুক মানুষের মধ্যে সম্পর্ক তৈরির প্রাথমিক উৎস। এতে অনেকেই পুরনো পার্টনার খুঁজে পায় ও মেসেজ আদান-প্রদান করে। ফলে নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। আবার অনেকে এর মাধ্যমে অ্যাফেয়ার খোঁজে। এভাবেই এটা অনেক সমস্যার উদ্রেক করছে। গত বছর আচরণগত সমস্যার পাঁচ হাজার মামলার মধ্যে ৩৩ ভাগই ছিল ফেসবুকের কারণে। ফেসবুকে স্বামী বা পার্টনারের মেসেজ ও ছবির কারণে অনেকের সম্পর্ক ভেঙে যাচ্ছে। অথচ অনেক সময় এসব ছবি একসঙ্গে কোন অনুষ্ঠানের তোলা, তাও জানা হয়ে ওঠে না।


আগে দর্শনধারী তারপর গুণবিচারী_ কথাটি বাস্তব জীবনের ক্ষেত্রে যেমন সত্য ঠিক তেমনি ভারচুয়্যাল ইমেজের ক্ষেত্রেও। সামনাসামনি আপনাকে কেমন দেখাচ্ছে, তার ওপর চাকরি থেকে শুরু করে অনেক কিছুই নির্ভর করে, ঠিক তেমনি বর্তমান যুগে আপনার নিজস্ব ওয়েব পাতাটির চেহারার ওপরও নির্ভর করে বেশ কিছু বিষয়। ব্যস্ততার এ যুগে সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করতে কম বেশি সবাই ভারচুয়্যাল জগতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করছেন। ইদানীং ফেসবুক, ব্লগ আর মেসেজবোর্ডে কিছু লিখে তুলে দেওয়ার মানেই হলো, ভারচুয়্যাল দুনিয়ায় আপনার চেহারাটি দেখানো। সে আপনি বাঁধা-ধরা কাজ করতে আগ্রহী নন, কিংবা চাকরিপ্রত্যাশী যেই হোন না কেন, এই ডিজিটাল পরিচয়টির ধারালো ভাবটি সবার জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। ডাকসাইটে প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে মূল্যবান ক্রেতা তাদের চোখে আপনাকে কেমন দেখাচ্ছে সেই প্রথম মুহূর্তটি আসলেই খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর সেখানে সাজানো একেবারে ব্যক্তিগত বিষয়-আশয় তুলে রাখাটিও খুব যে কার্যকরী, সেটিও নয়। বরং যারা তাদের ওয়েব পাতায় তাদের ভারচুয়্যাল চেহারাটি দিয়ে মন জয় করতে চান, তারা বরাবরই কয়েকটি সাধারণ সহজ বিষয় মেনে চলেন। আপনার সত্যিকার নাম প্রকাশ করাই ভালো। নকল নাম বা পরিচয় রাখলে সেটি আপনার জন্য হিতে বিপরীতই হতে পারে। আবার শুধু সত্য নাম থাকলেই হলো না, পাতাটিতে আপনার চেহারা অাঁকতে কোন রংয়ের আলপনা এঁকেছেন, লাইন আর বর্ণনা, সবমিলিয়ে চেহারাটি স্বাভাবিক দেখাচ্ছে কিনা সেটাও কিন্তু মুখ্য। অনেক ওয়েব বিশেষজ্ঞের মতে, সহজ এবং অনাড়ম্বর পাতা বানানোই ভালো। বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মজা করার ছবিগুলো কিন্তু পেশাদার পাতার জন্য ক্ষতিকর। এই মজা করার ছবিগুলো আপনার ব্যক্তিগত ইমেজকে অনেকখানি হালকা করে দেবে। ব্লগারদের ক্ষেত্রেও এটি সত্য। অনেক সময় মাত্র একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছবিও আপনার সব কিছু নষ্ট করে দিতে পারে। ডিজিটাল ক্যামেরার এই যুগে ইচ্ছামতো যে কোনো ছবি তুলতেই পারেন। তবে ছবি আপলোড করার ক্ষেত্রে অনেক সাবধানী হতে হবে।

দেখা গেল, অসতর্ক মুহূর্তের কোনো ছবি ফেসবুকে আপলোড করলেন। পরে ভেবে দেখলেন কাজটি হয়তো ঠিক হয়নি। ক্ষতি কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। তখন আপসোস করা ছাড়া কিছুই থাকে না। দেখা গেল, একটি মাত্র ছবিই আপনার প্রফেশনাল ইমেজকে ধ্বংস করেছে। কাজেই ওয়েব পাতায় আপনার স্বাভাবিক সৌন্দর্যটি ফুটিয়ে তুলুন।


Mozilla firefox এ যেভাবে dislike button যোগ করবেন…
Mozilla firefox এ dislike button যোগ করতে একটি add-on ইন্সটল করতে হবে।
add-on পেতে নিচের লিংক এ যান

dislike button add-on for Mozilla firefox   টি ইন্সটল করার পরে ব্রাউজার রিস্টার্ট করুন। এর পর আপনি Facebook এ log in করলে like button এর পাশে dislike button দেখতে পাবেন।
আরও জানতে নিচের লিংক এ ক্লিক করুন


বিয়ের পিড়িতে বসলেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী ২৮ বছরের মার্ক জুকারবার্গ। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম আলোচিত বিয়ে এটি। যদিও দীর্ঘদিনের বান্ধবীকেই বিয়ে করেছেন জুকারবার্গ, তাই সেটা তেমন চমক না হলেও হঠ্যাৎ করে বিয়ে করাটা অবশ্যই চমক। জুকারবার্গ সম্পর্কে তো আমরা সবাই কমবেশি জানি, চলুন জেনে নিই তার সদ্য পরিণীতা স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান সম্পর্কে।

মিস্টার অ্যান্ড মিসেস জুকারবার্গ

প্রিসিলা চ্যানের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তার সম্পর্কে যেসব তথ্য পাওয়া যায় তা হলো, প্রিসিলা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ব্রায়ানট্রিতে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৩ সালে কুইন্সি হাইস্কুল থেকে পাশ করেন এবং ২০০৭ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীববিদ্যায় স্নাতক সম্পন্ন করেন। আর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়েই জুকারবার্গের সাথে তার পরিচয়।

২০০৭ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিছু সময় প্রিসিলা ৪র্থ এবং ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিষয়ে পড়ান। এরপর তিনি চিকিৎসক হওয়ার জন্য সানফ্রান্সিসকোর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।

গত সপ্তাহে স্নাতকোত্তর শেষ করেন তিনি এবং তারপর সময় নষ্ট না করে দীর্ঘদিনের প্রেমিক জুকারবার্গের সাথে মালা বদল করেন।

ফেসবুকে প্রিসিলা নিজের সম্বন্ধে লিখেছেন তিনি রান্না করতে ভালোবাসেন। ইংরেজি, স্প্যানিশ এবং ক্যান্টনিজ ভাষা জানা প্রিসিলার পছন্দের উক্তি হচ্ছে, “Teach me, and I will forget. Show me, and I will remember. Involve me, and I will understand.”

Priscilla Chan Life Social Media Bride


শুক্রবার তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির বহু প্রতীক্ষিত শেয়ার কেনাবেচা পর্যবেক্ষণের পর শনিবার ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী তার পারসোনাল প্রোফাইল পাতায় স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে ‘বিবাহিত’ লিখেছেন। এপি’র খবরে জানা গেছে, ২৮ বছর বয়সী জুকারবার্গ ২৭ বছর বয়সী চ্যান কে তার পালো আল্টো ক্যালিফোর্নিয়ার বাসায় এক ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে করেন। বিয়েতে জুকারবার্গ নিজের নকশা করা সাদামাটা একটি রুবির আংটি উপহার দিয়েছেন কনেকে।

একশ’রও কম অতিথির মধ্যে ফেসবুক সিওও শেরিল সেন্ডবার্গও উপস্থিত ছিলেন।

বিয়ের অনুষ্ঠানে তার বিখ্যাত হুডির বদলে জুকারবার্গ পরেছিলেন গাড় নীল রঙের স্যুট এবং টাই। এই ছবিটি তিনি তার ফেসবুক পেজ এ পোস্ট করেছেন। সবেমাত্র ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রানসিসকো মেডিকেল স্কুল থেকে স্নাতক শেষ করা চ্যান পরেছিলেন একটি সাদা গাউন। অতিথিদেরকে আমন্ত্রণ জানান হয়েছিল চ্যান এর স্নাতক হওয়া উদযাপনের পার্টিতে কিন্তু ওখানে উপস্থিত হয়ে সবাই দেখতে পান যে এটি তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান।

২০০৪ সালে হার্ভার্ড এর ডরমিটরিতে জুকারবার্গ ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন যেটি এখন বিশ্বের অন্যতম বড় কোম্পানি। শুক্রবার ট্রেডিং শুরু হবার পর ফেসবুকে তার অংশের মূল্যমান দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

নয় বছর আগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় চ্যানের সঙ্গে পরিচয় হয় জুকারবার্গের। পরিচয় থেকে প্রণয়। এই দীর্ঘ নয় বছরের প্রণয়ে সব সময়ই একসঙ্গে থেকেছেন তাঁরা। এর আগে এই জুটির ব্যক্তিগত সম্পর্কের তথ্য ফাঁস করেছিলেন মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। ২০১১ সালের জুন মাসে প্রিসিলা চ্যান ও মার্ক জুকারবার্গ বাগদান অনুষ্ঠিত হয় এবং আগামী বছর তাঁরা বিয়ে করবেন বলে জানিয়েছিলেন বিল গেটস।

জুকারবার্গ ও তাঁর বান্ধবী প্রিসিলা চ্যান বিয়ের আগে থেকেই এক বাড়িতে থাকতেন। তাঁদের ফেসবুক রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসে লেখা ছিল ‘ইন আ রিলেশনশিপ’।‘বিস্ট’ নামের একটি পোষা কুকুরও জুকারবার্গ -প্রিসিলার সঙ্গে বাড়িটিতে থাকে।

[ ভাল লাগলে পোস্ট এ  অবশ্যই Comment  অথবা Like দিবেন  , লাইক দিলে আমাদের কোনো লাভ অথবা আমরা কোনো টাকা পয়সা পাই না, কিন্তু উৎসাহ পাই, তাই অবশ্যই লাইক দিবেন । ]


কয়েকদিনের মধ্যে বাজারে আসছে ফেসবুকের শেয়ার। আর এই শেয়ার বাজারে ছাড়ার মাধ্যমে ২৭ বছর বয়সী মার্ক জুকারবার্গ পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তিতে এবং তার প্রতিষ্ঠান ফেসবুক যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দামী সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটে পরিণত হবে। আর জুকারবার্গের পকেটে যাবে ১৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা মাইক্রোসফটের স্টিভ বালমার কিংবা রাশিয়ান স্টিল শিল্পপতি ভ্লাদিমির লিসিনের সম্পদের চেয়ে পরিমাণে বেশি। স্টিভ বালমারের বর্তমান সম্পদ রয়েছে ১৫.৪ বিলিয়ন ডলার। তবে পার্থক্য হচ্ছে বাকি দুজনের বয়সের প্রায় অর্ধেক বয়সী জুকারবার্গ সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন আশ্চর্য প্রতিভায়।নতুন পণ্য দ্রুত পরিচিত করার একটি গুন জুকারবার্গের রয়েছে সেটা সবাই এক বাক্যে স্বীকার করেন। আর সে কারণেই এক সময়কার সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট মাইস্পেসকে পেছনে ফেলতে পেরেছে ফেসবুক। টুইটার, গুগল প্লাস সহ প্রভাবশালী সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো শত চেষ্টা করেও ছাড়িয়ে যেতে পারছেনা ফেসবুকের জনপ্রিয়তাকে।

হার্ভার্ডের ছাত্রাবাসে জুকারবার্গ

১৯ বছর বয়সী জুকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ছাত্রাবাসের কক্ষে বসে শুরু করেছিলেন ফেসবুকের কাজ। তখন তার বয়স ছিলো মাত্র ১৯ বছর। আর আজ সেই ফেসবুক ব্যবহার করছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ৯০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী। এতদূর পর্যন্ত একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটকে টেনে নিয়ে আসার পর এখন সেটাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার সময় এবং সুযোগ এসেছে জুকারবার্গের হাতে। আর এজন্যই বাজারে ছাড়া হচ্ছে ফেসবুকের শেয়ার।

ফেসবুক প্রায় ৩৩৭.৪ মিলিয়ন শেয়ার বাজারে ছাড়বে। প্রতিটি শেয়ারের দাম পড়বে ২৮ ডলার থেকে ৩৫ ডলার পর্যন্ত। ফেসবুকের প্রাথমিক শেয়ারের মোট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ফেসবুক বাজারে ছাড়বে ১৮০ মিলিয়ন শেয়ার। তাদের সহযোগী অ্যাক্সেল পার্টনারস এবং ডিজিটাল স্কাই টেকনোলজিস বাজারে ছাড়বে ১৫৭.৪ মিলিয়ন শেয়ার।

আর ফেসবুকের ৫৭% মালিকানার অধিকারী অধিকারী জুকারবার্গ ছাড়বেন ৩০.২ মিলিয়ন শেয়ার। আর এই পর্যন্ত ফেসবুককে নিয়ে আসছে পরিশ্রম করার সাথে সাথে ধৈর্য ধারণ করেছেন জুকারবার্গ।

২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়িয়েছেন ফেসবুকের প্রচারণা চালাতে। আর এই প্রচারণাই ধীরে ধীরে জনপ্রিয় করে তুলেছে ফেসবুককে। প্রথম বছরেই ফেসবুকে যোগ দেয় ১ মিলিয়ন ব্যবহারকারী। এরপর পেপ্যালের সহ প্রতিষ্ঠাতা পিটার থিয়েলের কাছ থেকে ফেসবুকের জন্য বিনিয়োগ গ্রহণ করেন জুকারবার্গ। দুই বছরের মাথায় ২০০৬ সালে ১২ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ফেসবুকের সাথে জড়িয়ে পড়েন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মার্ক জুকারবার্গকে বরঞ্চ অর্থ, প্রতিপত্তি, খ্যাতি সব তার পিছু নিয়েছে।


আজকের যুগে আড্ডাস্থল বটতলা বা উঠান-বারান্দা হারিয়ে গেছে। সরাসরি যোগাযোগের সুযোগও এখন সীমিত। তাই সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলো তৈরি হয় ও জনপ্রিয়তা পায়। তেমনি একটি সাইট ফেসবুক। এর মাধ্যমে প্রতিদিনই পরিচিত ও বন্ধুদের খবর নেওয়া যায় বা নিজের কথা শেয়ার করা যায়। নতুন বন্ধু-বান্ধব পাওয়া যায়; ভালো ও খারাপ খবর মুহূর্তের মধ্যে পেঁৗছানো যায়। কিন্তু ফেসবুক সঠিকভাবে ব্যবহার না করার কারণে অনেকে বাস্তবের নিকটজন বা বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। ইন্টারনেট বা ফেসবুক আসক্তির ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট করে ফেলে। আবার রাত জেগে ফেসবুক ব্যবহারের ফলে পরের দিনের কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটে। নকল বন্ধু বা প্রতারক বন্ধুর উদাহরণ তো ভূরিভূরি। শুধু ফেসবুকের পরিচিত হওয়া বন্ধুর দ্বারা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। ফেসবুকের ভালো দিক ও খারাপ দিক উভয়টিই রয়েছে। তাহলে কি আমরা খারাপ দিকের ভয়ে ফেসবুক ব্যবহার থেকে বিরত থাকব বা সন্তানদের বিরত রাখার চেষ্টা করব। কিছু বিষয় যদি আমরা মাথায় রাখি তাহলে ফেসবুককে অনেক গঠনমূলকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।
হযদিও সবার উদ্দেশ্য আলাদা, তবুও ফেসবুকের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সামাজিক নেটওয়ার্ক সৃষ্টি। কারণ বর্তমান জীবনে সফলতা আনতে হলে নেটওয়ার্ক শক্তিশালী থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য দরকার পরিচিত মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা। ফেসবুক সেটাকে সহজ করে দেয়।
হশুধু সুন্দর প্রোফাইল পিকচার বা আনকোরা নাম দেখে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো ঠিক নয় এবং একই সঙ্গে এ ধরনের রিকোয়েস্ট গ্রহণ করাও ঠিক নয়। বাস্তবে পরিচিত হলে বা চিনলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো বা গ্রহণ করা উচিত। অপরিচিতদের বন্ধু হিসেবে সংযুক্ত করলে অনেক সময় হ্যাকিংসহ নানা ঝামেলায় পড়তে হতে পারে।
হফেসবুকে এমন কোনো তথ্য বা ছবি শেয়ার করা উচিত নয় যা ব্যক্তির ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে পারে। মনে রাখা দরকার ফেসবুকের পোস্টগুলো শুধু বর্তমানকেই প্রভাবিত করে তা নয় বরং অনেক বছর পরও এর প্রভাব থাকতে পারে। আজকে হয়তো ব্যবহারকারীর কোনো সামাজিক মর্যাদা নেই; কিন্তু কয়েক বছর পরে তো তার একটা সামাজিক মর্যাদা তৈরি হয়ে যেতে পারে, তখন তা তার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ভবিষ্যতে কে কখন, কোথায় পেঁৗছে যাবে তা আগে থেকে বলা সম্ভব নয়। সহজ কথায় দৈনিক পত্রিকায় যা ছাপলে আপনার কোনো ক্ষতি হবে না শুধু, তাই ফেসবুকে পোস্ট করা করুন।
হএমনকি কোনো বন্ধুর ওয়ালে এমন কিছু পোস্ট করা যাবে না যা অন্যদের মধ্যে বিরক্তি আনবে বা আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে। মনে রাখবেন বন্ধুর বন্ধু আপনার নিয়োগকর্তাও হতে পারে।
হনির্দিষ্ট সময়ের বেশি ফেসবুক বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা উচিত নয়। অনেক সময় ‘আর কয়েক মিনিট’, ‘আর কয়েক মিনিট’ করে অথবা কিছুক্ষণ পর পর ফেসবুক ব্যবহার করার ফলে দিনের অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে যায়। ফলে বাস্তবের কাজে মারাত্মক ক্ষতি হয়। তাই কখন ও কতক্ষণ ফেসবুক ব্যবহার করলে ক্ষতি হবে না তা ঠিক করে শুধু সেই সময়েই ব্যবহার করা উচিত।
হকোনো এপ্লিকেশন ব্যবহারের আসে সেই এপ্লিকেশনের শর্তগুলো ভালো করে পড়ে দেখা উচিত। অনেক সময় এপ্লিকেশনগুলো আপনার তথ্য ব্যবহার করে নিজেদের প্রচারণা চালায় বা আপনার হয়ে অন্যের ওয়ালে লেখা ও ছবি পোস্ট করে। যা আপনার ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
হবন্ধুকে জরুরি কোনো তথ্য ফেসবুকের মাধ্যমে না দিয়ে সরাসরি বা ফোনে দিতে হবে। তা না হলে যদি নির্দিষ্ট দিনে কেউ ফেসবুক ব্যবহার না করে তবে সে তথ্যটি পাবে না।
হসিকিউরিটি সেটিংস ভালোভাবে বুঝতে হবে এবং ব্যবহার শেষে সাবধানতার সঙ্গে লগ আউট করতে হবে। সাইবার ক্যাফে বা অবিশ্বস্ত ব্যক্তির কম্পিউটারে ফেসবুক ব্যবহার করা ঠিক নয়। কেননা এর ফলে আপনার একাউন্ট হ্যাক হওয়ার সুযোগ থাকে। হ্যাকার আপনার একাউন্ট ব্যবহার করে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে বা অন্যের ওয়ালে আপত্তিকর কথা বা ছবি দিয়ে দিতে পারে। যা বন্ধুত্বসহ আপনার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে।
আসুন আমরা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ককে শক্তিশালী করার জন্য, নিজেকে-সমাজকে গড়ার জন্য ও সমাজের খারাপ দিকগুলো দূর করার জন্য ফেসবুক ব্যবহার করি। আর সব অপব্যবহার রোধ করি। একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকুন, ভালো থাকুন। অনেক ভালো।


আসুন দেখি কিভাবে টাইম লাইন রিমুভ করা যায়।

মজিলার জন্য১।ফায়ারফক্স ওপেন করুন এবং টুল থেকে Add-ons অপশনটি সিলেক্ট করুন।

২।এবার নতুন একটা উইন্ডো আসবে । সেখানে সার্চবারে লিখুন User agent Switcher
এবার ইনস্টল করুন এডঅনসটি।
৩।এবার ফায়ারফক্স রিস্টার্ট মারেন। এখন যদি নেভিগেশন বারের বাম পাশে User agent Switcher এই এডঅনসের আইকন না দেখা যায় তাহলে customize থেকে ড্রাগ করে নেভিগেশন বারে নিয়ে আসুন।

৪। এবার আইকন এ ক্লিক করে Internet Explorer 7 সিলেক্ট করুন।

কাজ শেষ । এবার ফেসবুকে লগইন করে দেখেন।

 


পরকরুনাময় আল্লাহপাকের নামে শুরু করছি।আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন।

অনেক সময় অনেকে বলে যে তারা ফেসবুক ছাড়তে চায়, কিন্তু সেখানে শুধু একটায় অপশান এবং সেটি হচ্ছে অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভ করা কিন্তু স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা যায় না ।

হ্যা অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভ থাকলে আপনার সহজে প্রবেশ করা যাবে না । কিন্তু আপনার ঐ পুরনো অ্যাকাউন্টটা পুনরায় চালু করা যাবে ।

তাহলেকি ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট স্থায়ী ভাবে ডিলিট করার কনো উপায় নেই ?

উত্তরটা হচ্ছে – আছে ।

আপনি যদি আপনার অ্যাকাউন্টটা স্থায়ী ভাবে বন্ধ করতে চান এবং আর কখন ফিরে আসতে না চান , তাহলে সেটি খুবি সহজ করা যাবে ।

তাহলে চলুন দেখি, কি করে তা করা যায় ।

আপনাকে যা করতে হবে তাহলো –

প্রথমে আপনাকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে হবে ।

এর পরে  আপনি  http://adf.ly/7NaoF এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন    [  প্রবেশ করার পর স্কিপ এড” এ ক্লিক করেন ]

ক্লিক করে এখনে আপনার অনুরধটা জমা দিতে হবে ।

যখন আপনি আপনার অনুরধটি জমা দেবেন তখন আপনার স্ক্রিনে নীচের মত উইন্ডো আসবে ।

এইখানে ফেসবুক আপনার কাছে আপনার পাসওয়ার্ড জানতে চায়বে ও ক্যাপাচের মাধ্যমে সিকিউরিটি প্রশ্ন জানতে চায়বে । এর মাধ্যমে ফেসবুক আপনাকে যাচায় করবে যে আপনি অ্যাকাউনন্টের আসল মালিক কি না ?

পাসওয়ার্ড দিন, সিকিউরিটি চেকে বক্সে যা লিখা আছে তা লিখুন ।

এবং ওকে তে চাপুন ।

ব্যাস কাজ শেষ ।

আশা করা যায় আপনার অ্যাকাউন্টটা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে ।

সবাই ভালো থাকবেন ।

ধন্যবাদ ।

[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : ফেসবুক প্রিয়দের জন্য নয় । (তবে ভবিষ্যতে  কাজে লাগতেও পারে)]

 [ ভাল লাগলে পোস্ট এ  অবশ্যই লাইক দিবেন , লাইক দিলে আমাদের কোনো লাভ অথবা আমরা কোনো টাকা পয়সা পাই না, কিন্তু উৎসাহ পাই, তাই অবশ্যই লাইক দিবেন । ]