Archive for the ‘ফ্রিল্যান্সিং’ Category


আসসালামু-আলাইকুম কেমন আছেন সবাই , আশা করি সবাই ভাল আছ, ভাল থাক, সুন্দর থাক, স্বুস্থ থাক , নিরাপদে থাক এটাই আমি সব সময় প্রত্যাশা করি, আপনাদের সর্ব সাফল্য আমি একান্ত ভাবেই কামনা করি।
আমরা জানি তথ্যপ্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে। ধরা দিচ্ছে প্রযুক্তির নাগালের অবস্থানরত মানুষের হাতে। প্রযুক্তি নির্ভর মানুষগুলোর কারণেই তথ্যপ্রযুক্তি সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যাই হোক আসল কথায় আসি ,

আমাদের যাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ব্লগ আছে ,আমরা অবশ্যই গুগল অ্যাডসেন্স পেতে ইচ্ছুক কিন্তু পযাপ্ত ভিসিটর না থাকার ফলে আমরা অ্যাডসেন্স পাইনা।আর এ জন্যই
আমি আজ আপনাদের সাথে একটা সাইট শেয়ার করব যেটা নাকি গুগল অ্যাডসেন্স আর বিকল্প ।

http://yllix.com/publishers

এবার Register As A Publisher এ ক্লিক করুন। তারপর আপনার প্রথম নাম ও শেষ নাম লিখুন,এবং আপনার ইমেইল আদ্দ্রেসস দেন।

তারপর Create Account সিলেক্ট করুন। তারপর ঠিক এ রকম একটা মেসেজ আসবে

Welcome Mr. আপনার নাম
Your account has been successfully created.
Please check your mailbox in order to activate your account.

এবার আপনার ইমেইল এ লগিন করুন , দেখবেন যে একটা নতুন মেইল এসেছে ।এটা ওপেন করুন । এখানে আপনার অ্যাকাউন্ট , আইডি, পাসস্বরদ দেওয়া আছে এবং একটা লিঙ্ক ও দেওয়া আছে এটা তে ক্লিক করুন । করার পর আপনার অ্যাকাউন্ট আইডি চাইবে ওইটা বসিয়ে দিন। এবার ঠিক মার্ক করে Complete Registration এ ক্লিক করুন। এরপ্র আপনার Real Address বসিয়ে দিন। Continue তে ক্লিক করুন , আপনার মোবাইল নাম্বার দিন আবার Continue করুন । তারপর আপনার Payment method সিলেক্ট করুন ।আপনার ইমেইল ও Minimum Payout সিলেক্ট করুন । এবার Close সিলেক্ট করুন। তারপর SMS Verification সিলেক্ট করুন । Sand Verification Sms এ ক্লিক করার পর একটা এসএমএস পাবেন ওই নাম্বার টা বসিয়ে দিন। তারপর আপনার ওয়েবসাইট অ্যাড করে কোড গুলো বসিয়ে দিন।

এবার সাইটির ধরণ দেখে নেই।

***Yllix CPM, CPC, CPA এবং পপআপ বিজ্ঞাপন সমর্থন করে ।

***Yllix 300×250, 728×90, 468×60, 120×600, 160×600, PrePop, পপআপ এবং PopUnder বিজ্ঞাপন ফর্ম্যাট সমর্থন করে।

***মিনিমাম Payout 1$। আমার ক্যাশ আউট এর প্রুফ
***Google Adsence এর অন্যতম একটি বিকল্প উপায় Yllix। আপনারা যারা অনেক চেষ্টা করার পরেও আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট এর জন্য Google Adsence থেকে এড পাচ্ছেন না তারা Yllix চেষ্টা করে দেখতে পারেন। Yllix এর Popup, Layer এবং Full page এড এর জন্য এডে ক্লিক অনেক বেশি পরে। আর আপনি রেফেরাল লিঙ্ক এর মাধ্যমেও কিছু আয় করতে পারবেন। আর এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল মাত্র $1 হলেই আপনি Payza, PayPal, Liberty Reserve অথবা Bank wire এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন।


referral_leaderboard

গুগল এডসেন্স বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সেরা এ কথা অনস্বীকার্য। তবে পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুগলের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে আসছে। যদিও এগুলোর ধারা গুগল থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এডব্রাইট, চিটিকাও একটি স্বতন্ত্র ধারা।
চিটিকা দিয়েও আপনি আপনার ওয়েবসাইটে এড বসিয়ে আয় করতে পারেন।
বিস্তারিত জানতে এবং সেবাটি গ্রহণ করতে সাইন আপ করে দেখতে পারেন।

সাইন আপ

সবচে বড় কথা হলো, সাইন আপ করতে যেহেতু কোনো টাকা পয়সা লাগে না তাই গুগলের উপর নির্ভর না করে এখানেও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
হয়তো গুগল এডসেন্স থেকে এটাই আপনার কাছে সহজ-সাবলীল-প্রয়োজনীয় মনে হবে। তাছাড়া গুগল এডসেন্সের সাথে চিটিকা ইউজ করা যায়

বুঝতে সমস্যা হলে জানাবেন। আমার সাধ্যমতো সলভ করার চেষ্টা করবো।


Flippa.com থেকে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট কিনে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
আপনি যদি ফ্লিপা ডট কম ভিজিট করেন দেখতে পাবেন একটা কত দামে কেনা বেচা হয় এবং এখানে ডোমেইন কত জনপ্রিয়। এখানে একটা ডোমেইন এর দাম একহাজার ডলার থেকে শুরু করে একলক্ষ ডলার এর বেশী হয়ে থাকে। এটা সত্যিই একটা বড় মাকের্ট এবং দিন দিন এই মার্কেট আরো বাড়ছে। উন্নত দেশে অনেকেই তাদের ইনাকাম এর জন্য ফ্লিপা থেকে ডোমেইন কিনেন এবং এটা একটা ওয়েবসইট কেনা বেচার ভাল ব্যবাসা।আপনি ফ্লিপার থেকে যদি না বুজে ডোমেইন কিনেন তাহলে আপনার লস হবার সম্ভাবনা থাকে। তাই ডোমেইন কিনার আগে নিচের বিষয় গুলো খেয়ার করবেন।
১। ডোমেইন নাম: আপনাকে প্রথমেই দেখতে হবে ডোমেইন সার্চ ইঞ্জিন ব্লক করছে কিনা। আপনার সাইট ইনডেক ঠিক আছে কিনা।অনেক সময় স্পামিং এর জন্য গুগুল ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিন থেকে ব্লক করে দেয়। আপনার সাইট ব্লক হলে আপনি যতই এস ই করেন না কেন আপনার সাইট রেংকিং পাবে না।
২। পেইজ রেংক: আপনার সাইট কিনার আগে পেইজ রেংক অব্যশই দেখে নিবেন। আপনার ওয়েবসাইটের পেইজরেংক যত বেশী হবে আপনার সাইট ইনডেক্র হবে তত দ্রুত। পেইজরেংক মাধ্যমে আপনার সাইট অথরিটি কতটুকু তাও বুজতে পারবেন।
৩। কিওয়াড রেংক: আপনার সাইটে গুগুল কতটি কিওয়াড আছে তা রেংক দেখতে ভুলবেন না্ এবং আপনার যে কিওয়াড রেংক আছে তার ভিজিটর কত সেটা দেখবেন।
৪। কনটেন্ট: এই ই ও জন্য কনটেন্ট হল রাজা। আপনার কনটেন্ট কি ধরনের তা অব্যশই খেয়ার করতে হবে। অর্থ্যাৎ আপনার ব্লগ রিলেটেড কনটেন্ট হতে হবে। আপনার সাইটে যে কন্টেন্ট আছে তা কি কপি পেষ্ট নাকি ইউনিক সেটা খেয়াল করবেন। লেখা ইউনিক চেক করার জন্য কপি স্কেপ ডট কম চেক করতে পারেন। আপনি যে উদ্দশ্য ব্লগ করছেন তা রিলেটেড লেখা হতে হবে। ধরুন আপনি টেকনোলজি বিষয় লেখালিখছেন এখন এখান্য অপ্রষঙ্গিক লেখা না লেখাই ভাল।
৫। ভিজিটর: আপনার সাইট কিনার আগে অব্যশই বিগত তিন মাসের ভিজিটর দেখবেন। এক্ষেএ্রে ব্লগ ওনারকে বলবেন আপনার গুগুল এনালাইটিক রিপোর্ট অব্যশই মেইল করে পাঠাতে।
৬। শ্রোতৃমণ্ডলী: আপনার সাইটে আগে যে ব্লগিং করত উনি মহিলা হলে উনার ভিজিটর কি শুধুমাত্র মহিলা নাকি পুরুষ সেটা খেয়াল করতে হবে।
৭। টাকা আয়: এটাই সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ন। আপনি যার থেকে সাইট কিনছেন। সে কিভাবে ইনকাম করত। যে সকল পদ্ধতি ব্যবহার করতে তা আপনার জন্য সুবিধাজনক কিনা এবং যে পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করতে তা আমাদের দেশে সুবিধাজনক কিনা সেটা দেখতে ভুববেন না।

সুপ্রিয় সদস্য, আপনাকে স্বাগতম। গত লেসনে আমরা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন নিয়ে আলোচনা শুরু করেছি। এটি একটি ব্যাপক বিষয়। অত্যন্ত ধৈর্য্যের সহিত এই বিষয়টি শিখতে হবে। এই বিষয়ে জ্ঞান যত গভীর হবে, স্বচ্ছ হবে, আপনি ততটা দক্ষতার সাথে অপ্টিমাইজেশন করতে পারবেন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আউটসোর্সিং একটি অত্যন্ত উপযুক্ত উপার্জনের মাধ্যম, এবং SEO তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয়। কারণ, কম্পিউটার বিষয়ে বেসিক ধারণা থাকলেই এই কাজে সফল হওয়া সম্ভব, অতিরিক্ত কোনো টেকনিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন পড়ে না। এবং আউটসোর্সিং এর বাজারে এই কাজের অত্যন্ত চাহিদা রয়েছে।  তবে একটি কথা আমি বারবারই বলে আসছি, তাড়াহুড়ো করে, কোনো বিষয় সঠিকভাবে না জেনেই উপার্জনের দিকে হুমড়ি খেয়ে পড়া উচিত নয়। মনে রাখবেন, শর্ট কাট পদ্ধতিতে উপার্জন করার পন্থা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আউটসোর্সিং আমাদের দেশের বেকারত্বের নিরসনে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছে, এটা যেমন সত্যি; তেমনি আউটসোর্সিং এর যথাযথ জ্ঞান ও হাতে কলমে অভিজ্ঞদের মাধ্যমে ট্রেনিং না থাকলে আপনার সময় ও শ্রম দুটোই বৃথা যেতে পারে। এই লেসনগুলোর মাধ্যমে আমরা আউটসোর্সিং এর সকল সম্ভাব্য বিষয়গুলো নিয়ে একে একে আলোচনা করবো।

 

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে পরিচিত। google, yahoo,ask ইত্যাদি।তার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।আমরা যখন কোন কিছুএ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইন্জিনে তা সার্চ করে থাকি।যেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন “Bangladeshi newspaper links”।এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির।

সার্চ ইন্জিনে সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করে।সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকা।আর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করে।আর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইন্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা।

কি কারণে এই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা !

আপনাদর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবো। এর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো।একটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেই।আর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে

১। এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া
২। আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
৩। সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
৪। বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
৫। তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের উপকারীতা:

এসইও এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারীতা কথা বলে শেষ করা যাবে না।আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়াতে এর মত পদ্ধতির জুড়ি মেলা ভার।আজকের যুগ প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার যুগ।কেউ আপনার সাইটকে মনে রাখার মত সময় নেই।তারা সহজে তাদের প্রয়োজনমাফিক তথ্য অতি দ্রুত পেতে চায়।যার জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে।আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন করা হলে আপনি আপনার সাইটকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।

আপনার সাইটের ব্যবসায়িক ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন তো মাস্ট।অলাইন মার্কেটিং করা,নতুন পণ্য সকলের সামনে তুলে ধরা,নতুন নতুন সফটওয়্যার এর প্রচার প্রচারণা সহ সকল কাজ সহজ করে দিয়েছে এসইও।

তাই অনলাইনে আ্যড এর আয় বা অলাইন মার্কেটিং যাই বলুন না কেন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন গতি নেই। যেমন গুগল এ্যাডসেন্স এর কথাই বলি।গুগল এ্যাডসেন্স এ সফলতা পাওয়ার জন্য এসইও অনেক অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।অধিক ভিজিটর পাওয়া,ক্লিক পাওয়া,আয় করা সবই সম্ভব হবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে।তো এবার আপনিই বলুন অনলাইন আয় কিংবা ভিজিটে বাড়ানোর জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন উপায় আছে?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে কি কি লাগবে:

আপনি যদি এসইও করা শিখতে চান তা হলে প্রথমে আপনাকে বেশ কিছু মৌলিক বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।নিচে এসকল মৌলিক বিষয় গুলো দেওয়া হল:

১। ওয়েব সাইট সম্পর্কে ধারণা
২। কী-ওয়ার্ড বাছাই করণ
৩। ব্যাক লিংক সম্পর্কে ধারণা
৪। পেজ রেংক সম্পর্কে ধারণা
৫। ওয়েব সাইট সাবমিট করা
৬। সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ভালো মানের ধারণা
৭। মেটা ট্যাগ এর ব্যবহার জানা।
৮। অন পেজ আপটিমাইজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানা ইত্যাদি।

উপরের এসকল বিষয় গুলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। তাই এসইও করার জন্য এ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরী। এই সব বিষয়ে আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করবো ।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর উপাদানঃ

  1. ডোমেইন এর নাম
  2. হোস্টিং সার্ভার
  3. ওয়েব সাইট

ওয়েব সাইটের বিষয়বস্তু

  • কি-ওয়ার্ড
  •  ট্যাগ
  • অন্যান্য  (এই গুলো অন-পেজ অপ্টিমাইজেশন এর জন্য)
  • লিংক …ইত্যাদি।(এই গুলো অফ-পেজ অপ্টিমাইজেশন এর জন্য)

প্রযুক্তির এই সময়ে সকলেই ঝুঁকে পড়ছেন প্রযুক্তিনির্ভর কাজের দিকে। বিশেষ করে আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হয়ে ওঠায় কম্পিউটার বা তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজের দক্ষতা তৈরি করে অনেকেই আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর চাহিদা রয়েছে কম্পিডউটার প্রোগ্রামিংয়ের। কম্পিউটার বিজ্ঞান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়ালেখা না করেও প্রোগ্রামিং শিখতে চাইলে দ্বারস্থ হতে পারেন অনলাইনের। অনলাইনে বিনামূল্যে প্রোগ্রামিং শেখার কার্যকরী ৪টি সাইটের কথা জানাচ্ছেন techspacebd.tk

কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা কম নয়। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে কম্পিউটারের ব্যবহার। পাশাপাশি কম্পিউটার নির্ভর কাজে দক্ষ মানুষের চাহিদাও বেড়েই চলেছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাই প্রোগ্রামিং শেখার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে নানান ধরনের প্রতিষ্ঠান, রয়েছে নানান ধরনের কোর্স। তবে শেখার আগ্রহ এবং ধৈর্য থাকলে নিজে নিজেও কোডিং শেখার কাজটি করা যায়। তার জন্য রয়েছে নানান ধরনের বইপত্র। তবে বইপত্র পড়ে নিজে নিজে শেখাটা কষ্টের বটে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইন্টারনেট এবং টেক জায়ান্টরা।

বর্তমানে অনলাইনে শিক্ষা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সব দেশেই। একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই পুরো বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। আর অনলাইনে বিনামূল্যে যারা পড়ালেখা করতে চায়, তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রোগ্রামিং শেখার জন্যও তেমনি রয়েছে নানান ধরনের অনলাইন কোর্স। ঘরে বসেই প্রাতিষ্ঠানিক গাইডলাইন অনুযায়ী পরিপূর্ণ একটি কোর্সের মাধ্যমে এইসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে শেখা যায় প্রোগ্রামিং। আর তাতে করে যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ একটি প্লাটফর্ম। এই লেখায় অনলাইন সাইটগুলোর মধ্য থেকে ৪টি ওয়েবসাইটের কথা জানানো হবে, যাদের বলা যায় কোডিং শেখার জন্য সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং আদর্শ প্লাটফর্ম।

এমআইটি ওপেন কোর্সওয়্যার

প্রযুক্তি বিষয়ক শিক্ষায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নাম ম্যাসাচুসট ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটি। বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাংকিংয়ে বরাবরই শীর্ষস্থানে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে সকলের জন্য উন্মুক্ত ওপেন কোর্সওয়্যার। ২০০১ সালে তারা চালু করে এই সেবা।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও কোডিং বিষয়ক কোর্সগুলো পরিচালিত হয় এমআইটি’র ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ থেকে। এখানকার গ্র্যাজুয়েট এবং আন্ডারগ্রাজুয়েট কোর্সের আওতায় কোডিং ও প্রোগ্রামিং বিষয়ক অনেকগুলো কোর্স রয়েছে। এসব কোর্সের মধ্যে রয়েছে ইন্ট্রোডাকশন টু কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড প্রোগ্রাম, কম্পিউটেশন স্ট্রাকচার, ইলেমেন্টেস অব সফটওয়্যার কনস্ট্রাকশন, ইন্ট্রোডাকশন টু অ্যালগরিদম, কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ ইঞ্জিনিয়ারিং, প্র্যাকটিক্যাল প্রোগ্রামিং ইন সি, ইন্ট্রোডাকশন টু প্রোগ্রামিং ইন জাভাসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উপর বিভিন্ন কোর্স। এসব কোর্সের উপর রয়েছে লেকচার ভিত্তিক টেক্সট, অডিও-ভিডিও ফাইল, বিভিন্ন প্রজেক্ট, সমস্যা এবং সেগুলোর সমাধান।

বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের যেকেউ এই কোর্সগুলো অনলাইনে সম্পন্ন করতে পারবে বিনামূল্যে। এর যেসব কোর্স ম্যাটেরিয়াল রয়েছে সেগুলো বিনামূল্যেই ডাউনলোড করা যাবে। এমআইটি’র ওপেন কোর্স ওয়্যার-এর ঠিকানা : http://ocw.mit.edu/index.htm

ইউসি বার্কলে ওয়েবকাস্ট

বার্কলেতে অবস্থিতি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বনামধন্য। এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে অনলাইন শিক্ষার সুযোগ। তারা নিয়মিতভাবেই অনেকগুলো কোর্সই পরিচালনা করে আসছে অনলাইনে। অনলাইনে এসব কোর্সের স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, লেকচার নোট, লেকচার ভিডিও প্রভৃতি পাওয়া যায়। এসব কোর্সের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে প্রোগ্রামিং। এ সংশ্লিষ্ট কোর্সগুলোতে ২০০৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কম্পিউটার বিজ্ঞানের সব ক্লাসের অডিও এবং ভিডিও লেকচারের সংগ্রহ রয়েছে এখানে। আর এসব কনটেন্ট পাওয়া যাবে একদম বিনামূল্যে। লেকচার ওয়েবকাস্টের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে এডুকেশনাল টেকনোলজি সার্ভিস। তারাই ইন্টারনেট দেখার উপযোগী করে অডিও এবং ভিডিওগুলো ধারণ করে। আর ইনফরমেশন সিস্টেম এন্ড টেকনোলজি বিভাগটি ওয়েব আর্কাইভ ব্যবস্থাপনা এবং সম্প্রচারের যাবতীয় টেকনিক্যাল বিষয়গুলো দেখাশোনা করে। এখানে রয়েছে নেটে সম্প্রচারের সুবিধার্থে অডিও-ভিডিও ধারণের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী করে তৈরি করা ক্লাসরুম। এখানে প্রতিটি লেকচারের ২ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে সেগুলো আপলোড হয়ে যায় ইন্টারনেটে। আর এসব নিজস্ব সাইট ছাড়া আইটিউনস এবং ইউটিউবেও পাওয়া যায় লেকচারগুলো।

প্রোগ্রামিং সংক্রান্ত কোর্সগুলোর মধ্যে এখানে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স: দ্য বিউটি এন্ড জয় অব কম্পিউটিং, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কমপাইলাস এবং স্ট্রাকচার এন্ড ইন্টারপ্রিটেশন অব কম্পিউটার প্রোগ্রামস। এসব কোর্সে প্রোগ্রামিংয়ের ইতিহাস থেকে শুরু করে লজিক প্রোগ্রামিং, ডাটাবেজসহ সব ধরনের প্রোগ্রামিং পাওয়া যাবে। এই সাইটের ঠিকানা : http://webcast.berkeley.edu

গুগল কোড ইউনিভার্সিটি

টেক জায়ান্ট গুগল সকলের জন্য উন্মুক্ত অনলাইন শিক্ষায় চালু করেছে গুগল কোড ইউনিভার্সিটি। এই প্লাটফর্মে রয়েছে সব ধরনের প্রোগ্রামিং এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক কোর্স। কোর্সের মূল শ্রেণীগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ওয়েব সিকিউরিটি, অ্যালগরিদম, অ্যানড্রয়েড, ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম, টুলস ২০০১ এবং গুগল এপিআই অ্যান্ড টুলস। সি++ থেকে শুরু করে রয়েছে জাভা, পাইথন, সিএসএস, এইচটিএমএল, জাভা স্ক্রিপ্ট, অ্যাজাক্স, এইচটিএমএল৫সহ সব ধরনের প্রোগ্রামিং এবং ওয়েব প্রোগ্রাম রয়েছে এর মধ্যে। এছাড়া সিকিউরিটি অ্যানড্রয়েড-এর মধ্যেও রয়েছে প্রয়োজনীয় সব প্রোগ্রামিং। আর টুলস ১০১-এর মধ্যে রয়েছে ডাটাবেজ, সফটওয়্যার কনফিগারেশন ম্যানেজমেন্ট এবং লিনাক্সের নানান কোর্স।

গুগল কোড ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন কোর্সের সব ধরনের কোর্স ম্যাটেরিয়াল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবে যেকেউ। এখানে সম্পূর্ণ নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য তো বটেও, এই বিষয়ে অভিজ্ঞদের জন্যও রয়েছে নানান কোর্স। কোর্স ম্যাটেরিয়ালের মধ্যে অডিও-ভিডিও এবং লেকচারও রয়েছে। এখানকার সব ধরনের ডক্যুমেন্ট যে কেউ বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন। আর কোডিং বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা চাইলে এখানে নতুন কোর্সও যোগ করতে পারবেন। গুগল কোড ইউনিভার্সিটির ওয়েব ঠিকানা : http://code.google.com

স্কুল অফ ওয়েবক্রাফট

ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মজিলা ফাউন্ডেশন এবং পি২পিইউ যৌথভাবে তৈরি করেছে এই ওয়েবসাইট। ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য নানান কাজের দক্ষতা তৈরিতে অনলাইনে বিনামূল্যে বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা করে আসছে এটি। বিশ্বব্যাপী সকলেই যেন খুব সহজে এবং বিনামূল্যে ওপেন সোর্সভিত্তিক বিভিন্ন কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই তৈরি করা হয়েছে এই ওয়েবসাইট।

এখানে রয়েছে এইচটিএমএল, সিএসএম, জাভা স্ক্রিপ্ট এর মতো প্রাথমিক ধাপের ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে শুরু করে পিএইচপি, পাইথন/ডিজাংগো, রুবি অন রেইলস-এর মত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার সুযোগ। প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ বিভিন্ন স্তরের মানুষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে এখানকার সংগ্রহশালা। আর এসব বিষয়ে দক্ষ যে কেউ এখানে নতুন কোর্স যোগও করতে পারবেন।

এইখানে বিভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে প্রোগ্রামিং শেখার পর সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের জন্য ‘ওপেন ব্যাজেস’ নামক বিশেষ অনলাইন সনদ প্রদান করা হবে যার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে সর্বত্র। এই সাইটের ঠিকানা : http://www.p2pu.org/en/webcraf

 [ ভাল লাগলে পোস্ট এ  অবশ্যই লাইক দিবেন , লাইক দিলে আমাদের কোনো লাভ অথবা আমরা কোনো টাকা পয়সা পাই না, কিন্তু উৎসাহ পাই, তাই অবশ্যই লাইক দিবেন । ]