Archive for the ‘রান্না রেসিপি’ Category


baby-chick-hello.thumbnailশিগগিরই বাজারে আসছে কৃত্রিম পাউডার ডিম। স্বাদে অবিকল হাঁস-মুরগির ডিমের মতো হলেও এটা আসলে সাদা রঙের গুঁড়ো পাউডার। কৃত্রিম এই পাউডার ডিম তৈরি হয়েছে মটরশুঁটি, শিম প্রভৃতি থেকে।১০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিয়ন্ড এগস’ নামে এ পাউডার ডিম বিক্রি শুরু হয়েছে। শিগগিরই এ ডিম বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে রপ্তানির পরিকল্পনা করেছেন ‘বিয়ন্ড এগস’-এর উদ্যোক্তা জস ট্রেটরিক। উদ্ভিদ থেকে ডিম তৈরির এই উদ্যোগে জস ট্রেটরিককে সাহায্য করেছেন পেপলের প্রতিষ্ঠাতা পিটার থায়েল, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার প্রমুখ।

জস ট্রেটরিক কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে জানান, বিল গেটস ও পিটার থায়েলসহ অনেকেই কৃত্রিম ডিমের তৈরি বিস্কুট খেয়ে দেখেছেন। আসল ডিমের সঙ্গে এর কোনো পার্থক্য ধরতে পারেননি তাঁরা। এতে কোনো কোলস্টেরল নেই। এ পাউডার ডিম তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হবে।

ট্রেটরিকস জানিয়েছেন, ‘খাদ্য-শিল্পে নতুন উদ্ভাবন শুরু হয়ে গেছে। প্রাণীর ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে এই উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। তবে, এক্ষেত্রে আরও গবেষণা ও কাজ বাকি বলে মনে করছেন তিনি। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় এ ধরনের কৃত্রিম ডিম যুক্ত করা যায় কিনা তা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন তিনি।


ggh.thumbnail

০১) নাটোর – —- কাঁচাগোল্লা, বনলতা সেন
০২) রাজশাহী – — আম, রাজশাহী সিল্ক শাড়ী
০৩) টাঙ্গাইল – —- চমচম, টাংগাইল শাড়ি
০৪) দিনাজপুর —- লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড়
০৫) বগুড়া – —- দই
০৬) ঢাকা—— বেনারসী শাড়ি, বাকরখানি
০৭) কুমিল্লা —– রসমালাই, খদ্দর (খাদী)
০৮) চট্রগ্রাম —– মেজবান , শুটকি
০৯) খাগড়াছড়ি—- হলুদ
১০) বরিশাল —– আমড়া
১১) খুলনা —— সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল, গলদা চিংড়ি
১২) সিলেট – —- কমলালেবু, চা, সাতকড়ার আচার
১৩) নোয়াখালী—- নারকেল নাড়, ম্যাড়া পিঠা (?)
১৪) রংপুর – —– তামাক, ইক্ষু
১৫) গাইবান্ধা – — রসমঞ্জরী
১৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — আম, শিবগঞ্জের চমচম, কলাইয়ের রুটি
১৭) পাবনা – —- -ঘি, লুঙ্গি, পাগলাগারদ
১৮) সিরাজগঞ্জ – — পানিতোয়া, ধানসিড়িঁর দই
১৯) গাজীপুর – —- কাঁঠাল, পেয়ারা
২০) ময়মনসিংহ – — মুক্তা-গাছার মন্ডা
২১) কিশোরগঞ্জ – — বালিশ মিষ্টি
২২) জামালপুর – — ছানার পোলাও, ছানার পায়েস
২৩) শেরপুর – —- – ছানার পায়েস, ছানার চপ
২৪) মুন্সীগঞ্জ—— ভাগ্যকুলের মিষ্টি
২৫) নেত্রকোনা —- – বালিশ মিষ্টি
২৬) ফরিদপুর – — খেজুরের গুড়
২৭) রাজবাড়ী —- – চমচম, খেজুরের গুড়
২৮) মাদারীপুর —- খেজুর গুড়, রসগোল্লা
২৯) সাতক্ষীরা – —- সন্দেশ
৩০) বাগেরহাট —–চিংড়ি, ষাটগম্বুজ মসজিদ, সুপারি
৩১) যশোর – —– খই, খেজুর গুড়, জামতলার মিষ্টি
৩২) মাগুরা – —– রসমালাই
৩৩) নড়াইল —– পেড়ো সন্দেশ, খেজুর গুড়, খেজুর রস
৩৪) কুষ্টিয়া – —- তিলের খাজা, কুলফি আইসক্রিম
৩৫) মেহেরপুর – — মিষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব
৩৬) চুয়াডাঙ্গা —– পান, তামাক, ভুট্টা
৩৭) ঝালকাঠি —– লবন, আটা
৩৮) ভোলা —— নারিকেল, মহিষের দুধের দই
৩৯) পটুয়াখালী —- কুয়াকাটা
৪০) পিরোজপুর —– পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি, আমড়া
৪১) নরসিংদী—— সাগর কলা
৪২) নারায়নগঞ্জ- — আইভি আফা
৪৩) নওগাঁ – —– চাল, সন্দেশ
৪৪) মানিকগঞ্জ—– খেজুর গুড়
৪৫) রাঙ্গামাটি—– আনারস, কাঠাল, কলা
৪৬) কক্সবাজার —- মিষ্টিপান
৪৭) বান্দরবান—– হিল জুস, তামাক
৪৮) ফেনী —— মহিশের দুধের ঘি, সেগুন কাঠ, খন্ডলের
মিষ্টি
৪৯) লক্ষীপুর —— সুপারি
৫০) চাঁদপুর —— ইলিশ
৫১) ব্রাহ্মণবাড়িয়া—- তালের বড়া, ছানামুখী,
রসমালাই
৫২) মৌলভিবাজার — ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা


রমজান মাসের অন্যতম প্রধান খাবার ছোলার ডাল বা ছোলা। উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ছোলায় রয়েছে জ্বর ভালো করার ক্ষমতা।

আর কাঁচা ছোলার ক্ষমতা রান্না ছোলার চেয়েও বেশি। কারণ, পানিতে ভেজানো ছোলায় ভিটামিন-বি-এর পরিমাণ বেশি থাকে। ভিটামিন-বি বেরিবেরি রোগ, মস্তিষ্কের গোলযোগ, হূৎপিণ্ডের দুর্বলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ছোলায় ভিটামিন-সিও রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ঝাল, তেল, মসলা দিয়ে রান্না করা ছোলার চেয়ে কাঁচা ছোলার পুষ্টি বেশি। রান্না ছোলায় যত কম তেল, মসলা দেওয়া যায়, ততই ভালো। ছোলা কৃমিনাশক হিসেবেও কাজ করে। ভিনেগারে সারা রাত ছোলা ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে কৃমি মারা যায়।
যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। শ্বাসনালিতে জমে থাকা পুরোনো কাশি বা কফ ভালো হওয়ার জন্য কাজ করে শুকনা ছোলা ভাজা। ছোলা বা বুটের শাকও শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ রয়েছে এই ছোলায় ও ছোলার শাকে। ডায়াটারি ফাইবার খাবারে অবস্থিত পাতলা আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাই শুধু রমজান মাস নয়, ১২ মাসেই ছোলা হোক আপনার সঙ্গী।

ডা. ফারহানা মোবিন
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ২৪, ২০১১


আচার জিনিসটা মনে হয় বেশির ভাগ মানুষেরই পছন্দের খাদ্যতালিকায় একেবারে প্রথম দিকে থাকে। আমারও খুব পছন্দের, তবে মিষ্টি আচার।

আমের মোরব্বা:
যা যা লাগবে………….আম দুই কেজি, চিনি এক কেজি, গরম মশলা (এলাচি, দারচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা)।

ভেতরে অল্প আটি বেধেছে এমন কাঁচা আম মোরব্বার জন্য সবচেয়ে ভাল। প্রথমে আম গুলোকে পুরু করে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপরে মাঝখান দিয়ে দুই টুকরো করে আটি ফেলে দিয়ে ভাল করে কেচতে হবে খেজুর কাটা বা টুথপিক কিংকা কাটা চামচ দিয়ে। আমি খেজুর কাটা দিয়ে কেচতে গিয়ে একবার আমের বদলে নিজের আঙ্গুলটাই কেচে ফেলেছিলাম, তাই এখন আর ও মুখো হই না।

কাটা চামচে ব্যবহার করি।
আম সব ভাল করে কেচা হলে প্রথমে চুন গোলা পানিতে ঢুবিয়ে রাখতে হবে। তিন ঘন্টা পরে পানি ফেলে দিলে আবার লবন গোলা পানিতে ঢুবিয়ে রাখবেন। এভাবে তিন ঘন্টা পরে পরে লবন পানি চেঞ্জ করে দিতে হবে। এভাবে পুরো দু দিন আমা লবন পানিতে রাখতে হবে, এতে টক ভা টা চলে যাবে।

এরপরে চার কাপ পানিতে চিনি এবং গরম মশলা দিয়ে জ্বাল দিতে থাকবেন, সিরা একটু ঘন হয়ে আসলে আম গুলো ছেড়ে দিতে হবে ওর মধ্যে। ৫/৬ মিনিট জ্বাল দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। পরের দিন আবার এমন করে ৫/৬ মি: জ্বাল দিন, হালকা করে আম গুলো নেড়ে চেড়ে দিন। খেয়াল রাখতে হবে যেন বেশি সময় জ্বাল না হয়, তাহলে গলে যেতে পারে। এভাবে তিন দিন জ্বাল দিয়ে পরে বয়ামে ভরে রোদে দিন। দু তিন দিন রোদের দিলেই রেডি হয়ে যাবে মজার আমের মোরব্বা।

আমের কাশ্মিরী আচার:

আম গুলোকে লম্বা লম্বা করে আধ ইঞ্চি পুরু করে কেটে নিন। আগের মতোই প্রথমে চুন পরে লবন গোলা পানিতে ঢুবিয়ে রেখে টকটা দূর করে নিন।

চিনির সিরা তৈরির পদ্ধতি আগের মতোই, বাড়তি যে মশলা দুটো যোগ করতে হবে সেগুলো হলো আদা আর শুকনা মরিচ। শুকনা মরিচ গুলো বোটার দিকে কেঁচি দিয়ে কেটে ফেলুন, তারপর হালকা করে চাপ দিলেই ভেতরে বীজ গুলো বের হয়ে আসবে।

বীজ ফেলে দিয়ে মরিচ গুলোকে কেচি দিয়ে গোল গোল ছোট ছোট টুকরো করে কেটে লেবুর রসে ঢুবিয়ে রাখেন। আর আদা পাতলা পাতলা গোল করে কেটে চিনির সিরার সাথে মিশিয়ে দেবেন প্রথম থেকেই। এরপরে সিরা মোটামুটি ঘন হয়ে আসলে আমা আর মরিচের টুকরো মেশাবেন। আগের পদ্ধতিতেই জ্বাল প্লাস রোদে দেবেন।

করমচার আচার:

করমচা দু ভাগ করে বিচী ফেলে দিতে হবে। এরপরে লবন গোলা পানিতে একদিন ডুবিয়ে রাূন। হবুহু আমের কাশ্মিরী আচারের পদ্ধতিতেই বানানো যাবে।

আম রসুনেরট টক আচার:

আম ছোট ছোট টুকরো করে কেটে একটু হলুদ মাখিয়ে রোদে একদিন শুকাতে হবে।

পানি মোটামুটি শুকিয়ে আসলে রসুন বাটা আর বেশি করে সরিষা বাটা দিয়ে আরেক দিন রোদে দিতে হবে।
এরপরে বয়ামের ভরে আস্ত শুকনা মরিচ, আস্ত রসুনের কোয়া (এক কেজি আমে ৫/৬টা) দিয়ে,

সরিষা তেলে হালকা গরম করে ঢেলে দিতে হবে, যেন আমের টুকরো তেলে ঢুবে থাকে। এর পরে রোদে দিনে ৪/৫ দিন।

খোসা সহ আমের আচার:

আম ভাল করে ধুরে খোসা সহ চৌকা চৌকা ছোট টুকরো করে নিতে হবে।

হলুদ মাখিয়ে রোদে একদিন রেখে পানি শুকাতে হবে।

এরপরে কড়াইতে পরিমান মতো সরিষা তেল নিয়ে এতে আদাবাটা, রাসুন বাটা, পাঁচফোড়ন বাটা, লবন দিয়ে তাতে আম ছেড় দিন।

ভাল করে কষান, খুন্তি দিয়ে আম গুলো একটু ভাঙ্গা ভাঙ্গা করে দিতে হবে। আমা একটু গলে আসলে উঠিয়ে ফেলুন চুলো থেকে, এরপরে বিয়ামে ঢেলে গরম সরিষা তেল দিয়ে ঢুবিয়ে দিন। তারপরে রোদে দিতে হবে ৫/৬ দিন।

আমের জেলি:
পাকা আম এক কেজি নিয়ে খোসা ফেলে আম গুলো ডুবো পানিতে সিদ্ধ করবেন। পানি শুকিয়ে অর্ধেক হয়ে আসলে আম গলো তুলে রস বার করে মোটা ছাকনিতে ছেকে নিন যাতে আশ গুলো রসে না আসে।এরপরে আধকেজি চিনি দিয়ে আমের রস আর সিদ্ধকরা পানি চুলোয়ে বাসন।
ফুটে উঠে যখন সাদা ফেনা উঠবে তখন এরমধ্যে দুই টেবিল চাম লেবুর রস দিয়ে নাড়তে থাকবেন।

এভাবে ১০/১২ মি: জ্বাল করে দেখতে হবে জেলি হলো কিনা। এটা চেক কারা সহজ একটা সিস্টেম আছে। এক কাপ পানিতে কয়েক ফোটা জেলি ফেলতে হবে, জেলী হয়ে গেলে সেটা নিচে জমা হবে, না হলে পানিতে মিশে যাবে বোঝা যাবে না।
রস ঘন হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন, একটু ঠান্ডা হলে শুকনো বয়ামে ঢেলে ফেলুন।

আম গুড়ের মিষ্ট আচার:
আটি শক্ত হয়েছে এমন আম নিতে হবে এই আচারের জন্য।

আম খোসা ফেলে টুকরো টুকরো করে কেটে নিতে হবে আটি সহ।

এরপরে হাড়িতে গুড় জ্বাল দিয়ে সিরা বানিয়ে এতে আমারে টুকরো, পাচঁ ফোরনের গুড়ো, থেতো করা রসুন, রিমান মতো লবন দিয়ে কসাতে হবে।

আমা গুলোকে ঘুটে গলাতে হবে। এরপরে বড় ট্রেতে ঢেলে রোদে দিন। শিকিয়ে আসলে গলা আম গুলোকে নিয়ে আটির টুকরো গুলোর সাথে মুঠি করে করে লাগিয়ে দিন, তারপর আবার রোদে দিন।

এত সব আচারের রেসিপি জিবের জল আটকে কষ্ট করে পড়ার জন্য একটা বোনাস রেসিপি

আমের আইসক্রীম:

যে জিনিস গুলো লাগবে ………….

তরল দুধ ৩ কাপ
ঘন দুধ ১ কাপ
ডিমের কুসুম তিনটা(ভাল করে ফেটে নিতে হবে)
চিনি পরিমান মতো
আইসিং সুগার ৩ টেবিল চামচ
চিনি
আমের রস আর ছোট ছোট টুকরো দুই কাপ।

প্রথমে দুধ চিনি আর ডিম মিশিয়ে জ্বাল করুন। এরপরে মোটামুটি ঘন হয়ে আসলে এতে কর্নফ্লাওয়ার গুলো মিশিয়ে আবার ফোটান। ঠান্ডা হয়ে আসলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। এই মিশ্রনটা আধা আধি ভাবে জমাট বাধলে বের করে এতে আমের রস আর টুকরো, ঘন দুধ, আইসিং সুগার মিশিয়ে বিটার দিয়ে ভাল করে বিট করে আবার ফ্রিজে জামতে দিন। আধা ধি জমলে আবার বের করে ক্রীম মিশিয়ে বিটার দিয়ে বিট করে আইসক্রীমের ছাচে ঢেলে ডিপে জমান।

যারা এই পোস্ট পড়ে আমার বাসায় বেড়াতে আসার পরিকল্পনা করছেন তাদের সবার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি, “আমি বাড়িতেই নেই !!!