Archive for the ‘সেক্স’ Category


sk1.thumbnailশুক্রাণুর নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে শাক-সবজি সুস্থ সবল শুক্রাণু তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ পাবলিক হেলথের গবেষকরা দাবি করেছেন, গাজর একাই ডিম্বাণুর দিকে শুক্রাণুর গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। গাজরের সঙ্গে লেটুস, পালংও বাড়িয়ে দিতে পারে শুক্রাণুর গতি।

গাজর, লেটুস, পালংয়ের মত সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন নামের এক জাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডান্ট থাকে। গবেষকদের মতে এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ডিম্বাণু অভিমুখে শুক্রাণুর গতি ৬.৫% থেকে ৮% বাড়িয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে, টম্যাটোর মধ্যে লাইকোপেন নামক এক ধরনের প্রোটিন থাকে। টম্যাটোর লাল রংয়ের জন্য দায়ি এই প্রোটিন। লাইকোপেন অস্বাভাবিক আকৃতির শুক্রাণুর উৎপন্নকে প্রতিহত করে।


ওরাল সেক্স বা মুখ মেহন থেকে সাবধান! এ থেকে মুখ ও গলায় ক্যানসার হতে পারে। হলিউড অভিনেতা মাইকেল ডগলাস এ কথা জানিয়েছেন।

মাইকেল ডগলাস দাবি করেন, থ্রোট ক্যান্সারে তিনি প্রায় মরতে বসেছিলেন। যৌনসঙ্গীর সাথে ওরাল সেক্স করতে গিয়েই তিনি এ অসুখ বাঁধিয়েছিলেন।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা এইচপিভির কারণে সার্ভাইক্যাল ক্যানসার বা জরায়ু মুখের ক্যানসার হয়ে থাকে। কিন্তু এখন তা মুখ ও গলার ক্যানসারের জন্যও দায়ী। এ ধরনের ঘটনা ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে।

ক্যানসার রিসার্চ ইউকের ডক্টর ক্যাট আর্নি বিবিসির টু ডে প্রোগ্রামের সারাহ মন্টেগুকে বলেন, নতুন পার্টনারের সাথে যৌনকর্ম করতে গেলে ঝুঁকি থাকবেই। তবু আমরা মানুষকে আনন্দ উপভোগ থেকে ভয় দেখিয়ে বিরত রাখতে চাই না। সূত্র: বিবিসি

ওরাল সেক্স বা মুখ মেহন থেকে সাবধান! এ থেকে মুখ ও গলায় ক্যানসার হতে পারে। হলিউড অভিনেতা মাইকেল ডগলাস এ কথা জানিয়েছেন।মাইকেল ডগলাস দাবি করেন, থ্রোট ক্যান্সারে তিনি প্রায় মরতে বসেছিলেন। যৌনসঙ্গীর সাথে ওরাল সেক্স করতে গিয়েই তিনি এ অসুখ বাঁধিয়েছিলেন।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা এইচপিভির কারণে সার্ভাইক্যাল ক্যানসার বা জরায়ু মুখের ক্যানসার হয়ে থাকে। কিন্তু এখন তা মুখ ও গলার ক্যানসারের জন্যও দায়ী। এ ধরনের ঘটনা ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে।

ক্যানসার রিসার্চ ইউকের ডক্টর ক্যাট আর্নি বিবিসির টু ডে প্রোগ্রামের সারাহ মন্টেগুকে বলেন, নতুন পার্টনারের সাথে যৌনকর্ম করতে গেলে ঝুঁকি থাকবেই। তবু আমরা মানুষকে আনন্দ উপভোগ থেকে ভয় দেখিয়ে বিরত রাখতে চাই না। সূত্র: বিবিসি – See more at: http://www.bengalinews24.com/lifestyle-health-&-treatment/2013/06/04/6376#sthash.LeZx3G1a.dpuf


imagesবিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ব্যায়াম করার চেয়ে নিয়মিত সেক্স লাইফ ভাল। যদি আপনি নিজেকে ফিট, সুন্দরী ও এবং কম বয়সী হিসেবে দেখতে চান তাহলে আপনার জন্য নিয়মিত যৌনজীবন খুবই দরকারি।একটি স্কটিশ গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষের মতো উন্নত যৌন জীবন নারীদেরকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তোলে। এতে নারীদের ত্বক আরো মসৃণ ও সতেজ হয়। যখন আপনি দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকেন, তখন আপনার শরীর থেকে তিন ধরনের হরমন কাজ করে।

স্কটিশ ঐ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের মতে, এই তিন ধরনের হরমোন সূর্যের তাপ থেকে শরীরের ত্বকে যে ক্ষতগুলো হয় তা পূরণ করে দেয়।

এছাড়াও এ সময় যে ঘাম বের হয় তার মাধ্যমে একধরনের এসিড বের হয়ে যায়, যেটা সুন্দর মলিন ঠোট ও উজ্জ্বল চোখ তৈরিতে ভূমিকা রাখে।


kegel-excersize.thumbnailকেগেল ব্যায়াম যেই নামেই বলুন না কেন এই ব্যায়াম পুরুষ – মহিলাদের উভয় লিঙ্গের জন্যই। আপনি হয়তো ভাবছেন শুধু মহিলাদের জন্য হয়। আসলে তা নয়। মহিলারা এই ব্যায়াম থেকে যতটা সুবিধা লাভ করতে পারেন, পুরুষরাও ঠিক ততটা সুবিধা নিতে পারবেন। কেগেল ব্যায়াম শ্রোণী মেঝের পেশী সুসংগঠিক করে মূত্রসংবহনতন্ত্র, বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথের কার্যপ্রণালী জোরদার করে এবং যৌনক্রিয়া ক্ষমতাকে উন্নিত করতে পারে। মহিলাদের মত পুরুষেরাও যখন তখন এই ব্যায়াম করতে পারেন। কিন্তু সবারই উচিত ব্যায়ামটি করার আগে সঠিক মাংশপেশী সনাক্তকরণ এবং সঠিক পন্থা জেনে নেয়া। কেজেল ব্যায়াম পুরুষদের পেলভিস ফ্লোরের মাসল শক্তিশালী করে যখন তখন প্রস্রাবের বেগ, ঠিক মতো প্রস্রাব না হওয়া সহ আরো অনেক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে পুরুষদের জন্য কেজেল ব্যায়াম যৌনমিলনের সময় লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা, অকাল বীর্যপাত, দ্রুত বীর্যপাতের মত সমস্যারও সমাধান দিতে পারে।পুরুষেরা কিভাবে কেজেল ব্যায়াম করবেন পেলভিস ফ্লোর মাসল অর্থাত শ্রোণী মেঝের পেশী খুঁজে বার করা এবং সেটা কিভাবে সংকুচন/প্রসারন করবেন- সেটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও অসম্ভব কিছু নয়। ব্যায়ামের আগে ঠিকমতো প্রস্রাব করে নেবেন। প্রথম দিকে উচিত হবে মেঝেতে শুয়ে এই ব্যায়াম করা। মেঝেতে শুয়ে পেলভিস ফ্লোর মাসল ৩ সেকেণ্ড সংকুচন করে রাখুন, তারপর ৩ সেকেণ্ড প্রসারণ করে রাখুন। এভাবে টানা কয়েকবার করবেন। তবে খুব বেশী না। মাসল ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে শুরু করলে বসে, দাঁড়িয়ে বা চলন্ত অবস্থায়ও করতে পারবেন। অনেকেই ভুল করে পেটের বা তলপেটের, উরু, এবং নিতম্বের পেশী সংকুচন করে ফেলেন। এটা ঠিক নয়। দম বন্ধ বা ধরে রাখবেন না। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন।তলপেটে চাপ পড়ে এমন কিছু কাজকর্মের সময়ও (যেমন হাঁচি, কাশি, হাসা, ভারী বস্তু উত্তোলন) আপনার পেলভিস ফ্লোর মাসল সংকুচন হতে পারে। এছাড়া যৌনমিলনের সময় পেলভিস ফ্লোর মাসল সংকুচন করে লিঙ্গ আরো অধিকক্ষণ উত্থিত রাখতে পারেন বা অকাল বীর্যপাত রোধ করতে পারেন। সমস্যা হলে- ব্যায়াম করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে সাহায্য চাইলে কার্পণ্য বা লজ্জা করবেন না। নিকটস্থ স্বাস্থ্যসেবা বা ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করবেন যাতে তারা আপনাকে সঠিক পেশী সনাক্তকরণ এবং ব্যায়ামের পদ্ধতি শিখিয়ে দিতে পারেন।


image_6048.thumbnailছেলেদের বুকের পশম দিয়ে তৈরী করা হয়েছে জ্যাকেট; এবং তা এখন বিক্রির জন্য বাজারে। নাহ, গল্প নয়, সত্যিই এমনটি হয়েছে ইংল্যান্ডে।

এর মূল্য ২৫০০ বৃটিশ পাউন্ড। নাম দেওয়া হয়েছে “চেস্ট কোট”।

মেয়েরা এই জ্যাকেটটি উপভোগ করবে বলে আশা করছে ডিজাইন হাউজ। তবে কত পূরুষের কত লক্ষ বুকের পশম দিয়ে তৈরী এই বিশেষ জ্যাকেট তা জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।


online-servay1আপনার ব্যবহারের কারণেই আপনার বান্ধবী ব্রেক আপের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কাজেই দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়াতে চাইলে কয়েকটি বিষয়ের ওপর আলাদা করে আপনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।সবকিছু চাপিয়ে দেওয়া: আপনার স্বভাব যদি হয়, সবকিছু প্রেমিকার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার। তাহলে সে স্বভাব সময় থাকতে বদলে ফেলুন। প্রেমিকার ওপর সবসময় আপনার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না। তাকে তার মতো করে ভাবতে দিন। নয়লে কখনো যদি মনে হয়, আপনার সঙ্গে সময় কাটাতে তার দম বন্ধ হয়ে আসে। তাহলে সে ব্রেক আপে যাওয়াই শ্রেয় মনে করবে।

সবসময় আঠার মতো লেগে থাকা: সব সময় তার ওপর নজরদারি করবেন না। আপনার অতিমাত্রার সিরিয়াসনেস আসলে অতিমাত্রায় বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। ঘন ঘন ফোন দেওয়া। সবকিছুর কারণ জানতে চাওয়া, এসব বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন।

অতি নির্ভরশীল হওয়া: আপনি আপনার প্রেমিকার ওপর অতি নির্ভরশীল হলে জেনে রাখুন, অতি নির্ভরশীল ছেলেদের মেয়েরা পছন্দ করে না। সম্পর্কের শুরুতে হয়ত ঠিক আছে। কিন্তু আস্তে আস্তে তাকে বোঝাতে হবে যে আপনি আত্মবিশ্বাসী। যে কোন বিপদে প্রেমিকার পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আপনার আছে।

অতৃপ্ত যৌন জীবন: সারাদিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে যান। প্রিয়তম স্ত্রীর সাথে হালকা-পাতলা খুনসুটি করেই আপনি ক্লান্ত। অথবা আপনাদের যৌন জীবনে আপনার আগ্রহ একেবারেই কম। তাছাড়া স্ত্রীও এসব বলতে চায় না। এক্ষেত্রে এই একাকীত্ব মেনে নেওয়া মেয়েদের পক্ষে অসম্ভব। প্রেম-ভালবাসার কমতি মেয়েরা মেনে নিতে পারে না।

পরস্ত্রীকাতর: আপনি যদি পরস্ত্রী কাতর হন, তাহলে আপনার সম্পর্কে বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হবে এমন আশা করা ভুল। আপনি আপনার বান্ধবীর কাছে অন্য মেয়েদের প্রশংসা বেশি করবেন না। বন্ধুর স্ত্রীদের তো নাই।


দূর ছাই! কিচ্ছু মনে থাকে না। স্মৃতিশক্তিটা কি কমে গেল? নিজেদের প্রতি এ জাতীয় অভিযোগ আমরা হরহামেশাই করে থাকি। আর বয়স হলে আরও বেশি করি। আবার অনেকেই আছেন যারা সুস্থ তীক্ষষ্ট মস্তিষ্ক নিয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকেন। শেষ দিনটি পর্যন্ত মেধা আর অটুট স্মৃতিশক্তি বলে কাজ করে যান মানুষের জন্য। কি করে সম্ভব হয়? তীক্ষষ্ট মেধা, অটুট স্মরণশক্তি মানুষের জন্মগত বৈশিষ্ট্য হলেও এগুলো অক্ষুণ্ন রাখাও মানুষেরই কাজ।

স্মৃতিশক্তি কমে কেন

মস্তিষ্কের কোষগুলোর কর্মক্ষমতা কমে গেলে স্মৃতিশক্তি কমে যায়। কমে যায় চিন্তা করার স্বাভাবিক ক্ষমতা। দেহের কোষগুলোতে শক্তি উত্পাদনের জন্য প্রতিনিয়ত সংগঠিত হচ্ছে বিভিন্ন জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এসব জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কোষগুলোতে কিছু ক্ষতিকর যৌগ তৈরি হয়। এ যৌগগুলো কোষের কর্মক্ষমতা নষ্ট করে দেয় এবং এক পর্যায়ে কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। ফলে আমরা বার্ধক্যের পথে এগিয়ে যাই। একই ব্যাপার মস্তিষ্কের কোষগুলোতেও ঘটে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের কোষগুলোও বুড়িয়ে যায়। হারিয়ে ফেলে তার স্বাভাবিক ক্ষমতা। আমাদের স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করে। এছাড়া কোনো কারণে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে মস্তিষ্কের কোষগুলোর কর্মক্ষমতা কমে যায়। হৃিপণ্ড থেকে শতকরা ২০ ভাগ রক্ত সরাসরি মস্তিষ্কে যায়। রক্তের কোলেস্টেরল বা অন্য কোনো কারণে ধমনীর প্রাচীর সরু হয়ে গেলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বিঘ্নিত হয়। দেখা গেছে, যারা হৃদরোগী তারা সাধারণত ভুলোমনা হয়ে থাকে। একই কারণে স্ট্রোক করলে মানুষের স্মরণশক্তি এবং চিন্তাশক্তিও দারুণভাবে কমে যায়।

আর দুশ্চিন্তা নয়

দুশ্চিন্তা বা টেনশনে মানুষের অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে গ্লুকোকরটিকয়েড নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন মস্তিষ্কের কোষগুলোকে দ্রুত আক্রান্ত করে। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। সুস্থ মস্তিষ্ক আর শাণিত মেধা নিয়ে বেঁচে থাকুন দীর্ঘ দিন।

ইতিবাচক চিন্তা করুন

নেতিবাচক চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগটা খুব গভীর। তাই মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজে।

ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ করুন

ক্রোধ বা রাগ মন ও মস্তিষ্কের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

মেডিটেশন করুন

নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর। মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন

সারাক্ষণ কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুমান। দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হবে।

বুঝেশুনে খাবার খান

বুঝেশুনে খাবার খেলে যদি ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়, হৃদযন্ত্র সচল রাখা যায় তাহলে মগজকে কেন শাণিত করা যাবে না? অবশ্যই যাবে। চাই খাদ্য সচেতনতা। এ ব্যাপারে প্রথম পরামর্শ হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের ক্ষতিকর জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উত্পন্ন ক্ষতিকর যৌগগুলোকে ভেঙ্গে ফেলে। ফলে কোষগুলো থাকে কর্মক্ষম আর তারুণ্যদীপ্ত। তাছাড়া অ্যান্টঅক্সিডেন্ট শিরা-ধমনীর স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়, হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ফলে হৃিপণ্ড সচল, মগজটাও টনটনে। প্রাণীজ আমিষ খেয়ে শরীরে হিমোসিস্টিন নামক এক ধরনের অ্যামাইনো এসিড উত্পন্ন হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ হিমোসিস্টিন উত্পাদনের প্রক্রিয়াও বেড়ে যায়। এ হিমোসিস্টিন ধমনীর প্রাচীরে জমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাই মাছ-মাংস পরিমিত খাওয়াই সঙ্গত।

তাহলে কী খাবেন?

আগেই বলা হয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো খাবার। মূলত ভিটামিন-ই এবং সি হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন। দুধ, কলিজা, সয়াবিন, সবুজ শাক-সবজি, ফলমূলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। সমপ্রতি পশ্চিমা গবেষকরা নির্দিষ্ট কিছু খাবারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছেন। এগুলো হলো পালং শাক, ব্লুবেরি এবং স্ট্রবেরি। সয়াবিন আর রসুনের প্রতিও তারা আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের যুক্তিটা হলো রসুন-সয়াবিন রক্তের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে ধমনীর মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচল সুষ্ঠু হয় এবং মস্তিষ্কের কোষগুলোও সচল থাকে। বিজ্ঞানীরা ফলিক এসিডসহ ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সের অন্যান্য ভিটামিনের প্রতিও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন একই কারণে। বিশেষ করে হিমোসিস্টিন দূর করতে ভিটামিন বি-১২ এর জুড়ি নেই।

মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মস্তিষ্ক, যা তাকে আর সব প্রাণী থেকে শ্রেষ্ঠ করে রেখেছে। মস্তিষ্কের তাই যত্ন নেয়া চাই। মেধা, মনন, বুদ্ধি—এসবই হলো সুস্থ মস্তিষ্কের ফসল। সঠিক চিন্তা, সুস্থ জীবনাচরণ, সুষম খাবার—এ হলো সুস্থ মস্তিষ্কের মূলমন্ত্র।

ডা. গোলজার হোসেন উজ্জ্বল
চিকিত্সক ও স্বাস্থ্য নিবন্ধকার

http://finddoctors.info


Perfume-66570_1.pngআজ আলোচনা করা হবে সুগন্ধি নিয়ে। (দ্রষ্টব্য : এই লেখা কোনোক্রমেই ডাক্তারি কোনো ব্যবস্থাপত্র নয়, সাম্প্রতিক গবেষণালব্ধ তথ্য-উপাত্তের উপস্থাপনামাত্র)। আমাদের সমাজে যৌণবিষয়ক আলোচনা যেন ব্রাত্য। কিন্তু দাম্পত্য জীবনে যৌণ রোগ একটি বড় সমস্যা। এ বিষয়ে সম্যক জ্ঞানের অভাব দাম্পত্য জীবনে কলহ ডেকে আনতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিবাহ-বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটাতে পারে। সংসারে নিত্য মন কষাকষিতো আছেই। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌণতার সম্পর্ক স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু এ ক্ষেত্রে দুজনের কারো যদি সমস্যা থেকে থাকে সেটার জন্য ব্যবস্থা নেয়া আবশ্যক। অনেকের শারিরীক সমস্যা না থাকলেও এ ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে পারেন। ধরুন, আপনি আপনার সঙ্গীর কাছে বসলেন, কিন্তু তার মুখ থেকে রেরিয়ে এলো উৎকট দূর্গন্ধ। মুহুর্তেই কিন্তু সব ইচ্ছে উবে যাবে। অথচ একটু সচেতন হলে, নিজেকে দূর্গন্ধমুক্ত করে নিলেই কিন্তু ল্যাঠা চুকে যেতো। আর বিশেষ ধরণের সুগন্ধিও কিন্তু এ ক্ষেত্রে তেলেসমাতির মতো কাজে দেয়। মন ফুরফুরে করে। তবে সাবধান, দুর্গন্ধ ঢাকতে যেন সুগন্ধি না মাখেন। খোশবু, ঘ্রাণ, মনোহর আঘ্রাণ, আতর-সেন্ট, পারফিউম, সুগন্ধি- যে নামেই ডাকুন না কেন-মানুষের জীবনে এর বিস্ময়কর ভূমিকা রয়েছে। আমাদের বাহ্যিক জ্ঞান লাভের জন্য পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের (চক্ষু-কর্ণ-নাসিকা-জিহ্বা ও ত্বক) একটি হলো নাসিকা বা নাক। শ্বাস-প্রশ্বাসের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এটি ঘ্রাণেন্দ্রিয়। এই ইন্দ্রিয় আমাদের শরীরের জন্য উপকারি বিষয়-আশয় নির্ধারণ করতে অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের সহায়ক। মনোমুগ্ধকর ঘ্রাণ পেলে সকল জাতির, সকল বয়সের মানুষের মন আনন্দে নেচে ওঠে! সুগন্ধির মূল রসায়ণ কি আসলে? বা কেন সুগন্ধি আমাদের এতটা মুগ্ধ করে? সুগন্ধির রসায়ন শুরু হয় আমাদের নাক থেকে, তাই কি? আসলে এর মূল প্রোথিত আরও গভীরে। সুগন্ধিতে উদ্বায়ী পদার্থ ব্যাবহার করা হয় যা ধর্মমতে সাধারণ তাপমাত্রায় দ্রূত উবে যায়, আর তাই সুগন্ধি ব্যাবহারের সাথে সাথে তার গন্ধ ছড়িয়ে পরে এই উদ্বায়ী অনু আমাদের নাকের ভিতর দিয়ে যেয়ে আমাদের গন্ধ সংবেদনশীল কোষে পৌঁছে যায় ও এদের লক্ষ লক্ষ অনু আমাদের কোষের রিসেপটরকে উজ্জীবিত করে মেমরি সেল তৈরি করে। তাই এটা আমাদের স্মৃতিতে জড়িয়ে যায়। আমাদের নাকের রিসেপটর সংখ্যা ১০০ যা আমাদের জিনের ১ %। অথচ চোখের রিসেপটর মাত্র ৩টি। মজার ব্যাপার হলো পারফিউম এ কারণেই আমাদের উজ্জীবিত করে মনে করিয়ে দেয় আমাদের মিলন বা বিচ্ছেদের স্মৃতি, আর এই রসায়নকে কাজে লাগিয়ে সেক্স আ্যাপিল পারফিউমগুলো কাজ করে। প্রাচীন কাল থেকে মানুষ সুগন্ধি ব্যাবহার করে আসছে নিজেদের শরীরের গন্ধ লুকাতে,মানুষের ভিন্ন ভিন্ন রসায়ণের জন্য মানুষভেদে একই সুগন্ধি ভিন্ন ভিন্ন সৌরভ ছড়ায়। (বিস্তারিত…)


483537_437254906369043_1315323029_nশরীরে প্রথম অজানা ডাকের উঁকিঝুঁকি আসতেই বইয়ের পাতায় লুকিয়ে চিলছাদে এককোণে দুপুর কাটানো। অথবা ফাঁকা বাড়িতে লুকানো সিডিতে বন্ধুরা মিলে উষ্ণতা শিখে নিতে চাওয়া। শরীর চেনা-জানার প্রথম পাঠ তো বোধহয় পর্নোগ্রাফির হাত ধরেই আসে। এমনিতে ছেলেদের দিকে পাইকারি আঙুল উঠলেও শরীর আনচান বয়ঃসন্ধির মেয়েরাই বা লুকিয়ে কম কি নগ্নছবির পাতা উলটেছে? প্রাথমিক অজানাগুলো কেটে যেতে যেতে আমরা এক সময় উপলব্ধি করি পর্নোগ্রাফির বিজ্ঞানসম্মত দিক। এভাবে যৌনজীবন নিয়ে নানান ভ্রান্তি কাটার সময়ের সঙ্গেই সঙ্গেই নীল ছবি ডিপ্রেশনের সঙ্গী হয় মাত্র, যার কোনও বাজে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কিন্তু সত্যিই কি নেই?
বর্তমান একটি রিপোর্ট বলছে, নীল ছবির আকর্ষণ বয়ঃসন্ধির ওই সময়টুকু ছাড়িয়ে যদি দৈনন্দিন জীবনের আনন্দপূরণের চাহিদা হিসেবে থেকে যায় তবে তো সমূহ বিপদ। পুরুষ-নারী, দু’পক্ষেরই অতিরিক্ত পর্নোপ্রেম ডেকে আনতে পারে সম্পর্কের প্রতি আসক্তিহীনতা থেকে শুরু করে মুহুর্মুহু ভেঙে বেরিয়ে আসার প্রবণতা। আধুনিক জটিল জীবনের আরও নানা অভিশাপের পাশাপাশি এও এক গোপন ব্যাধি বলে ভয় দেখাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। আর এরই সঙ্গে সম্পর্ককে যান্ত্রিক করে তুলছে নানান গ্যাজেটের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা। আসলে পর্নোগ্রাফি পড়ার চেয়ে দেখার কুফলটাই বেশি, এমনটাই বলছে সেই রিপোর্ট। আর নানান গ্যাজেট হাতে হাতে ঘোরার ফলে পর্নোগ্রাফিও ঢুকে পড়েছে সেসবের মধ্যে। দুয়ে মিলে জীবন ওষ্ঠাগত হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট!

আসলে জীবনের বাস্তবিকতা ভুলে ফ্যান্টাসিতে সম্পর্ক নিমগ্ন রাখতে চাইলে অবিলম্বে ফাটল ধরবেই। ঠিক এখানেই বিপদ ঘটাচ্ছে পর্নোগ্রাফি। দেখা যায়, বেশি বয়স অবধি নারীসঙ্গে বঞ্চিত পুরুষদের মধ্যে পর্নোগ্রাফির প্রতি আকর্ষণ তুলনামূলক অনেক বেশি। যৌনজীবনের কল্পনায় এঁরা নীল ছবিকেই মাথায় রাখেন। কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে মিল না খেতে খেতে ফল হয় উল্টো। আবার এই ধরনের পুরুষ স্ত্রী বা প্রেমিকার কাছে বিশ্বাসযোগ্যতাও হারিয়ে ফেলেন অধিক উত্তেজিত যৌনেচ্ছার কারণে। অন্যদিকে আবার সেক্সকে প্রায় জলভাত করে ফেলা এই অস্থির প্রজন্ম ভীষণভাবে পর্ন-অ্যাডিক্ট। এই অ্যাডিকশন যৌন ক্ষিদে মুছে ফেলতে সক্ষম। পাশাপাশি, পর্নোগ্রাফিতে দেখা জুটির প্রফেশনাল চরিত্র না বুঝেই সঙ্গী বা সঙ্গীনির বদলে তাকে কামনা করে যে শারীরিক মিলন ও এক সময় একঘেয়েমি অনুভব করা, তা থেকে সম্পর্কের গভীরতা ফিকে হতে বাধ্য।

সেক্স বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রজন্মের মধ্যে এমন প্রবণতা বেড়েছে যে তারা পার্টনারের প্রতি মনে মনে এই বিশ্বাসঘাতকতা থেকেই হারিয়ে ফেলছেন উষ্ণতা। এই ডিপ্রেশন থেকে উর্বরহীনতা আসা এমন কিছু অবাস্তবও নয়। পর্নোগ্রাফির আর একটি দোষ হল, অল্প সময়ে উত্তেজনার সব চাহিদাটুকু মিটিয়ে ফের টেবিল গুছিয়ে কাজে লেগে পড়া। সম্পূর্ণ যৌনতা কিন্তু তা বলে না। অর্গ্যাজম হোক বা না হোক, শরীর-মনের প্রশান্তির সময়টুকু যেন একেবারে নিখাদ থাকে। কিন্তু পর্নোগ্রাফির চটকদার সব পাওয়ার হিসেবে এই হিসেব মেলে না। এর ফল সম্পর্কে পড়তে বাধ্য। কেন না, সম্পর্কের রসায়ন শুধু ভালবাসা কল্পনার ফানুসে ভাসতে পারে না। অন্তত বর্তমান জীবনে সম্পর্ক নামক গ্রাফের অঙ্ক কষাও একটা শিল্প। পর্নোগ্রাফির মোটা দাগের আনন্দ ক্ষণিকের চটক দিতে পারে মাত্র, যৌনতা উষ্ণতাকে এতে গুলিয়ে ফেলে নিজেকে আরও বেশি নিস্ব-হতাশ করবেন না যেন।

আর এরই সঙ্গে জুটিরা মন দিন নিজেদের দিকে! চলতি হাওয়ায় অনেক মানুষেরই পরস্পরের প্রতি অভিযোগ যে, তাঁরা নাকি অতিরিক্ত পরিমাণ ইন্টারনেটস্যাভি। ঘুম থেকে উঠে বাসিমুখে সঙ্গী বা সঙ্গীনিকে চুমুর বদলে ফেসবুকের ওয়াল পোস্টে আকর্ষণ বেশি হলে তো মুশকিল! ঠিক এই জায়গা থেকেই বিয়ের দু’বছরের মধ্যে সম্পর্ক ভাঙতে চলেছে শহরের এক আইটি-সেক্টরকর্মী অপর্ণার। অভিযোগ, অপর্ণার চেয়ে ইন্টারনেট গেমেই বেশি মন সুমনের। এমনকি, রাতের তীব্র বিছানাবিলাসের পর স্বামীকে জড়িয়ে ঘুমানোর সুখটুকুও মেলে না তার। তখন সুমন ব্যস্ত নেটবিশ্বের স্কাইপ দুনিয়ায়। যন্ত্রপ্রেমে এমন মশগুল যন্ত্রমানবের সঙ্গ থেকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচতেই অপর্না ছাড়পত্র চায়।

লেখার প্রতি অক্ষরে নিজেকে মিলিয়ে নিতে নিতে আমরা যারা চমকে উঠছি, তাদের বলি, এতে বেশি বিস্ময়ের কিছু নেই। এই দুজনের মতো আরও অনেকেই যন্ত্রপ্রেমে মশগুল হয়ে অজান্তেই হারিয়ে ফেলছেন পাশের মানুষ দোসরকে। সময় কেটে যখন টনক নড়ছে, তখন বন্ধু বলতে সাইকিয়াট্রিস্ট। যন্ত্র আর অ্যাপ্লিকেশনে সদাব্যস্ত এই প্রজন্ম আদতে হারিয়ে ফেলছে সম্পর্ক আর জীবনের আসল চাবিকাঠি। অথচ বছর ৫ আগেও অফিস ফেরত সম্পতি বা কলেজ ফেরত প্রেমিক যুগল, নিভৃতে নিজেদের সময়টুকু নিয়ে নাড়াচাড়া করত। রাতের খাবারের একান্ত নির্জনতা বা সন্ধেঘন পার্কের কোণের অন্ধকারটুকুতে শুধু দুটি মন ছাড়া আর কেউ নেই।

কিন্তু স্মার্টফোন আর অ্যাপসের যুগে আপনি যে অলওয়েজ বিশ্বনাগরিক ভাই। তাই স্ত্রীর হাতের বাটার পনিরের প্রশংসার আগেই ভেসে আসে ক্যালিফোর্নিয়ার ঘটনাবলী। প্রেমিকের ঘামভেজা শরীরে নাক ডুবিয়ে মগ্নতাকে ছিন্ন করে দেয় আপনার থেকেও স্মার্ট আপনার ফোনের বিভিন্ন চিৎকৃত আপডেট। বাটার পনিরের অমনোযোগী সময় ধীরে ধীরে সম্পর্কের ঘনত্বকে ঠান্ডা মেরে দিতে দিতে নিয়ে যায় ডিভোর্স নামক কয়েক পাতার মর্গে। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা বলছে, বিশ্বের ৮০ শতাংশ তরুণ কাপল রাতে বা দিনে খাবার টেবিলে খাওয়ার সময়, পরস্পরের সঙ্গে বাক্যালাপের চেয়ে বেশি মগ্ন থাকে নিজ নিজ ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনে। অন্যদিকে ৭০ শতাংশ আবার রাতঘুমের আগে বিছানায় আধঘন্টা কাটায় ল্যাপটপ কোলে, নানান সোশ্যাল মিডিয়ার সোশ্যালিজমে। সে সামাজিকতার এমনই নাকি গুণ, যে পাশে স্ত্রী বা স্বামীকে গুডনাইট বলার দস্তুর হল তার অনলাইন অ্যাকাউন্টে।

মানছি, বাস্তব সম্পর্কে বেশি ডুব দিতে গেলেই নিয়ত আপডেটেড ভার্চুয়াল কক্ষপথ থেকে ছিটকে যাবেন! কিন্তু এই যন্ত্রের আজব ফানুস দুনিয়ায় ঘুরতে ঘুরতে কখন যে বাস্তব থেকে শূন্য যোজন দূরে চলে যাচ্ছে এই প্রজন্ম, সে ক্ষতির হিসেব মিলছে দেওয়ালে পিঠে ঠেকে গেলে। এবার বাকিটুকু বুঝে নিন আপনিই; উপদেশের লক্ষ্য আমাদের একেবারেই নেই। তবু ওই যে ইংরেজিতে বলে না, ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’; সেটাও মাথায় রাখলে ক্ষতি কি!


ক্লাস ৯-১০ এর মেয়ের কথা, আমার একটা বয়ফ্রেন্ড থাকতেই হবে , নাহলে আমি স্মার্ট না ; ক্লাসের ফাকে তারা এক আরেক জনের সাথে গর্ব করে তার কয়টা বয়ফ্রেন্ড , কার কার সাথে কবে কবে ডেটিং এ গেসে……… এটা কিনা এই পিচ্চি মেয়েদের গর্বের বিষয়………। ক্লাস ৬ এর একটা ছেলে যদি পর্ণ না দেখে , তাকে বলা হয় সে কোন যুগে আছে ? টাকার লোভে এইসব কচি কচি ছেলে মেয়েদের হাতে পর্ণ তুলে দিচ্ছে অসাধু পর্ণ ব্যাবসা য়ীরা । প্রতিদিন ২.৫ কোটি টাকা এসব ছেলে মেয়েদের কাছে ২.৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওরা । ক্লাস ৮-৯ এর এইসব ছাত্র-ছাত্রীদের ১/ ৮২% শতাংশই মোবাইলে পর্ণ ছবি দেখে ২/ ক্লাসে বসেই পর্ণছবি দেখে ৬২ শতাংশ ৩/ ৭৮% গড়ে কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ব্যয় করে মোবাইলে ৪/ ৪৪% শতাংশ প্রেমের উদ্দেশ্যে ব্যাবহার করে সময় টিভির ক্যামেরায় এইসব তথ্যই উঠে আসে ( https://www.facebook.com/v/386797358074903 ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ,দেখুন ৭ মেগাবাইটের এই ভিডিও তে ) [[ share it ]]

 


সম্পর্ক গুলো আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বের।ইদানীং পারিবারিক সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে মতানৈক্য সেই সাথে বাড়ছে বিচ্ছেদ।সময়ের আগেই সতর্কতা পারে এমন উদ্ভট পরিস্থিতি থেকে আমাদের রক্ষা করতে। এখন আর অন্য কোন মাধ্যম নয়,খোদ জেনে নিতে পারেন আপনার লাইফ পার্টনার আপনার সাথে সম্পর্কের বিশ্বাস কতোটুকু রক্ষা করছে।সম্প্রতি দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রী ঠকাচ্ছে বা প্রতারণা করছে কি-না, তার কিছু লক্ষণ দিয়ে আপনি বুঝতে পারবেন।বিশেষজ্ঞদের মতে,ফোনকল, বান্ধবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, স্নান ও ব্যায়াম, ঘ্রাণ, চক্ষু যোগাযোগ, এবং যৌন বিচ্যুতির লক্ষণের মাধ্যমে আপনার স্ত্রী সম্পর্কে ধারণা পাবেন। ফোনকল : ফোনে কথা বলার সময় (বিস্তারিত…)


মানসিক কারণে সৃষ্ট সমস্যার ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজনকে সহানুভূতিশীল হতে হবে। শুধু পুরুষের নয়, মানসিক কারণে স্ত্রীরও নানা সমস্যা থাকতে পারে।কেস হিস্ট্রি একঃ যুবকের বয়স ২৪/২৫ এর বেশি হবে না। বিয়ে করেছেন। বিয়ের দ্বিতীয় দিনেই স্ত্রীর পক্ষথেকে সম্পর্ক ছেদ করার সিদ্ধান্ত। ছেলের অভিভাবক এবং মেয়ের অভিভাবক দু’জনেই আমার চেম্বারে। বিচারকের আসনে আমি। রায় দিতে হবে। আর রায়টি হচ্ছে ছেলেটি শারিরীক ভাবে (বিস্তারিত…)


যৌন অক্ষমতা এখন কেবল আর খারাপ শরীরের প্রৌঢ়দের মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই, এটা এখন তরুন জনগোষ্ঠির ভেতরও প্রকট হতে শুরু করেছে।যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা গবেষণা জার্নাল “সাইকোলজী টুডে”-তে একটি গবেষনাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে,”ইন্টারনেট পর্ণগ্রাফি এমন একটি তরুন প্রজন্ম তৈরী করছে যারা শোয়ার ঘরে একেবারেই হতাশা জনক। নতুন এই মিডিয়া তরুন গোষ্ঠিকে এতই আকৃষ্ট এবং প্রভাবিত করছে যে, তারা প্রকৃত নারীর সান্নিধ্যে তেমন একটা আকর্ষন অনুভব করছে না।এই বিষয়টি এখন এতই কমন হয়ে গিয়েছে যে, মাত্র ২০ বছরের তাজা যুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিক যৌনাচরন করতে পারছে না”। এই রকম ঘটনা থেকে বিরূপ প্রভাব পরছে ব্যাক্তি ওসামাজিক জীবনেও ।

এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে ,যারা (বিস্তারিত…)


বাংলাদেশে বয়স ১৮ হওয়ার আগেই যৌন অভিজ্ঞতা হচ্ছে ৫০ শতাংশ শহুরে তরুণের। এছাড়া প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ পরোক্ষভাবে প্ররোচিত হয়ে যৌন কর্মে লিপ্ত হচ্ছেন। এদের এক-তৃতীয়াংশ আবার লিপ্ত হচ্ছেন দলগত যৌনকর্মে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের যৌনসঙ্গী হচ্ছেন পেশাদার যৌনকর্মী। কিন্তু এসব তরুণের অর্ধেকই যৌনকর্মে একদমই নিরোধ ব্যবহার করছেন না। বাকীরাও নিরোধ ব্যবহারে অনিয়মিত। তাই তাদের মধ্যে এইডস ঝুঁকি বাড়ছে।

আইসিডিডিআরবি পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা জরিপ থেকে এই ভয়ঙ্কর তথ্য জানা গেছে।পেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যান এমন এক হাজার তরুণের ওপর এ জরিপ চালানো হয়। এদিকে এমন অনিরাপদ যৌনকর্মের মাধ্যমে ৫২ শতাংশ এইডস ছড়ায় বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

জাতীয় এইডস কর্মসূচি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে শক্তিশালী যৌন ব্যবসা গড়ে উঠেছে। আর তরুণরাই বেশি এইডস ঝুঁকিতে রয়েছে। তরুণদের এইডস ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে চাইলে জাতীয় এইডস/এসটিডি কর্মসূচির পরিচালক অধ্যাপক মো. ওয়াদুদ বলেন, ‘যৌন আচরণে পরিবর্তন হওয়ার কারণে তরুণের মধ্যে এইডস ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে ঢাকাসহ শহরাঞ্চলের তরুণদের মধ্যেই এইডস ছড়াচ্ছে বেশি।’ তিনি বলেন, ‘তরুণ সমাজকে এই ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে আমরা বিশেষ সচেতনামূলক কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি। এতে তরুণদের জন্য কাউন্সেলিং থাকবে। এছাড়া পাঠ্য পুস্তকে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পর্যায়ক্রমে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিষয়টি সিলেবাসে নিয়ে আসা হবে।’ এছাড়া সরকার জেলা পর্যায়ের প্রতিটি হাসপাতাল যুব বান্ধব করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, পেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়া তরুণের প্রায় ৭৯ শতাংশই এইডস সম্পর্কে সচেতন নন। যৌন মিলনের পর যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করলে এইডস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বলেও মনে করেন তারা। যৌনকর্মে লিপ্ত হতে এসব তরুণের ৮০ শতাংশ যাচ্ছেন আবাসিক হোটেলে। আর ২০ শতাংশ অপেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন। আর জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ তরুণ হওয়ায় দেশের বৃহৎ ও নিভর্রশীল এই জনগোষ্ঠী ব্যাপক ঝুঁকিতে মধ্যে আছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। না হলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। জরিপ অনুযায়ী, তরুণদের অধিকাংশ যৌন চাহিদা মেটাতে যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন। সব ধরণের যৌন আচরণ করছেন। গবেষণায় দেখা যায়, এসব তরুণের প্রায় ২০ শতাংশের মধ্যে যৌনবাহিত ইনফেকশনের লক্ষণ দেখা যায়। তবে এদের মাত্র ১৫ শতাংশ চিকিৎসকের কাছে যান। ঢাকার ৯টি আবাসিক হোটেলে আইসিডিডিআরবি পরিচালিত জরিপটিতে আরো দেখা গেছে, তরুণের দুই তৃতীয়াংশ স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া। তারা যৌনকর্মে প্ররোচিত হন বন্ধু বা বন্ধুস্থানীয় কাউকে দিয়ে।

প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ পরোক্ষভাবে প্ররোচিত হয়ে যৌন কর্মে লিপ্ত জন। আবার অনেকে পর্ন সিডি দেখে যৌন কর্মে উৎসাহিত হন। এদের অনেকের বয়স ১১ থেকে ১৪ বছর। এছাড়া বিবাহিতরাও যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন বলে দেখা গেছে গবেষণা জরিপে।


আপনি কি অবিবাহিত? শ্বশুড়ের টাকায় কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন? আপনার উত্তর যদি হ্যাঁ সূচক, তাহলে দ্রুত আপনি বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে ফেলুন। হংকংয়ের এক ব্যক্তি ঘোষণা করেছেন, তার মেয়েকে যে বিয়ে করবে তাকে তিনি ৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫২২ কোটি টাকা) যৌতুক দেবেন। আরও সুখবর হল, পাত্র যদি গরিব হয় কিংবা হয় বাংলাদেশি অথবা অন্য কোন দেশের নাগরিক, তাহলেও কোন আপত্তি নেই সেই মহানুভব ব্যক্তির।মজার ব্যাপার হল, সিসিল চাও সে সুং নামের ব্যক্তির প্রস্তাব শুনে পুলকিত হয়েছেন তার মেয়ে গিগি চাও নিজেই। তিনি তার বাবার প্রস্তাবকে ‘খুবই মজাদার’ বলে মন্তব্য করেছেন। সিএনএন জানায়, গত সপ্তাহে সিসিলের মেয়ে গিগি প্যারিসে উৎসব করে একজনকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু ওই বিয়েটা মেনে নিতে পারেননি সিসিল। তবে বাবার অভিনব প্রস্তাবে পুলকিত গিগি বলেছেন, তার বাবা তাকে খুবই ভালবাসেন বলে এমন প্রস্তাব দিয়েছেন। গিগি বিয়ের কথাও অস্বীকার করেছেন। তবে শুধু বিয়ে করতে রাজি হলেই যে এতগুলো টাকা পাবেন সেটাই বা হয় কী করে! সিসিল বলেছেন, এই লোভনীয় প্রস্তাব গ্রহণ করে যে তার মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি হবে তাকে ওয়াদা দিতে হবে, তিনি তার মেয়েকে গভীরভাবে ভালবাসবেন। তার মেয়ের প্রথম বিয়ের কথাটিও তাকে ভূলে যেতে হবে।

এতোটুকু হলে সব ঠিক ছিল কিন্তু যতই লোভ থাকুক আপনি যখন জানবেন তখন একটু হলেও নাক সিটকাবেন, কারণ  প্রথমবার গিগি যাকে ঘটা করে বিয়ে করেছেন তিনিও একজন মহিলা। তার নাম শঁএভ। এর মানে হচ্ছে টাকার লোভে আপনি যাকে বিয়ে করতে চান তিনি একজন লেসবিয়ান !

সূত্র – ওয়েবসাইট।


তখন রাত ৮টা কিংবা সোয়া ৮টা বাজে। বিজয়নগরে একটি কাজ সেরে হলে ফেরার উদ্দেশে কাকরাইল মোড়ে আসার জন্য আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের সামনে দিয়ে হাঁটছিলাম। পেভমেন্টে খুব বেশি আলো নেই। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের গেটের দু-একটি বাতি, বিশেষ করে গাড়ির আলোয় যতটুকু আলোকিত ছিল এই যা। এ পাশটায় কোনো দোকান কিংবা লাইটপোস্ট নেই বলে ঝলমলে আলো নেই এ ফুটপাতে। কিন্তু তার পরও মোটামুটি সবকিছুই ভালোভাবে দেখা যায়। সঙ্গে আমার এক বন্ধু। হাঁটতে হাঁটতে চোখে পড়লো ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সী ১০-১৫ জন নারী। অতিমাত্রায় মেকআপ নেয়া এসব মেয়ে দু-চার হাত দূরে দূরে দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। বছরখানেক আগে পত্রিকার কাজ করতে গিয়ে এ জায়গাটা সম্পর্কে জেনেছিলাম। তাই বুঝতে অসুবিধা হলো না।

এরাই সেই নারী যারা জীবনযুদ্ধে হেরে গেছে। সমাজ এদের জায়গা দেয়নি। এরা যৌনকর্র্মী। যাদের কটূক্তি করে, ঘৃণাভরে বলা হয় পতিতা। কথা বলার চেষ্টা করি ওদের একজনের সঙ্গে। কিন্তু ওরা পত্রিকায় কাজ করি জেনে কোনো কথা বলতে রাজি হচ্ছে না। যেভাবেই হোক আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের এক গেটম্যানের সহায়তায় মিনিট পাঁচেকের একটি মিনি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। মেয়েটার বয়স ২০-২৫ হবে। নাম জিজ্ঞেস করলেও কোনোমতেই সে তার নাম বলতে রাজি হয়নি। তবে সে জানালো কোনো সখ বা ইচ্ছের বশবর্তী হয়ে সে এ পেশায় নামেনি। বাড়ি নাটোরে। ধর্ষিত হয়েছিল একই গ্রামের যুবকদের হাতে। ধর্ষিত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি কিভাবে হয়েছিল তা সে জানে না। তবে এটুকু জানে, হাসপাতালে তার খবর নিতে বাড়ির গরিব বাবা-মা কেউই আসেননি।

যা বোঝার বুঝে নিয়েছিল সে। কোনোদিন বাড়ি ফিরে যায়নি। ঢাকায় এসে ২০০৮-এর শেষের দিকে দেহপসারিণী হিসেবে জীবন সংগ্রাম শুরু করেছিল। এখনো চলছে। সর্বোচ্চ ১০ জনের দ্বারাও ধর্ষিত হয়েছিল একবার। প্রায়ই কোনো পারিশ্রমিক পায় না ওরা। সাধারণত ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত পায় প্রতি রাতে। আবার মাঝে মাঝে কন্ট্রাক্ট করে গিয়েও সারারাত ধর্ষিত হয়ে সকালে ফিরতে হয় শূন্য হাতে। আমাদের করা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলে সে। আমি সবচেয়ে আশ্চর্য ও ব্যথিত হয়েছি, যখন আমি এই লেখাটি লেখা শুরু করেছি। আমার এক বন্ধু লেখার বিষয়টি দেখে আমাকে খুব উৎকণ্ঠা ভরে বললো, ‘তুই শেষ পর্যন্ত এসব নোংরা বিষয় নিয়ে লিখতেছিস’? আমার বন্ধুর কথা বলার ভাবটা এরকম ছিল, যেন এই যৌনকর্মীদের নিয়ে আলোচনা করাই মহাপাপ। ওরা যেন সমাজের উচ্ছিষ্ট, ওরা মানুষ নয়, ওরা পতিতা। আমার বন্ধুকে আমি দোষ দেই না। কারণ এ ধরনের মানসিকতা আমাদের সমাজই ওকে তৈরি করে দিয়েছিল। এটাতো অত্যন্ত ছোট ব্যাপার।

যখন দেখি কোনো নারী ধর্ষিত হয়ে সমাজে চরমভাবে অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়ে সবশেষে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে, তখন আমাদের এই সমাজের প্রতি ঘৃণা হয়। আমি বুঝি না একটা মেয়ে ধর্ষণের শিকার হলে এ মেয়েটার দোষ কি? ভেবে দেখুন, পরিবার বা সমাজের দায়িত্ব ছিল এ মেয়েটিকে রক্ষা করা। নিরাপত্তা দেয়া। কিন্তু সমাজ কতটুকু নিরাপত্তা দিতে পেরেছে একটা নারীর। আমি একটু কম বুঝি, তাই আমার বুঝতে কষ্ট হয়, যে নারী ১৯৭১ সালে দেশের জন্য জীবন ও ইজ্জত দিয়েছে এবং রাষ্ট্র কর্তৃক তাকে বীরাঙ্গনা খেতাব দেয়ার পরও যখন তার পরিবার ও সমাজ তাকে চরমভাবে বর্জন করেছিল তখন সে নারীর টানবাজারের পতিতাপল্লীতে যাওয়া ছাড়া আর কিই বা করার ছিল। আমরা কেন বুঝতে চাই না সখ করে কোনো নারী তার জীবনে এ পেশা বেছে নেয় না। মনে রাখতে হবে, যারা এ পেশায় নিজেদের নিযুক্ত করেছে তাদের আর কোনো উপায় ছিল না জীবনকে টেনে নেয়ার।

হয়তো বা এ নারীদের কেউ কেউ সারারাত তার সব শরীর বিকিয়ে দিয়ে সকালবেলা যা পাচ্ছে তা দিয়ে অসুস্থ মা অথবা বাবার জন্য ওষুধ কিনে বাসায় ফিরছে। আবার কেউ কেউ তার ছোট ভাই-বোনের পরীক্ষার ফি জোগাড় করার জন্য খদ্দেরের আশায় দাঁড়িয়ে আছে। আমরা শুধু দেখি ওরা কি করে। কিন্তু কেন করে সেটা কি কখনো জিজ্ঞাসা করে দেখেছি? আমাদের ভাবা উচিত ওরা আমাদের মতোই। ওরা সমাজের বিচ্ছিন্ন কোনো অংশ নয়। নিঃসন্দেহে ওদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা উচিত।


ছেলেরা মেয়েদের যৌনতা নিয়ে খুব কম তথ্য জানে। চটিগুলো পড়লে সেটা বোঝা যায়। চটি লেখক এবং মন্তব্যকারীদের অনেকে মেয়েদের সাথে যৌনকর্ম দুরের কথা কোনদিন মেয়েদের বাস্তব যৌনাংগ দেখেছে কি না সন্দেহ। মেয়েদের সমন্ধে ওনাদের জ্ঞান মনে হয় পর্ন আর ইন্টারনেটের চটি থেকে নেওয়া। যাহোক সবার সুবিধার্থে কিছু তথ্য দিলামঃ

১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।
২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।
৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন মাল বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে।
৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই।
৬. যৌনি পথে পুরুষ লিংজ্ঞ ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।
৭. লম্বা লিংজ্ঞের চেয়ে মোটা লিংজ্ঞে মজা বেশী। লম্বা লিংজ্ঞে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।
৮. মেয়েদের যৌনিতে সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, লিংজ্ঞের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় লিংজ্ঞের দরকার হয় না।


এ কেমন কথা! মহিলাদের খৎনা হয় কেমন করে?। তাদের যৌনাঙ্গে এমন কিছু কি আছে যা কেটে ফেলা দরকার?—অনেকেই এই প্রশ্ন করবেন। এর সোজা উত্তর হল: হ্যাঁ, মহিলাদেরও খৎনা করতে হবে—এটাই ইসলামী আইন। ঘুরে আসুন মিশর—দেখবেন প্রায় সমস্ত মহিলাই সেখানে খৎনা করা যদিও মিশরীয় সরকার দাবী করে যে এই প্রথার বিরুদ্ধে আইন আছে। কিন্তু কে শোনে যুক্তি, বিজ্ঞান বা আইনের কথা! ঘুরে আসুন ইন্দোনেশিয়া, পৃথিবীর সর্ব-বৃহত্তম ইসলামিক রাষ্ট্র—সেখানে দেখবেন শতকরা নব্বইজন মহিলা খৎনার শিকার। এই একই অবস্থা মালয়েশিয়াতে। তা হলে বাংলাদেশে কি হচ্ছে? খুব সম্ভবত: বাংলাদেশে এই বর্বর বেদুঈন প্রথা নাই। অথবা থাকলেও অত্যন্ত গোপনে তা করা হয়। আর এও হতে পারে যে বাংলাদেশে যে শারিয়া আইন চালু আছে তা হানাফি আইন। সুন্নিদের মধ্যে হানাফি আইনই একটু কম বর্বরোচিত। হানাফি আইন মতে মেয়েদের খৎনা করা বাধ্যতামূলক নয়। তাই আমাদের মহিলাদের কিছু রক্ষা।

প্রশ্ন হতে পারে কেন মেয়েদের খৎনা করা হবে—ইসলামী আইন অনুযায়ী? এর সরাসরি উত্তর হবে মেয়েদের যৌন উত্তেজনাকে প্রশমিত করার জন্য। তা না করলে যে পুরুষদের সর্বনাশ হয়ে যাবে। পুরুষরা যে পারবে না মেয়েদের যৌন ক্ষুধার চাহিদা মিটাতে। এই সব বর্বর প্রথাকে সভ্যতার প্রলেপ দিতে অনেক ইসলামী জ্ঞানীরা বলে বেড়াচ্ছেন যে মেয়েদের খৎনা নাকি তাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভাল। কি ডাহা মিথ্যা কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান মুফতিকে (উনার নাম খুব সম্ভবত: ফেহমী) একবার এক কাফের মহিলা সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করল: কেন মুসলিম মেয়েদের খৎনা করা হয়? মুফতি ফেহমি সৎ উত্তর দিলেন। তিনি বললেন সাধারণত: উষ্ণ দেশের মেয়েদের যৌন তাড়না থাকে অনেক বেশী। তারপর ফেহমি ঐ মহিলা সাংবাদিকের প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বললেন: “তোমার হয়ত এর (মহিলা খৎনা) প্রয়োজন নাই; কিন্তু ঐ মহিলাদের আছে” আমি স্মৃতি থেকে এই ঘটানটি বললাম।


ভবিষ্যতে সেক্সুয়াল বিভিন্ন কারনে ব্যবহার করা যাবে রোবটকে। এমনটাই মনে করছেন মার্কিন রোবোটিক্স বিজ্ঞানী প্রফেসর রডনি ব্র“কস। তার বক্তব্য ,এটা ভেবে নেওয়ার কারন নেই যে যন্ত্রের দ্বারা কোনও যৌনসুখ পাওয়া সম্ভব হবেনা। মার্কিন কোম্পানী আই রোবোটের প্রাক্তন প্রধান টেকনিক্যাল অফিসার ব্র“কসকে উদ্ধৃত করে এক সংবাদপত্র জানাচ্ছে আমাদের কাছে বর্তমানে যা টেকনোলোজি আছে প্রত্যেকটিতেই সেক্সুয়াল ড্রাইভার আছে। তাই এক সময় সেক্সবোট আবিস্কার করা ও সম্ভব হবে।

তবে এখন এরকম কোনও রোবট আবিস্কার করা সম্ভব হয়নি। এর সাথে তিনি এও বলেছেন,এই ধরনের সেক্সবোট তৈরি করতে বেশ কিছু সময় লগবে। তিনি বলেন আগামী তিনশো বছরের মধ্যে এমন দিনও আসতে পাওে যখন হয়তো মানুষ এবং রোবটের বিবাহ হবে।


মালয় থেকে চৈনিক দেশ , সব খানে তোর প্রিয়ে

বাঙাল মেয়েও ভাল্লাগে তোর করতে মজা নিয়ে

সবাই তোকে চায় বলে তুই মহান হয়েই থাকিস

যেদিন যাকে চাইলে পাবি তাহার দিকেই বাকিস

সবাইকে তোর আপন লাগে , প্রেমের এমন লীলা

এক জনকেও হারালে তোর শরীর পরাণ বিলা

বউটা কিন্তু অন্যরকম , এক্কেবারে ভিজে

বান্ধবীরাই বেশ্যা হলো, থাকলি সাধু নিজে !

কবিতাটা পড়েছিলাম অনেকদিন আগে। হেসে ফেলেছিলাম। আবার একটু ভাবলাম। নাহ! একেবারে সত্যি কথা।.

একটা ব্লগ পড়লাম, নারীর সতিচ্ছদ নিয়ে। লেখক বলেছেন- “মেয়েদের সতীত্বের প্রধান এবং একমাত্র প্রমাণ হচ্ছে তার সতীচ্ছদ পর্দা। বিধাতার পরম ভালবাসায় সৃষ্ট মানব জাতিঃ পুরুষ এবং নারী। কিন্তু স্রষ্টার আজব খেলা, পুরুষের বিবাহ পূর্ব যৌণ মিলনের কোন চিহ্ন থাকে না। আর নারী, তার সতীত্ব হারানোর চিহ্ন রেখে যায় তার সতীচ্ছদ পর্দা হারানোর মাধ্যমে।”

মানলাম। কিন্তু, সতীত্বের সংজ্ঞা কি? আসেন দেখি-

Hymen: A thin membrane which completely or partially occludes the vaginal opening. The hymen is a fold of mucous membrane usually present at birth at the orifice of the vagina. It is also called the vaginal membrane (or, sometimes, the virginal membrane).

“Hymen” is a Greek word meaning “skin” or “membrane.” The ancient Greeks applied the word to all kinds of membranes including, for example, the membrane that surrounds the heart (the pericardium). Starting in the 1500s the word was restricted to refer only to the vaginal membrane.

পুরুষের তো কোন ঐ পর্দা জাতীয় ব্যাপার স্যাপার নেই। তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে কি হবে??

যে নারী তার নিজের অনিচ্ছায় সংগমে লিপ্ত হতে বাধ্য হয়েছে, তারও কি সতীত্ব নেই?? সতী শব্দটা বাংলায় আসলো কোথা থেকে? হিন্দু ধর্মের মহাভারত থেকে আমরা জানতে পারি যে, সীতাকে তার বাবা পেয়েছিলেন মাঠে লাঙল দিতে গিয়ে। লাঙলের ফলার যে দাগ, সেই দাগকে সীতা বলা হয়। সেই দাগের মাঝ থেকে প্রাপ্ত মেয়েকে নাম দেয়া হয় “সীতা”। তাঁকে যখন রাবন চুরি করে নিয়ে যায়, তখন রামের মনে সন্দেহ না থাকলেও উদ্ধারের পর প্রজাদের দাবিতে সীতা যে পবিত্র, তার পরীক্ষা দেয়া লাগে। অগ্নিপরীক্ষা নামেই সেটা খ্যাতো। তো সীতার সেই পরীক্ষাই প্রমাণ করেছিলো সে পবিত্র। সেই সীতা থেকেই বিবর্তিত হয়ে সতী শব্দটা বাংলায় যুক্ত হয়। এখনো নারীরা সতীর উদাহরণ হিসেবে সীতাকেই মানে। যে দীর্ঘ কয়েক বছর রাবনের সাহচর্যে থেকেও নিজেকে পবিত্র রাখতে সমর্থ হয়েছে।

তো, সতীত্ব আসলে কোথায়?? সীতার তো তখন বিয়ে হয়ে গিয়েছিলো। স্বাভাবিক কারণেই হাইমেন থাকার কথা নয়। তাহলে কিভাবে এটা নিরুপন করা হলো?? এইখানেই মূলত আমার মতামত। হয়তো সবার কাছে গ্রহন যোগ্য হবেনা। আমি মনে করি সতীত্ব মানুষের মনে। একজন যদি কারো সাথে দৈহিক সম্পর্ক করেও, তারপরও যদি সে সেই মানুষ টিকে মনে স্থান না দিয়ে তার ভালোবাসার মানুষটিকেই স্থান দেয়, সেটিই সতীত্ব। তবে সেটা একসাথে দুইজন কে নয়। একটি মেয়েকে রেপ করা হয়েছে। সে কি অসতী?? না। আমি বলবো না। তার তথাকথিত হাইমেন না থাকতে পারে, কিন্তু সে সতী। মামারা, নিজের বুকে হাত দিয়ে বলেন তো আপনি সতী কিনা?? এ সমাজে পুরুষরাই বড়ো অসতী। আর একজন মেয়ে তার হাইমেন হারানোর দোষে হয়ে যায় কুলটা, সমাজছাড়া। শুধু মাত্র ঐ এক হাইমেনের কারণে পাকিস্তানে, আফগানিস্তানে, ইরানে আজ “সম্মান রক্ষার জন্য হত্যা(!!)” আদৃত, সমাদৃত! হাজারে হাজারে নারীকে পচতে হচ্ছে জেলে। কয়জন পুরুষ এর ফল ভোগ করে?? কয়জন পুরুষকে মরতে হয় এই তথাকথিত কৌমার্য হারিয়ে?

আজকাল নয়া ব্যাবসা শুরু হয়েছে। নকল হাইমেন লাগানো। চীনে তো মাত্র ২৩ ইউরো দিয়ে কুমারিত্ব ফেরানোর কথা বলে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে ওয়েবসাইটে। তবে তারা এক্ষেত্রে যে ইলাস্টিক ব্যবহার করে এবং তাতে যে রক্ত দেয়া থাকে তা ভুয়া। যখন তা একজন নারীর প্রজনন অঙ্গে স্থাপন করা হয় তখন তিনি নানা রকম জটিলতায় ভুগতে পারেন। এই ভোগান্তি শুধু নারীদের। আর আমরা পুরুষরা?? গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াই একটা বেশ্যার চেয়েও জীবনে বেশী যৌনসংসর্গ করে!

ধিক এই সতী প্রথা, ধিক এই হাইমেন, ধিক এই সমাজ। আসুন শরীরে সতী না হয়ে মনে সতী হই।